rabbhaban

স্থবির আওয়ামী লীগের রাজনীতি


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০১:৪৫ পিএম, ২৭ মে ২০১৯, সোমবার
স্থবির আওয়ামী লীগের রাজনীতি

রাজনৈতিক ইস্যুর জোয়ার ভাটায় হঠাৎ নীরব রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ। সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সভা সেমিনারের মাধ্যমে কার্যক্রম চলমান থাকলেও নারায়ণগঞ্জে এর চিত্র পুরোটাই উল্টো। জাতীয় নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচন শেষে আলোচিত পুলিশ সুপার ইস্যুতে নেতারা সরগরম হলেও বর্তমানে পুরোপুরি নীরব ভূমিকা পালন করছেন তারা।

এরই মধ্যে বন্দর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এম এ রশিদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে আওয়ামী লীগের অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেও সিনিয়র নেতারা রয়েছেন নীরব।

জানা যায়, আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সকল জেলা উপজেলায় দলকে সুসংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছেন মাহবুবুল আলম হানিফ। তার এমন নির্দেশনা প্রায় সকল জেলার সভাপতি সেক্রেটারির নিকট পৌছে গেছে। দলের নেতাকর্মীদেরে একত্রিত করার জন্য রমজানে ইফতার মাহফিল আয়োজন বেশ বড় একটি ভূমিকা রাখে সবসময়। কিন্তু এবার সেটিরও আয়োজন দেখা যাচ্ছে না নেতৃবৃন্দের কাছে। তবে কোন কারণেই এমন আকস্মিক নীরবতা পালন করছেন সংগঠনটির নেতারা তা একেবারেই অজানা।

গত কয়েক বছরে নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘন ঘন সভা সেমিনার ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নেতারা। দলীয় ব্যক্তিগত উভয়ের উদ্যোগেই আয়োজন করা হতো এসকল অনুষ্ঠান। নির্বাচনে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এমন নেতারা নিজ উদ্যোগে এবং একনিষ্ঠ কর্মীদের মাধ্যমে আয়োজন করতেন এসকল মিলনমেলা। সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনে জয়লাভের পর এখন আর কেউই খোঁজ নেন না কর্মীদের। অর্থ্যাৎ কাজ ফুরালেই আর দেখা পাওয়া যায়না নেতাদের এমনটাই ধরে নিচ্ছেন কর্মীরা।

তৃণমূলে রাজনীতি করে আসা এক আওয়ামীলীগ নেতা জানান, পর পর দুটি নির্বাচনের ভার নেয়ার পরে এখন কিছুটা বিশ্রাম নিচ্ছেন নেতাকর্মীরা। টানা একের পর এর কর্মসূচীতে স্বাভাবিক ভাবেই দীর্ঘদিন ব্যাস্ত সময় পার করেছেন তারা। রোজার মাসে কর্মসূচী পালনের চাইতে ব্যাক্তিগত কাজেই মনযোগ দিতে চাচ্ছেন নেতারা। আর দল গোছানোর কাজ ঈদের পর আয়োজন করা বিভিন্ন পূর্নমিলনীর মাধ্যমে শুরু করা হবে।

তবে রমজানের সময়ে বিভিন্ন ইফতার মাহফিলের রাজনীতিতে বিএনপির থেকে পিছিয়ে পড়াকে ভালো চোখে দেখছেন না রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা। দলের অভ্যন্তরে ফুটে ওঠা বিভিন্ন বিতর্ক কমিয়ে আনতে কর্মীদের একত্রিক করে সভা সেমিনারের আয়োজন করা অত্যান্ত কার্যকর হতে পারতো। একই সাথে নির্বাচনের সময়কালীন দলীয় কোন্দল ও বিভেদ দূরীকরণে অন্যতম মাধ্যম হতে পারতো রমজানের আয়োজন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর