rabbhaban

বন্দরে চোরাই ট্রলারসহ আটক ৩


বন্দর করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৪৯ পিএম, ০৮ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার
বন্দরে চোরাই ট্রলারসহ আটক ৩

বন্দর ফাঁড়ি পুলিশ এসএ হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে অভিযান চালিয়ে মায়ের দোয়া পরিবহন নামে একটি চোরাই ট্রলার উদ্ধার করেছে।

৮ অক্টোবর মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বন্দর থানার নবীগঞ্জ বুধবারিয়া হাট সংলগ্ন এলাকা থেকে উক্ত চোরাই ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ৩জনকে আটক করলেও পুলিশের অভিযানের সংবাদ পেয়ে ওয়ার্কশপ মালিক হাফিজুর ও ম্যানেজার শামীম মিয়া প্রাণ রক্ষার্থে কৌশলে পালিয়ে যায়।

আটককৃতরা হলো বন্দর থানার নবীগঞ্জ এলাকার মৃত আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে জুম্মান (২৮), ভোলা জেলার একই থানার চেদুর চর এলাকার আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে সাগর (৩০) ও মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর থানার বাংলা বাজার এলাকার আলম খানের ছেলে ইয়াছিন (৩৫)।

জানা গেছে, সুদূর চাঁদপুর জেলার উত্তর মতলব থানার চর ওয়েষ্টার এলাকার হালেম ওরফে মহিম কাজী ছেলে দিনমজুর কাজল কাজী মায়ের দোয়া পরিবহন নামে ৬১ ফুট লম্বা একটি লোহার বডি ট্রলার চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। প্রতিদিনের মত ট্রলার মাঝি কাজল কাজী গত ৮ অক্টোবর রোববার ট্রলার চালিয়ে বিকেলে ট্রলার বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। ওই সুযোগে ওই রাতে চোরের দল কৌশলে ট্রলারটি চুরি করে ভাঙারী হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে বন্দরে নবীগঞ্জস্থ এসএ হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওর্য়াকশপে নিয়ে আসে।

ট্রলার চুরি পর ট্রলার চালক কাজল কাজী ছেলে স্বাধীন মঙ্গলবার সকালে চুরিকৃত ট্রলার খোঁজার জন্য বন্দরে নবীগঞ্জে আসে। ওই সময় চোরের দল ট্রলারটি উল্লেখিত ওয়ার্কশপে নিয়ে গ্যাস ওয়েলডিং দিয়ে কাটার সময় ট্রলার মাঝির ছেলে স্বাধীনের নজরে পরে। পরে স্বাধীন তার পরিবার সহ বন্দর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে বন্দর ফাঁড়ি ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান সহ সঙ্গীয় ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে চোরাই ট্রলারটি উদ্ধার করে। চুরি ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ৩ চোরকে আটক করা হলেও কৌশলে ওয়ার্কশপ মালিক হাফিজুর ও ম্যানেজার শামীম পালিয়ে যায়।

এলাকাবাসী জানিয়েছে, বন্দরে নবীগঞ্জ এলাকায় এসএ হাইড্রোলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে মালিক হাফিজুর ও ম্যানেজার শামীমের ছত্র ছায়ায় আটকৃত চোরেরদল জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রলার চুরি করে উক্ত ওয়ার্কশপে এনে কেটে ভাঙারী করে অন্যত্র স্থানে বিক্রি করে আসছে। তাদের এ কাজে সহযোগিতা করছে নবীগঞ্জ ইসলামবাগ এলাকার আসলাম মিয়ার ছেলে হৃদয় ও খাদেমপাড়া এলাকার মারেঙ্গা মিয়ার ছেলে দোলনসহ বেশ কয়েকজন।

এ ব্যাপারে বন্দর ফাঁড়ির ইনর্চাজ মোস্তাফিজুর জানান, এলাকাবাসীর সংবাদের প্রেক্ষিতে আমরা একটি ওয়ার্কশপে অভিযান চালিয়ে চোরাই ট্রলার উদ্ধার করি। সে সাথে ওয়ার্কশপের সিসি ক্যামারা দেখে ৩ চোরকে সনাক্ত করে তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হই। অভিযানের সংবাদ পেয়ে ওয়ার্কশপ মালিক ও ম্যানেজার উভয় পালিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে ট্রলার মালিক বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলাচ্ছে। আটককৃত ৩ চোর বন্দর থানা হাজতে রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর