rabbhaban

সভাপতি সম্পাদকের স্বেচ্ছাচারিতায় জেলা বিএনপিতে স্থবিরতা


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:৫৮ পিএম, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার
সভাপতি সম্পাদকের স্বেচ্ছাচারিতায় জেলা বিএনপিতে স্থবিরতা

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সকল পর্যায়ে নেমে এসেছে সুনসান নীরবতা। কার্যক্রমে পড়েছে ভাটা। নেতাকর্মীদের মধ্যে নেই আর সাংগঠনিক কাজের তাগিদ। দলের জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হলেও এমন স্থবিরতা নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ইতিহাসে এটাই প্রথম।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ২০৫ সদস্যের পূর্নাঙ্গ কমিটি হয়ছে তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে তবে কমিটিতে পদ পাওয়া নেতারাই জানেন না তারা কমিটিতে আছেন কি নেই। গত ১৩ মার্চ কমিটি অনুমোদন দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দলের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। এদিকে ২০৫ সদস্যের কমিটি নিয়ে দলের জেলার সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদের লুকোচুরির যেন শেষ নেই।

জেলা বিএনপির রাজপথের কার্যক্রম তো নেইই ঘরোয়া কিংবা সাংগঠনিক কোন কাজও নেই দলের এখন। জেলার সভাপতি নিজের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান নিয়ে পার করছেন ব্যস্ত সময় আর সাধারণ সম্পাদক মাঝে মধ্যে কিছু নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। তবে সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের সাথে একেবারেই যোগাযোগ নেই তৃণমূলের কিংবা কমিটির কোন নেতার।

এদিকে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে থাকলেও জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তার সুস্থতা কামনায় দোয়া কিংবা আন্দোলনের মাঠে তার মুক্তির দাবিতে একটি মিছিল কোনটাই নেই জেলা বিএনপির আমলনামায়। দল থেকে দায়িত্ব পেয়ে সক্রিয় জেলা বিএনপিকে দুই বছরে আরো নিস্ক্রিয় করেছেন দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। রাজপথের নেতাকর্মীদেরকেও রাজপথ বিমুখ বানিয়েছেন দলের বর্তমান জেলার নেতৃত্ব। রাজপথের কর্মসূচী তো নয় ঘরোয়া কর্মসূচীগুলোও তারা এড়িয়ে গেছেন হামলা মামলা গ্রেফতারের ভয়ে।

জেলার বর্তমান এই নেতৃত্ব আর বেশিদিন থাকলে জেলার এই স্থবিরতা আগামির নেতৃত্ব সহজে কাটিয়ে উঠতে পারবেনা বলেই মনে করছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। তাই দ্রুত কেন্দ্রকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতৃত্বকে হয়তো সচল নয়তো অব্যাহতি দিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনতে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর