rabbhaban

নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী আমেজে বিএনপি


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৩৬ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী আমেজে বিএনপি

বহু জল্পনা কল্পনার পর নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনী আমেজ পুরোপুরি বইতে শুরু করেছে । তফসিলের পর থেকে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রতিপক্ষ দলগুলের কাছে কানাঘুষা থাকলেও অবশেষে ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে আসার ঘোষণা দেয়। তার ধারাবাহিকতায় সোমবার ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হয় বিএনপির মনোনয়ন বিতরন। একই সাথে হিসেব কষতে শুরু করে প্রতিপক্ষ দলগুলোর প্রার্থীরা। সবমিলিয়ে নির্বাচনী আমেজে প্রস্তুত নারায়ণগঞ্জ।

মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমা শেষে দলীয় নির্দেশনার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণতে হবে প্রার্থীদের। এছাড়া ৩০০ আসনের ভেতর জোটের হিসেব নিকেশ ও রয়েছে তাদের। প্রায় ১০০টি আসন জোটের শরিকদের ছেড়ে দেয়ার মৌখিক পরিকল্পনা রয়েছে দলটির। অন্যদিকে জোটের শরিকরা কোন প্রতীকে নির্বাচন করবেন তা এখনও অনেক স্থানে নির্ধারন হয়নি। সর্বশেষ নতুন ঐক্যফ্রন্ট্রের নেতারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন এমনটাই গুঞ্জন চলছে সর্বত্র। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এসএম আকরাম ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন বলে আভাস ও পাওয়া গেছে। একসময়কার নৌকার কান্ডারী এবার ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইবেন জনগনের কাছে।

নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার পূর্বে দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে আসছিলে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। তবে সরকারের অনড় অবস্থান দেখে ক্ষমতাসীন দলের সাথে সংলাপ ও নিজেদের ভেতর আলাপ আলোচনা করে সবশেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। এতে করে স্বস্থি ফিরে পেয়েছেন দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। একচেটিয়া চাপের মুখে থেকে বিপর্যস্ত হয়ে পরে দলটি আবারো চাঙ্গা হয়ে উঠবে নির্বাচনকে সামনে রেখে এমনটাই ধারণা করছেন তারা।

বিএনপির পাশাপাশি ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের উচ্ছ্বাস ফিরে এসেছে। দলটির একাধিক নেতৃবৃন্দ জানান, সুষ্ঠুভাবে সংলাপ করতে পারায় তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব উচ্ছ্বাসিত। দলটির নীতিনির্ধারকরা এই ভেবে বেশ স্বস্তিতে আছেন যে সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের আন্তরিকতা গ্রহণ করেছে বিএনপি। দুই কূল রক্ষা করে যা যা করা দরকার ছিল তার প্রায় সবই করা হয়েছে। সংলাপে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি মত নেওয়া জোটের দলগুলোর। বিএনপি নির্বাচনে আসায় প্রতিপক্ষকে সামনে রেখে হিসেব কষতে হবে তাদের। উভয় পক্ষের টার্গেট বিজয়ের দিকে থাকায় মাঠের লড়াইটাও হাড্ডাহাড্ডি হবে।

তবে নির্বাচন যাতে লোক দেখানো নির্বাচন না হয়। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সঠিক ভোট গণনার দাবীও জানিয়েছে বিএনপির নেতারা। এতে করে উভয় পক্ষের কাছে ভোট গননা সম্পর্কে সচ্ছতা ও ভোটারদের আস্থা তৈরী হবে নির্বাচন কমিশনের উপর। আর এই নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্বাচন কমিশন অতীতের ব্যার্থতা ঝেড়ে ফেলে নিজেদের প্রমাণ করার অন্যতম মাধ্যম বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর