কলংকিত আড়াইহাজার : দুর্নীতির তিঁলকে এমপি বাবু ও ইকবাল পারভেজ


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৫৪ পিএম, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার
কলংকিত আড়াইহাজার : দুর্নীতির তিঁলকে এমপি বাবু ও ইকবাল পারভেজ

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল পারভেজের বিরোধ ক্রমশ প্রকট আকারে রূপ নিতে শুরু করেছে। গত কয়েকদিন ধরেই হয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন। একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও দুইজনই দুর্নীতির মধ্যে ছিলেন এমন অভিযোগও উঠেছে।

জানা গেছে, গত ২৬ নভেম্বর নারায়াণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মিজানুর রহমান বাচ্চু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল পারভেজকে ‘দলের ভাবমূর্তি নষ্টকারী ও অনুপ্রবেশকারী দুর্নীতিবাজ’ আখ্যা দিয়ে দলীয় পদ থেকে বহিস্কারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। আড়াইহাজার বাজার এলাকার দুবাই প্লাজার আড়াইহাজার ক্লাব লিমিটেডে আড়াইহাজারে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সকল জনপ্রতিনিধিগণ এবং দলীয় নেতাকর্মীবৃন্দের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীদের পক্ষে তাদের বক্তব্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন আড়াইহাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুজাহিদুর রহমান হেলো সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মিজানুর রহমান বাচ্চু ও যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল পারভেজকে আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে বহিস্কারের দাবী তোলা হয়। তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে তাদের অনুগত নেতাকর্মীদের দিয়ে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে অপপ্রচার করে দলীয় ভাবমূর্তি নষ্টের অভিযোগ আনার পাশাপাশি এ দুজনকে দলে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অথচ এই মুজাহিদুর রহমান হেলো সরকার একসময় ইকবার পারভেজের লোক হয়েই কাজ করে আসছিলেন।

এদিকে এই সংবাদ সম্মেলনের একদিন পরেই নিজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল পারভেজ জড়িত দাবী করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের (আড়াইহাজার) সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু। গত ২৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বাবু এ দাবী করেন।

জাতীয় নির্বাচন ও দলীয় সম্মেলনের আগেই এসব ষড়যন্ত্রকারীরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার সাংগঠনিক কার্যক্রমে ঈর্ষান্বিত হয়ে আওয়ামী রাজনীতিতে অনুপ্রবেশকারীরা ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করার আশায় আমার উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সহ্য করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় অসত্য সংবাদ প্রকাশ করানোর পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় নামে-বেনামে অসত্য অভিযোগ দায়ের করে দেশ ও জাতির কাছে আমাকে ছোট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

অন্যদিকে আড়াইহাজার আওয়ামী লীগের চলমান এই কোন্দোলনের সমাধান না করেই বিবৃতি দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ। নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের প্যাডে দপ্তর সম্পাদক এম এ রাসেল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মিজানুর রহমান বাচ্চু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল পারভেজের বিভিন্ন অবদানের কথা তুলে ধরেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল।

নজরুল ইসলাম বাবুর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক

নয়া দিগন্তের সংবাদে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি পান গত বছরের ৩ মার্চ। তবে দায়মুক্তি পাওয়া এই সংসদ সদস্য ও তার স্ত্রী সায়মা আফরোজের বিরুদ্ধে আবার অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বাবু দম্পতির বিরুদ্ধে ৫১৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দায়মুক্তি দেয়ার পর কোনো সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নতুন করে অনুসন্ধানের ঘটনা নজিরবিহীন বলে জানিয়েছে দুদকের ঊর্ধ্বতন সূত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দায়মুক্তির প্রায় ২১ মাস পর নজরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। সাত সদস্যের অনুসন্ধান টিম এ নিয়ে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। অনুসন্ধান টিমের প্রধান হলেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। তবে এ বিষয়ে সৈয়দ ইকবাল বক্তব্য প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর বক্তব্য নেয়ার জন্য তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে স¤প্রতি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেছেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছেন।

দুদক জানায়, নজরুল ইসলাম বাবু ও তার স্ত্রী এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সম্পদের হিসাব জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে (বিএফআইইউ) চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। বিএফআইইউকে চিঠি পাঠানো হয় স¤প্রতি। চিঠিটি পাঠান দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। দুদকের পাশাপাশি বাবু ও তার স্ত্রী সায়মা আফরোজের সম্পদ অনুসন্ধান করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

দুদক সূত্র জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের মধ্য দিয়ে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে ১১৮ জনের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বিএফআইইউর কাছে সহযোগিতা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন সৈয়দ ইকবাল হোসেন। ১১৮ জনের তালিকায় সংসদ সদস্য বাবু ও তার স্ত্রীর নাম রয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের শত শত কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্যাসিনো ব্যবসা, বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করতে সাত সদস্যবিশিষ্ট অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে নি¤œবর্ণিত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত যাবতীয় ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা একান্ত আবশ্যক। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এনবিআর সূত্র জানায়, নজরুল ইসলাম বাবুর ব্যাংক হিসাবসহ সব সম্পদের হিসাব চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বাবুর স্ত্রী সায়মা আফরোজ ও তার মালিকাধীন চার প্রতিষ্ঠানের সম্পদের তথ্যও তলব করা হয়েছে। তলবি নোটিশ পাঠানো হয় গত ২৩ অক্টোবর। এর আগে ২২ অক্টোবর এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল বাবুর বিষয়ে জানতে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠায়।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। প্রথম অনুসন্ধান কর্মকর্তা ছিলেন দুদক উপ-পরিচালক মো: সামছুল আলম। সামছুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়। ২০১৭ সালে ৫ সেপ্টেম্বর নতুন অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান দুদক উপপরিচালক ওয়াকিল আহমেদ। তিনি অনুসন্ধান শেষে অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করলে তা গৃহীত হয়। এরপর গত বছরের ৩ মার্চ নজরুল ইসলাম বাবুকে দায়মুক্তি দেয়া হয়। ওই দিন দুদকের তৎকালীন সচিব ড. মো: শামসুল আরেফিন এক চিঠিতে বলেন, ‘নি¤েœ বর্ণিত ব্যক্তির (নজরুল ইসলাম বাবু) বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগ অনুসন্ধানে প্রমাণিত না হওয়ায় কমিশন থেকে তা পরিসমাপ্ত করা হয়েছে।’

দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, নজরুল ইসলাম বাবুর দায়মুক্তির বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে সেখানে যথেষ্ঠ ত্রুটি ছিল। অনুসন্ধান সঠিক ছিল না। আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, সরেজমিন তথ্য সংগ্রহÑ সবকিছুতেই ত্রুটি মিলেছে। এ ছাড়া বাবুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগও দুদকে জমা হয়েছে। সরেজমিন প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই সব অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। এমন প্রেক্ষাপটেই নজরুল ইসলাম বাবু ও তার স্ত্রীর সম্পদ নিয়ে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

ইকবাল পারভেজ

আরে আগে দুর্নীতি দমন কমিশনে ইকবাল পারভেজের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ উঠেছিল। ২ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার ৬০২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ইকবাল পারভেজ চৌধুরীকে গ্রেফতার করেন দুদক উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর ওয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

জানা গেছে, ইকবাল ছিলেন রাজউকের একজন সহকারী পরিচালক। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় সেখানে কাজ করেছেন। এর আগে ছিলেন সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের সহকারী আইন কর্মকর্তা। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিমন্ত্রীর দাপটে বয়স জালিয়াতি করে তিনি এ পদে যোগ দেন। প্রতিমন্ত্রীর ছত্রচ্ছায়ায় থেকে ক্ষমতাধর হয়ে ওঠা ইকবাল পারভেজের ভয়ে রাজউকের পরিচালক এবং খোদ চেয়ারম্যানসহ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারাও থাকতেন তটস্থ। গুলশান, বনানী ও মতিঝিলে রাজউকের সরকারি পরিত্যক্ত সম্পত্তির ফাইল গায়েব করতেন পারভেজ।

পরে ভুয়া মালিক সাজিয়ে সম্পত্তি বিক্রি করতেন তিনি। তার নেতৃত্বেই গড়ে ওঠে জালিয়াতির এক ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট। আর এভাবেই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আঙুল ফুলে কলা গাছে পরিণত হন দরিদ্র পরিবারের সন্তান ইকবাল পারভেজ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, হঠাৎ তার এই ভাগ্য পরিবর্তন যেন আলাদিনের চেরাগকেও হার মানিয়েছে। তার অবৈধ আয়ের টাকার ভাগ যেত সাবেক ওই প্রতিমন্ত্রীর পকেটে।

সূত্রমতে, রাজউকের দায়িত্বশীল পদে চাকরি করেও ইকবাল পারভেজ ঠিকাদারি করেছেন। তিনি প্রতিমন্ত্রীর ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে শেষ দুই বছরেই গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দফতর-অধিদফতরের ২৫টি ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নেন। নিজের গড়ে তোলা মেসার্স ইকবাল পারভেজ, মেসার্স ঊষা ট্রেডার্স ও মেসার্স তহমিনা ট্রেডার্সের নামে হাতিয়ে নেন আট কোটি টাকার টেন্ডার কাজ। ইকবাল পারভেজের ঠিকাদারি ফার্মগুলো কোনো টেন্ডারে অংশ নিলে সেই কাজ অন্য কেউ আর পেত না। ইকবালের কথাই ঠিকাদারি কাজ পাওয়ার ব্যাপারে শেষ কথা ছিল।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর সাবেক সহকারী পরিচালক ইকবাল পারভেজের স্ত্রী মরিয়ম বেগমের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন করে দুদক। মামলায় তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকারও বেশি সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হচ্ছে। এ বাড়িটি ইকবাল পারভেজ তার শ্বশুরের নামে কেনেন। পরে শ্বশুর তার মেয়ে (ইকবাল পারভেজের স্ত্রী) মরিয়মকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন বলে দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন। এজাহারে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৬ (২) এবং ২৭ (১) ধারা প্রয়োগ করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর