rabbhaban

সাদরিলের রিমান্ড নামঞ্জুর


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:৩৩ পিএম, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার
সাদরিলের রিমান্ড নামঞ্জুর

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ সাদরিলের রিমান্ড আবেদন না মঞ্জুর করেছে আদালত। রবিবার (২১ জুলাই) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নূর নাহার ইয়াসমিন এই আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৮ জুলাই সাদরিল সহ মামলার ১০ আসামীকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। রবিবার শুনানীর দিন ধার্য হলে আদালতে রিমান্ড না মঞ্জুর করেন।

গত ১৭ জুলাই এমপির গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ সাদরিল সহ ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সিদ্ধিরগঞ্জের ওমরপুর এলাকার প্রবাসী কালু মিয়ার বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক গোলাম মোহাম্মদ সাদরিল সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। একই সঙ্গে সে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের ছেলে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহীন শাহ পারভেজ জানান, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য সেলিমা ইসলামের ব্যক্তিগত সহকারী মো. সোহেল বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলো নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের ছেলে ও ৫নং কাউন্সিলর গোলাম মুহাম্মদ সাদরিল (৩৫), চাঁদপুর বাখরপুর এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে হাফেজ আহম্মেদ (৩২), ওমরপুর এলাকারমৃত কাজিম উদ্দিনের ছেলে খাইরুল ইসলাম (২৮),  একই এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে তানভির সিদ্দিকী (২৩), ইব্রাহিম খলিলের ছেলে রাব্বি (২৮), শাহজাহানের ছেলে কুদ্দুস (২৫), অহেদ আলীর ছেলে শাকিল (২২),  মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে নাজমুল হোসেন (৩৪), মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোসলেম উদ্দিন (৫৩), আব্দুল ছবুরের ছেলে ফয়েজ (২৩)।

মামলায় বাদী সোহেল উল্লেখ করেন, এমপির পিএস সোহেলের চাচাতো বোন সালমার সঙ্গে ২ বছর আগে হাফেজ আহম্মেদের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তাসফিয়া নামে ৫মাসের কন্যা সন্তানও আছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই দুইজনের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একাধিকবার ঝগড়া হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য নারী এমপিকে অনুরোধ জানায়।

এর প্রেক্ষিতে গত বুধবার রাত পৌনে ৯টায় সিদ্ধিরগঞ্জের ওমরপুর কালু মিয়ার বাড়ির ৪ তলায় সালমার বাসায় আসেন এমপি সেলিমা ইসলাম। এসময় এমপির খালাতো ভাই ওয়াসিম, ব্যক্তিগত কর্মচারী সোহানা, গাড়ি চালক রানাও সঙ্গে আসে। আলোচনার এক পর্যায়ে হাফেজ আহম্মেদ হঠাৎ ৪ তলার বারান্দায় গিয়ে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করতে থাকে।

এসময় হাফেজের এ ধরনের কর্মকান্ডে চলে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে নিচ তলায় নেমে যান এমপি সহ লোকজন। পরে গাড়িতে উঠার পরই কাউন্সিলর সাদরিলের নির্দেশে উল্লেখিত আসামিরা সহ আরো ৩০ থেকে ৪০ জন এমপিকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে। পরে ভয়ে এমপি সহ তার খালাতো ভাই ওয়াসিম নিচ তলার একটি রুমে আশ্রয় নেয়। পরে আসামিরা ওই রুমে প্রবেশ করে এমপি ও তাঁর ভাই সহ লোকজনকে আটক করে রাখে। পরে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো গাড়িটি ইট পাটকেল ও লাঠি দিয়ে ভাঙচুর করে। সোহেল ও সোহানাকে মারধর করে। সোহানার শ্লীলতাহানী করে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর