rabbhaban

আচরণবিধি : ঝুলছে ক্ষমতাসীনদের ব্যানার পোস্টার


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:০০ পিএম, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার
আচরণবিধি : ঝুলছে ক্ষমতাসীনদের ব্যানার পোস্টার

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্দেশকৃত নির্বাচনী প্রচারণা সম্বিলিত ব্যানার ফেস্টুন নামানোর সময় বেধে দিলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি। নির্ধারিত সময় থেকে আরো ৩ দিন বাড়ানো হলেও নেতাকর্মীদের এ নিয়ে মাথা ঘামাতে দেখা যায়নি। আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্ধারিত সময়ে ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ না করলে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার ও ঘোষণা দেয়া হয়। তবে এখনো চলছে আচরণবিধি লঙ্ঘন।

শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) সরজমিনে শহরের ২নং রেলগেইট থেকে শিবু মার্কেট পর্যন্ত দেখা যায় শহর জুড়ে ব্যানার পোষ্টারের ছড়াছড়ি। আওয়ামীলীগের একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রচারণা আর নৌকায় ভোট প্রদানের আহ্বান সম্বলিত পোষ্টারে ছেয়ে আছে সর্বত্র। দেয়াল, বৈদ্যুতিক পিলার, বাসের গায়ে, সরকারী বিজ্ঞাপনের উপর, বিভিন্ন কর্পোরেট বিজ্ঞাপনের উপর, গাছের ডালে, বাশের খুঁটিতে ছড়িয়ে আছে এসব প্রচারণাগুলো। প্রচারণা করতে করতে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে পুরো শহরের সৌন্দর্য। সিটি কর্পোরেশন যেন দেখেও না দেখার ভান করে আছে। আর নির্দেশনা দিয়েও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান সফলতা আনতে পারেনি ইসি। খোদ জেলা নির্বাচন অফিসের প্রবেশ মুখেই একাধিক ব্যাক্তির ব্যানার ফেস্টুন ঝুলে রয়েছে।

শহরে এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন দলের প্রচারণা ব্যাতিত অন্য কোন দলের প্রচারণা লক্ষ্য করা যায় না। বিএনপির গোটা নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবী সংবলিত পোষ্টার দেখা গেলেও নির্বাচনী কোন প্রচারণা নেই।

অপরদিকে আওয়ামীলীগের একাধিক প্রার্থীর পোষ্টার ফেস্টুনে ছেয়ে আছে পুরো শহর। এসব প্রচারণায় আধিপত্য রয়েছে, নারায়ণগঞ্জ- ৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও আইনজীবী নেতা আনিসুর রহমান দিপু, অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, শ্রমিক লীগ নেতা শুক্কুর মাহমুদ, যুবলীগ নেতা আলী রেজা উজ্জ্বল, জেলা মহিলা লীগের সভাপতি শিরিন বেগম, সোনারগাঁ মহিলা লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নূর জাহান সহ অনেকেই। অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ও জাকের পার্টির প্রচারণা লক্ষ করা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, নির্বাচন সামনে তারা প্রচারণা করতেই পারে। তবে এত পোষ্টার আর ফেস্টুনের ছড়াছড়িতে পুরো শহরের চিত্র বদলে তৈরী হয় বিজ্ঞাপনের নগরীতে। এভাবে যত্রতত্র পোষ্টার ছড়িয়ে শহরে সৌন্দর্যও নষ্ট হয়। এসময় তাকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের ব্যাপারে অভিহিত করলে বলেন, নির্দেশ মানে কে? এমন অনেক নির্দেশই আসে যায়। কিছুই হয় না পরে।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে ইসির নির্দেশনা দ্রুততার সহিত মান্য করা উচিৎ। এতে করে সকল দলের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছায়। তা নাহলে একক আধিপত্য নিজেদের জন্যেই ইমেজ নষ্ট করে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন ও প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা রাখাও অতীব জরুরী।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর