rabbhaban

কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি, কার হাতে ধানের শীষ : জবাব মিলবে এ সপ্তাহেই


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৫৫ পিএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার
কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি, কার হাতে ধানের শীষ : জবাব মিলবে এ সপ্তাহেই

সারাদেশের মতোই নারায়ণগঞ্জে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনেই আওয়ামীলীগ বিএনপির নেতাকর্মীরা সরব। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ৫টি আসনে নিজ দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছেন উভয় দলের সদস্যরা। ইতোমধ্যে উভয় দল থেকে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন শতাধিক নেতাকর্মীরা। কিন্তু প্রতিটি আসন থেকে প্রার্থী হতে পারবেন মাত্র একজন। আর সেই একজনের হাতে উঠবে দলীয় ধানের শীষ আর হবেন নৌকার মাঝি। কিন্তু শতলোকের ভিড়ে কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি বা কার হাতে উঠছে ধানের শীষ প্রতীক এটা নিয়ে যেমন দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে আগ্রহ তেমনি সাধারণ মানুষও।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-১ তথা সংসদীয় আসন ২০৪, আড়াইহাজার উপজেলা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-২ সংসদীয় আসন ২০৫, সোনারগাঁও উপজেলা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন ২০৬, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ সংসদীয় আসন ২০৭ ও শহর-বন্দর নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ সংসদীয় আসন ২০৮।

২০১৪ সালে এ ৫টি আসনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচিত হন গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-২ থেকে আওয়ামীলীগের নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে আওয়ামীগের একেএম শামীম ওসমান। আর মহাজোটের হিসেবে জাতীয় পার্টি থেকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে লিয়াকত হোসেন খোকা ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে একেএম সেলিম ওসমান। তবে সেবার বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় তাদের কোন প্রার্থী ছিল না। আর শুধু মাত্র নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী থাকায় নির্বাচন হয়। কিন্তু সেখানেও ভোটকারচুপির অভিযোগ তোলেন প্রতিদ্বন্দী পরাজিত প্রার্থী। আর ৫ আসনে একেএম নাসিম ওসমান মারা যাওয়ায় উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত হন একেএম সেলিম ওসমান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের-৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামীলীগের সব থেকে বেশি প্রার্থী নারায়ণগঞ্জ-১ আসন রূপগঞ্জে। শুধু মাত্র রূপগঞ্জ থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন কিনেছেন ৪০জন প্রার্থী। সেখানে বিএনপির মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ৫জন। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ৬জন। আর বিএনপির ৩জন। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামীলীগের ১৪ জন ও বিএনপির ১৮জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামীলীগের ৪জন ও  বিএনপির ৪জন। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামীলীগের ১০জন ও বিএনপির ৫জন। ফলে কার হাতে উঠছে নৌকা কিংবা ধানের শীষ প্রতীক। এমনটা প্রশ্ন সাধারণ জনগনের পাশাপাশি আওয়ামীলীগ বিএনপির নেতাকর্মীদের।

এর মধ্যে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সভানেত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। তবে এ ঘোষণা আসেনি কে হচ্ছেন আওয়ামীলীগ থেকে প্রতিটি আসন থেকে প্রার্থী। আর বিএনপির আগামী রোববার করবেন দলীয় প্রধানদের সঙ্গে দেখা। কালও কোন ঘোষণা আসবে না এমনটাই দাবি বিএনপির নেতাকর্মীদের।

আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন কারা মনোনয়ন পাবেন। মূলত দলের ত্যাগী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যার যোগাযোগ বেশি সেই হবেন আগামী নির্বাচনে নৌকার মাঝি। সেই লক্ষে গত কয়েকদিন আগে নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন দল যাকে ঘোষণা দিবে তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। বিরুদ্ধে গেলে আজীবন দল থেকে বাদ। তাই সবাই দলের পক্ষে কাজ করছে। 

নেতারা আরো জানান, আগামী ৩০ নভেম্বর থেকেই দলীয় প্রচার প্রচারণা কাজ শুরু হবে। সেই হিসেবে আগামী ২৮ নভেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা হবে। ফলে আগমাী সপ্তাহেই প্রার্থীর চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে। আগামী সপ্তাহে জানা যাবে ৫টি আসন থেকে নৌকার মাঝি কে হচ্ছেন। তাছাড়া কোন আসনে নৌকার প্রার্থী থাকবে না। কারণ মহাজোট হলে লাঙ্গলের জন্যও আসন ছাড়বে আওয়ামীলীগ।

একই ভাবে রয়েছে বিএনপিও। দলের শীর্ষ নেতারা বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে বন্ধি তাই প্রার্থী ঘোষণা নিয়েও রয়েছে অনেক জল্পনা-কল্পনা। ঐক্যফ্রন্টের জন্য ছাড় দিবেন আবার দলীয় নেতাকর্মীদের কোন আসনে দিবে এরজন্য অপেক্ষা করতে হবে। আগামী রোববার বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন। পর সেখান থেকে কর্মকা- ঘোষণা দিলে প্রার্থী ঘোষণা আসবে ২২ কিংবা ২৩ তারিখ। আর সেই অনুযায়ী কাজ করবে বিএনপি।

২১ নভেম্বর বুধবার সকালে ময়মনসিংহ বিভাগ ও ফরিদপুর এবং বিকালে ঢাকা বিভাগের সাক্ষাৎকার হবে। দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভাগওয়ারী সাক্ষাৎকারের সময়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা তাদের সমর্থকদের সঙ্গে আনতে পারবেন না। এ নির্দেশনা না মানলে তা প্রার্থীর অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।

সাক্ষাৎকারের সময়ে সংশ্লি¬ষ্ট মহানগর ও জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংশি¬ষ্ট বিভাগের সাংগঠনিক ও সহ সাংগঠনিক সম্পাদকরা উপস্থিত থাকবেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আবেদন ফরম জমার রশিদ সাক্ষাৎকারের সময় সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে।

রূপগঞ্জ
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জ ১ (রূপগঞ্জ) আসন থেকে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৫টি জাতীয় নির্বাচনে ৩ বার বিজয়ী হয়েছে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থী ও দুই বার বিজয়ী হয়েছে বিএনপি ধানের শীষের প্রার্থী।

জানা গেছে, রূপগঞ্জ আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বর্তমান আওয়ামীলীগ দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, আওয়ামীলীগ নেতা ও রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাজাহান ভূইয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও রূপগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হারেজ। তবে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীদের মধ্যে বেশীরভাগই রয়েছেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা।

এ আসন থেকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সভাপতি দুলাল আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম।

আড়াইহাজার
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসন থেকে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৫টি জাতীয় নির্বাচনে ৩ বার বিজয়ী হয়েছে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রার্থী ও দুই বার বিজয়ী হয়েছে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী।

এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এমপি নজরুল ইসলাম বাবু, সাবেক রাষ্ট্রদূত মমতাজ হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মিজানুর রহমান বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল পারভেজ ও মোজাহিদুল ইসলাম হেলো সরকার।

আড়াইহাজার আসন থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, জেলা বিএনপির সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর, জেলা বিএনপি নেতা সুমন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদুল্লাহ।

সোনারগাঁও
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন (সোনারগাঁ) থেকে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৫টি জাতীয় নির্বাচনে ৩ বার বিজয়ী হয়েছে বিএনপি বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী, ১ বার বিজয়ী হয়েছে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রাথী ও ১ বার বিজয়ী হয়েছে মহাজোটের লাঙ্গল প্রার্থী।

এ আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ১৫ জন প্রত্যাশী। তারা হলেন নারায়ণগঞ্জের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হোসনে আরা বাবলী, সাবেক এমপি আবদুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সোনারগাঁও আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল হক ভূইঁয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও স্বাচিপের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক ডা. আবু জাফর চৌধুরী বিরু, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক এ এইচ এম মাসুদ দুলাল, কেন্দ্রীয় মহিলা লীগের শিক্ষা সম্পাদক ড. সেলিনা আক্তার, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য এডভোকেট নুরজাহান, জেলা আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ শিরিন বেগম, নারায়ণগঞ্জ জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন চৌধুরী। এখানে উল্লেখ্য সোনারগাঁও আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল হক ভূইঁয়া ও জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ শিরিন বেগম সম্পর্কে স্বামী স্ত্রী।

সোনারগাঁও আসন থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও জেলা বিএনপির সদস্য সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, কেন্দ্রীয় নেতা অলিউর রহমান আপেল, সোনারগাঁও বিএনপির সহ সভাপতি রিয়াজ উদ্দীন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী সেলিম হক, ছাত্রদলের সাবেক নেতা আজিজুল হক আজিজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান স্বপন, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক, ছাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান মাছুম, বারদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আসগর, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক ভূঁইয়া, শম্ভুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর, সোঁনারগা থানা শ্রমিকদলের সভাপতি মজিবর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সজিব, সোনারগাঁও থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান ও নারায়ণগঞ্জ জেলা যবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম চয়ন।

ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা,সিদ্ধিরগঞ্জ) আসন থেকে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৫টি জাতীয় নির্বাচনে ৩ বার বিজয়ী হয়েছে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রার্থী ও দুইবার বিজয়ী হয়েছে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী।

ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা কাউসার আহমেদ পলাশ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য কামাল মৃধা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হালিম শিকদার, সরকারী মহিলা কলেজের সাবেক ভিপি নাহিদা হাসনাত।

এ আসন থেকে সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ যিনি নাশকতা মামলায় কারাগারে রয়েছেন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি শাহ আলম, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি পারভেজ আহমেদ, কুতুবপুরের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন

শহর ও বন্দর
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর, বন্দর) আসন থেকে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৫টি জাতীয় নির্বাচনে ১ বার বিজয়ী হয়েছে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রার্থী, দুইবার বিজয়ী হয়েছে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ও দুই বার বিজয়ী হয়েছে মহাজোটের লাঙ্গল প্রার্থী।

এ আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ১০ জন। তারা হলেন, কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য আনিসুর রহমান দিপু, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল, সহ সভাপতি আব্দুল কাদির, আরজু রহমান ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদা মালা, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত, শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জ্বল।

শহর ও বন্দর আসন থেকে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সজল, সাবেক ছাত্রনেতা এম এইচ মামুন, মহানগর যুবদলের সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, আইনজীবী নেতা সুলতান মাহমুদ, মহাগর ছাত্রদলের সহ সভাপতি রাফিউদ্দিন রিয়াদ মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর