rabbhaban

৫টি আসনে ইসলামী দলের ৮ প্রার্থী


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৪৫ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
৫টি আসনে ইসলামী দলের ৮ প্রার্থী

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে মনোনায়ন প্রার্থীদের তোড়জোড়। নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে প্রচার প্রচারণায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন তারা। বড় বড় দলগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে নিজেদের অবস্থান ঝালিয়ে নেয়ার এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে প্রস্তুত নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। ছোট ছোট দলগুলোর ভেতর অন্যতম ভোট ব্যাংকের অধিকারী ইসলামী দলগুলো। নিজেদের ধর্মীয় প্রভাব ও অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে চমক দেখানোর জন্য পুরোপুরি মনযোগ দিয়েছেন।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে ৩টি ইসলামী দল ৮ জন প্রার্থীর ঘোষণা দিয়েছে। এদের ভেতর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৫টি, খেলাফত মজলিস ২টি ও জমিয়তে উলামায়ে ১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এদের ভেতর খেলাফত মজলিস ও জমিয়তে উলামা কে নির্বাচনী মাঠে খুব একটা সক্রিয় দেখা না গেলেও ইসলামী আন্দোলন বেশ সক্রিয় ভাবে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ দলটির যুগ্ন মহাসচিব নারায়ণগঞ্জ এসে নিজেদের চাঙ্গা হবার পরামর্শ দেন। পীর মাশায়েখ ভিত্তিক দলটি ইতোমধ্যে ভোটের রাজনীতিতে বেশ আলোচনায় রয়েছে।

অন্য দুইটি দলের ৩ জন প্রার্থী খাতা কলমে লিপিবদ্ধ থাকলেও মাঠে নেই। যদিও দলের নেতারা এর কারন হিসেবে বরাবর সরকার বিরোধীদের উপর ধরপাকড়ের অভিযোগ তুলে আসছেন। দল দুটো উভয়েই ২০ দলীয় জোটে যুক্ত থাকায় তাদের গণসংযোগে নামার পুর্বে গ্রেফতারের ভয়ে রয়েছেন। তবে তফসিল ঘোষণার পর মাঠে নামার মত সুযোগ আসলে তারা নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে সক্ষমতা দেখাবে বলে জানা তারা।

নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর ৫টি আসনে প্রতিদন্ধিতা কারী ৮ জন প্রার্থীরা হলেন নারায়ণগঞ্জ-১ সৈয়দ আহম্মেদ (আন্দোলন), নারায়ণগঞ্জ-২ মোঃ নাসির উদ্দিন (আন্দোলন), নারায়ণগঞ্জ-৩ মাওলানা সানাউল¬াহ নূরি (আন্দোলন) নারায়ণগঞ্জ-৪ শফিকুল ইসলাম (আন্দোলন), ডাঃ শরীফ মোসাদ্দেক (খেলাফত), মুফতি মুনির হোসাইন কাশেমী (জমিয়ত), নারায়ণগঞ্জ-৫ হাফেজ কবির আহমদ (খেলাফত), মুহাম্মদ আবুল কালাম (আন্দোলন)।

জোটের বাইরে একক ভাবে নির্বাচন করে এর আগেও বেশ প্রতিযোগিতা মূলক অবস্থানে ছিল ইসলামী আন্দোলন। তবে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে অন্যান্য দলের জন্য মাথাব্যাথার কারণ হতে পারে জমিয়তের প্রার্থী। জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন নারায়ণগঞ্জ-৪ এ প্রার্থীতা দিয়েছে তারা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় এর পেছনে জোটের আরেক ইসলামী দল জামাতের সহযোগিতা রয়েছে। যদিও বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে দলটি। সরাসরি সম্পৃক্ততা না থাকলেও জামাতের বিশাল ভোট ব্যাংকের সহযোগিতা অন্যান্য দল গুলোর ফলাফলে প্রভাব রাখতে সক্ষম বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

তবে শুধু একটি আসন কেন্দ্র করেই নয়। পুরো ৫ টি আসনেই প্রভাব থাকবে ইসলামপন্থীদের। দলগুলো গতানুগতিক শহরের চাইতে পাড়া মহল্লা কাজে বিশ্বাসী। সেখানকার মানুষের মাঝে ধর্মীয় অনুভুতি জাগ্রত করে বিপুল ভোট আদায় করতে সক্ষম।

রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, দলগুলোর নেতারা সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে কিছুটা ক্লিন ইমেজের অধিকারী ও সমাজে পরিচিত হওয়ায় খুব সহজেই ভোটারদের নজরে চলে আসেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর