বিএনপি নেতাকর্মীদের পছন্দে তৈমূর ও রাজীব, মান্নানে অস্বস্তি


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ১০:৩২ পিএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার
বিএনপি নেতাকর্মীদের পছন্দে তৈমূর ও রাজীব, মান্নানে অস্বস্তি

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নতুন কমিটি হবার খবরে সামাজিক মাধ্যমে নড়েচড়ে বসেছেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তারা একেক ভাবে নিজেদের পছন্দকে সামনে এনে তার বিভিন্ন দিক ও সক্রিয়তার পাশাপাশি দলের প্রতি নেতাদের আন্তরিকতা তুলে ধরছেন। এ নিয়ে অনেকে ফেসবুকে করছেন পোলও।

ইতোমধ্যে জেলা বিএনপির কমিটিতে একজন সিনিয়রের পাশাপাশি একজন তরুণ নেতাকে দায়িত্ব দেয়ার জন্য নেতাকর্মীরা জোর দাবি করছেন তাদের বিভিন্ন পোস্টে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া এসব পোস্টে উঠে এসেছে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুকুল ইসলাম রাজীবের নাম। বাকিদের বিভিন্ন পদে সম্মানিত করে জেলা বিএনপির কমিটির দাবি করছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী সমর্থকরা।

এদের দইজনকে পদে চাইলেও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে থাকা জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানে অস্বস্তি রয়েছে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের।

তাদের মতে, একজন শিক্ষিত ও রাজপথের সক্রিয় তরুণ নেতাকে তৈমূর আলম খন্দকারের সাথে নেতৃতে আনা হলে দল উপকৃত হবে এবং দলের কর্মীরা রাজপথের ব্যাপারে আগ্রহ পাবে। আর এসব কারণেই একজন আস্থাভাজন সিনিয়র ও একজন তরুণ নেতাদের হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিতে চায় তৃণমূল।

দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে কারাগারে রয়েছেন। দল থেকে তার জামিন ও সুস্থতাও বিভিন্ন কর্মসূচীও পালিত হচ্ছে। তবে ভিন্নতা রয়েছে নারায়ণগঞ্জে। নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির একজন নেতাও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে যেমন রাজপথে নামেননি তেমনি তার সুস্থতা কামনায় একদিনের জন্য একটি দোয়া মহফিলেরও আয়োজন করেনি।

দলের নেতাদের এমন কর্মকান্ডে প্রায় সকলেই হতাশ। হতাশ দলের তৃণমূলের সাথে সাধারণ মানুষ ও দলের সমর্থকরাও। জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান দলের কর্মসূচীগুলো পালন করেন না। সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ কারাগার থেকে বের হয়ে ঘরোয়াভাবে দলীয় কর্মসূচীগুলো পালনের চেষ্টা করছেন তবে তা তার ব্যক্তিগত কিংবা এককভাবে। সহ সভাপতি আজাস বিশ্বাসতো আওয়ামীলীগের একজন সংসদ সদস্যকে নিজের নেতা হিসেবে প্রকাশ্যে জনসভায় আখ্যায়িত করেছেন। বাকি আর সকলের অবস্থাও আছি নেই ধরনের।

সব মিলিয়ে বর্তমান জেলা বিএনপি কমিটির প্রায় সকল নেতারাই নেতৃত্ব প্রদানে ও রাজপথে নিজেদের যোগ্য হিসেবে প্রমাাণ করতে না পারলেও অযোগ্য ও চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হিসেবে জেলা বিএনপির একটি কমিটির নজির রেখে যাচ্ছেন বলেই নেতাকর্মীদের অভিমত। আর তাই নতুন কমিটির ক্ষেত্রেও যেন এমনটি না হয় সেদিকে দৃষ্টি রেখেই প্রবীন ও নবীনের সম্মিলিত কমিটি প্রত্যাশা সকলের।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর