rabbhaban

মনোনয়ন পেয়েও নেত্রীর নির্দেশে প্রত্যাহার করি: শুক্কুর মাহমুদ


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৫০ পিএম, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার
মনোনয়ন পেয়েও নেত্রীর নির্দেশে প্রত্যাহার করি: শুক্কুর মাহমুদ

জাতীয় শ্রমিকলীগ ও জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শুক্কুর মাহামুদ বলেছেন, দেশের শতকরা আশিভাগ খাদ্য নৌপথে সরবরাহ হয়ে থাকে। এছাড়া নির্মাণ সামগ্রীর সিংহভাগই নৌপথে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। অথচ আজো দেশে নৌপথে শ্রমিকরা অবহেলিত। তবে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে নৌপথের শ্রমিকরা বেতন ভাতা বৃদ্ধিসহ নানা দাবি বাস্তবায়ন হয়েছে। তিনি আরো বলেন, নেত্রী আমাকে নির্দেশ দিয়েছে নৌপথে শ্রমিকদের সংগঠিত করতে একটি ফেডারেশন গঠন করার। এছাড়া গার্মেন্ট শ্রমিকদেরকেও সংগঠিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আমাকে এর আগে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছিলেন। পরে আবার প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলে আমি প্রত্যাহার করে নেই। আমি সবসময় নেত্রীর নির্দেশ মেনে চলি। তিনি নৌযান শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

১৬ জুন রোববার বিকেলে শহরের বরফকল খেয়াঘাট সংলগ্ন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের ট্রেনিং সেন্টারে ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭০ তম প্রতষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও বাংলাদেশের নৌ পথে কর্মরত জাহাজী শ্রমিক কর্মচারীদের জাতীয় দাবিনামা প্রনয়ণ প্রসঙ্গে জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের আয়োজনে আয়োজিত সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসকল কথা বলেন শুক্কুর মাহমুদ। এসময় মোজাম্মেল হক, মোঃ সাইফুল ইসলাম দুলাল, সবুজ শিকদারসহ ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে শ্রমিকদের দাবিনামার বিষয়টি চূড়ান্ত করবে।

জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মাষ্টারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি মোজাম্মেল হক, মোঃ সাইফুল ইসলাম দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহআলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সবুজ শিকদার মাষ্টার, প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেন চুন্নু মাষ্টার, কার্যকরী সদস্য লায়ন সোহেল মোল্লা, বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনির মাষ্টার, দফতর সম্পাদক কবির হোসেন, জাকির হোসেন, নিজামউদ্দিন খান প্রমুখ।

সভায় সবুজ শিকদার বলেন, একটি চক্র রয়েছে যারা কম্যুনিষ্ট গ্রুপ ও তাদের প্রেতাত্মা হিসেবে পরিচিত। এরা আগে বিভিন্ন মালিকদের অফিসে গিয়ে চাঁদা আদায় করতো। তারা ঈদের আগেও আন্দোলনের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল। ঈদের আগে তারা সক্রিয় হয়ে বিভিন্ন মালিকের অফিসে গিয়ে চাঁদা আদায় করছে। এদের কর্মকান্ডে বাঁধা দেয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরসহ আমাদেরকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। যদি এদের অপতৎপরতা বন্ধ না হয় তাহলে আমরা নৌযান শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদেরকে দাতভাঙ্গা জবাব দিব।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর