মির্জা ফখরুলের নামে মামলা প্রত্যাহারে রুহুলের আলটিমেটাম


প্রেস বিজ্ঞপ্তি | প্রকাশিত: ০৬:৪৯ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
মির্জা ফখরুলের নামে মামলা প্রত্যাহারে রুহুলের আলটিমেটাম

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে নারায়ণগঞ্জের আদালতে দায়ের করা মামলা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ রুহুল আমিন শিকদার।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে রুহুল আমিন শিকদার বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ সকল নেতৃবৃন্দর নামে তথাকথিত বিএনপির নেতা বলে দাবিদার গুলজার হোসেনের দায়ের করা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে এ মামলার প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

রুহুল আমিন শিকদার বলেন, দলের এই দুঃসময় যখন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তাবেদার সরকারের মিথ্যা মামলা কারারুদ্ধ, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশ অবস্থান করছে তখন শুধু মাত্র পদ পদবী জন্য দক্ষিণ এশিয়ার একটি বৃহত্তম দলের হাল করে শক্ত হাতে দীর্ঘ দুই বছর যাবৎ দলকে সুসংগঠিত করে সঠিক ভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে তিনি। দলের ক্লান্তিকাল যে ব্যক্তিটি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তখন সবচেয়ে সফল মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে মামলা দাখিল করা সরকারি দলের একটি চক্রান্তের শামিল। আমি মনে করে দলের সবচেয়ে ক্লান্তিকালে পদ পদবি জন্য মামলা দলের প্রতি ভালবাসার নজির নহে, দলের মধ্য বিভেদ সৃষ্টির জন্য সরকারের এজেন্ট হিসাবে তারা এই মামলা করেছে। দলের জন্য তাদের ত্যাগ থাকলে এই সময় তারা দলের মহাসচিবের নামে মামলা করতে পারতোনা। তাই অনুরোধ করবো আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্য মামলা প্রত্যাহার করতে অন্যথায় এর দাতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।

মামলায় বিবাদী করা হয়েছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম ও সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালকে।

গত ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র সহকারি জজ শিউলী রানী দাসের আদালতে মহানগরের ১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলজার খান ও একই ওয়ার্ডের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (পৌরসভাকালীন) বিএনপি নেতা নূর আলম শিকদার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ দুইজনই মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খানের অনুগামী হিসেবে পরিচিত।

১২ নভেম্বর আদালতে শুনানী শেষে আদালত পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে কেন কমিটি অবৈধ হবে না জানিয়ে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। ১৩ নভেম্বর বুধবার আদালত থেকে এ সংক্রান্ত নোটিশ বিবাদীদের হাতে দেওয়া হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর