rabbhaban

দিনমজুর আবুল হোসেনের অধরা হত্যাকারীদের হুমকিতে ভীত স্বজনেরা


বন্দর করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ১০:৪৫ পিএম, ২২ মে ২০১৯, বুধবার
দিনমজুর আবুল হোসেনের অধরা হত্যাকারীদের হুমকিতে ভীত স্বজনেরা

বন্দরের নরপদি এলাকায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্ত্রীর বড় ভাই ও তার ছেলে কর্তৃক প্রকাশ্যে দিন মজুর আবুল হোসেন হত্যাকান্ডের ১৩ দিন অতিবাহিত হলেও ঘাতক মোস্তফা ও তার ছেলে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এদিকে মামলা তুলে নিতে নিহত আবুল হোসেনের ছেলে ও বাদী কাজলকে প্রাণ নাশের হুমকী দেয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। ২২ মে বুধবার নিহতের স্বজনরা এ তথ্য জানান।

জানাগেছে, গত ১১ মে সকালে নরপদি বাগপাড়া এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আবুল হোসেনকে (৫০) রড, ছেনী ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই সময় হামলাকারিদের কবল থেকে দিনমজুরকে বাঁচাতে গিয়ে নিহতের স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৪৫), মেয়ে ডালিয়া (২৫), জামাতা রুবেল (৩০) ও নাতনি হাফছা (৪) আহত হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ১টি দা ও ২টি লাঠী উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে মোঃ কাজল মিয়া বাদী হয়ে ঘটনার ওই দিন দুপুরে বন্দর থানায় ৪ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

নিহতের স্ত্রী তাসিলিমা বেগম জানান, আমার পিতা মরহুম পীর মোহাম্মদ মিয়ার সম্পত্তি নিয়ে আমার বড় ভাই মোস্তফা মিয়ার সাথে মোজাম্মেল ওরফে বাবুসহ তার পরিবারের সাথে র্দীঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল। হত্যাকান্ডের আগের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বড় ভাই মোস্তফার সাথে আমাদের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে সকাল ৯টায় পাষ- বড় ভাই মোস্তফা ও তার স্ত্রী মহাসেনা বেগম, সন্ত্রাসী ছেলে মোজাম্মেল হোসেন বাবু এবং মেয়ে সোহাগী আক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্রসস্ত্র ও লাঠী সোটা নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। ওই সময় হামলাকারি মোজাম্মেল হোসেন বাবু ধারালো দা দিয়ে আমার স্বামীকে এলোপাথারি কুপিয়ে ও বেদম পিটিয়ে জখম করে। আমি ও আমার মেয়ে ডালিয়া ও জামাতা রুবেল বাধা দিলে উল্লেখিতরা আমাদেরকে বেদম পিটিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। চিৎকার শুনে এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে নারায়নগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে আমার স্বামী মারা যায়। এঘটনায় মামলা তুলে নিতে তার পরিবারের লোকজনকে ধারাবাহিকভাবে হুমকী দিচ্ছে আসামী পক্ষের লোকজন। যেকারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি।

বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকারিদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যহত রাখা হয়েছে। আশা করি, অল্প সময়ে মধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা সম্বভ হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর