rabbhaban

ডিসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হবে : তৈমূর


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৫৩ পিএম, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার
ডিসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হবে : তৈমূর

রূপগঞ্জ ইউনিয়নের পিতলগঞ্জ ও মোগলান মৌজায় অবস্থিত মধূখালী গ্রামবাসীর বসতিভিটা সহ জমি রক্ষা ইস্যুতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার বিরুদ্ধে এবার আদালত অবমাননা মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

২৬ মে রোবাবার দুপুরে রূপগঞ্জে ভূমিদস্যুদের প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ সেলিম রেজার সাথে বৈঠক শেষে তিনি এই কথা জানান।

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ফসলি জমি ভরাট কোন প্রকাশ প্রকল্প গ্রহণ না করার জন্য। যেখানে তারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে অমান্য করে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া কোন বাছ বিচার না করেই অবাধে দখল করা শুরু করেছে। ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ পর্যন্ত দিচ্ছে না তারা। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের বারবার আবেদন জানিয়ে আসলেও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। জেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্ট পাঠিয়েই নিজেদের দায়িত্ব শেষ করতে চাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই পর্যন্ত দুইবার মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু এই মোবাইল কোর্টের অভিযানে ভূমিদস্যুরা থামছে না। তারা তাদের দখলদারিত্ব অব্যাহত রেখেছে। আর তাই এসকল ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হতে হবে। এ ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন নিরব রয়েছে। আমার মনে হয় তারা মাসোয়ারা পায় বলেই ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অন্যথায় কিভাবে ভূমিদস্যুরা সাধারণ মানুষের বাড়িঘর দখল করে যাচ্ছে।

অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার জানান, গত ৭ মে বিচারপতি নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ রুল জারি সহ সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আদেশ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এফিডিফিটের মাধ্যমে হাই কোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জকে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। সেই প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময় শেষ হয়ে আসছে। তারপরেও যদি দেখি কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না তাহলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে।

প্রসঙ্গত রূপগঞ্জ উপজেলার রূপগঞ্জ ইউনিয়নের পিতলগঞ্জ ও মোগলান মৌজায় অবস্থিত মধূখালী গ্রামবাসীর জমি রক্ষায় অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের বরাবর আবেদন জানিয়েছেন। যেখানে ৫ হাজার লোকের বসবাস সহ ৪টি মসজিদ, একটি ঈদগাহ, ছয়টি সামাজিক ও পারিবারিক কবরস্থান, একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুকুর, ফসলী জমি সহ মানুষ চলাচলের পাকা রাস্তাসহ হাজারের অধিক বসত ঘর রয়েছে। সেই সাথে এসব রক্ষায় কয়েক দফায় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বৈঠক করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর