ফসলী জমি রক্ষায় ডিসিকে তৈমূর ও এলাকাবাসীর আবেদন


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:১৭ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
ফসলী জমি রক্ষায় ডিসিকে তৈমূর ও এলাকাবাসীর আবেদন

রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার জমি রক্ষায় মামলা মোকদ্দমা সহ নানা কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। তারই ধারাবাহিকতায় এবার রুপগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নের মৌজা কুলিয়াদি, রঘুনাথপুর, লক্ষ্যা শিমুলিয়া, শিমুলতলা, ব্রাহ্মনখালী তিন ফসলী জমি, পুকুর, মৎস্য খামার, কবরস্থান, সবজি চাষের জমি, নাল জমি সেচ প্রকল্পের আওতাধীন ফসলী জমি রক্ষার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ইষ্ট ওয়েস্ট প্রোপার্টিজ ডেভলাপমেন্ট (প্রাঃ) লিঃ কর্তৃত্ব বালু ভরাট বন্দের দাবীতে ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিনের কাছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন। একই আবেদন করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে। সেই সাথে তাদের দাবী আদায় না হলে প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় , পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে অনসনের বসার কথা জানান।

তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, ফসলী জমি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় গুরুত্বরোপ করছেন। আপনাদের এ বিষয়টি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলবো। পরিবেশ অধিদপ্তরকে বলবো বালু ভরাটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

এসময় অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সহ আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আসিফুজ্জামান এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আঃ রাজ্জাক, মোঃ আনোয়ার হোসেন, কবির হোসেন, মোঃ সিরাজুল, নাজির, মোঃ নাছির ও মোঃ মজিবুর রহমান সহ গণ্যমান ব্যক্তিরা।

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমি এর আগেও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি। এবারও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে পরিবেশ রক্ষায় জেলা প্রশাসকের বরাবর আবেদন জানিয়েছি। জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানাই তিনি আমাদের সামনেই পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কথা বলেছেন। আসলে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে চায় না। সকলেই ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে সুযোগ সুবিধা নেয়। ফলে ভূমিদস্যূ একের পর এক ফসলি জমি দখল করে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে যাচ্ছে। আমি সবসময় ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি এবং ভবিষ্যতেও বলে যাবো। প্রয়োজনে ভূমি রক্ষায় আমি অনসনে বসবো।

আবেদনে তারা উল্লেখ করেছেন, তারা বিগত ৫ পুরুষ যাবৎ উল্লেখিত এলাকায় বসবাস করে চাউল, গম, বিভিন্ন ধরনের সবজি, মাছ উৎপাদন করে রাজধানীর খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছেন। এলাকার জমি তিন ফসলী এবং লক্ষ্যা শিমুলিয়া-ব্রহ্মণখালী সেচ প্রকল্পের আওতাধীন। প্রধানমন্ত্রী তিন ফসলী জমিতে কোন প্রকার প্রকল্প স্থাপন না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন। তাছাড়া বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প স্থাপন করার জন্য ইষ্ট ওয়েষ্ট প্রোপারটিভ ডেভোলপমেন্ট পরিবেশ অধিদপ্তর বা প্রশাসনিক কোন কর্তৃপক্ষেল অনুমতি নেয় নাই। এসব কাজে জড়িত রয়েছে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান সহ আরও অনেকে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর