rabbhaban

তুহিনের মৃত্যুতে উল্লাস, শেল্টারদাতাদের গ্রেপ্তার দাবী


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:৩২ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার
তুহিনের মৃত্যুতে উল্লাস, শেল্টারদাতাদের গ্রেপ্তার দাবী

নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার কিশোর গ্যাংদের নেতা হিসেবে পরিচিত তুহিনের নির্মম পরিণতি ঘটেছে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যুর ঘটনার মধ্য দিয়ে। অথচ এ তুহিন বাহিনীর হাতে খুন হন শাকিল নামের এক যুবক। এছাড়া এলাকা ছিল পুরোপুরি তার দখলে। পান থেকে চুন খসলেই তান্ডব চালাতো এ বাহিনীর সদস্যরা।

১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার ভোরে তুহিন র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে মৃত্যুর পর এলাকাবাসী যেমন উল্লাস প্রকাশ করে মিষ্টি বিতরণ করেছেন তেমনি তুহিন যাদের দ্বারা বেড়ে উঠেছিল সেই শেল্টারদাতাদেরও গ্রেফতার দাবী করেছেন।

বুধবার ভোরে তুহিনের মৃত্যুর পরে এলাকাতে মিষ্টিও বিতরণ করেন। শাকিল হত্যার পর বিচার দাবীতে নিয়মিত আন্দোলন করা বিএনপি নেতা ও আদর্শ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ইকবাল হোসেন জানান, তুহিনের মৃত্যুতে আমাদের সকলের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। গত ২৭ জুলাই তুচ্ছ ঘটনায় শাকিল নামের এক নিরীহ যুবককে হত্যা করে তুহিন বাহিনী।

স্থানীয়রা জানান, তুহিন বাহিনীর বিরুদ্ধে আছে নানা অভিযোগ। দেওভোগ ও বাবুরাইল সহ আশপাশ এলাকাতে তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও শেল্টারদাতারা রয়ে যাচ্ছে অধরা। এ বাহিনী এলাকাতে মাদক ব্যবসার পাশাপাশি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আসছে।

দেওভোগ শান্তিনগর এলাকার কাওসার হোসেনের ছেলে তুহিন এক সময় হয়ে যান দেওভোগ এলাকার সন্ত্রাসী হাসান বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর শহীদ নগরের র‌্যাব-১১ এর সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন ২০ মামলার আসামী ওই হাসান। হাসানের মৃত্যুর পর বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ চলে যায় তুহিনের অধিনে। ধীরে ধীরে আমবাগান, বাংলাবাজার, পশ্চিম দেওভোগ মাদরাসা রোড, হাসেম বাগসহ আশপাশের এলাকা নিয়ন্ত্রনে নেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর