নেতাকর্মীদের গোপনেও সহযোগিতা করছেন তৈমূর


স্টাফ করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৭:৪৭ পিএম, ২২ মে ২০২০, শুক্রবার
নেতাকর্মীদের গোপনেও সহযোগিতা করছেন তৈমূর

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার সবসময় দলীয় নেতাকর্মীদের আগলে রাখেন। নেতাকর্মীদের যে কোন সমস্যার সমাধানে তিনিই সবার অগ্রভাগে থাকেন। নিজ বলয়ের কিংবা অন্য যে কোনো বলয়ের হোক না কেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের কাছে সহযোগিতায় চেয়ে কেউ খালি হাতে ফেরত আসেনি। তেমনিভাবে এই দুর্যোগকালিন সময়েও নেতাকর্মীদের নানা সহযোগিতায় এগিয়ে আসছেন তিনি।

নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে সহযোগিতা করার পাশাপাশি গোপনেও অনেক নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করে আসছেন তৈমূর আলম খন্দকার। যারা লোকলজ্জার ভয়ে কারও কাছে কিছু বলতে পারছেন তাদের তালিকা করে খুঁজে বের করে গোপনে গোপনে ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী কিংবা নগদ অর্থ পৌছিয়ে দিয়ে আসছেন তাঁর কর্মী সমর্থকরা। সেই সাথে যারা সরাসরি তৈমূর আলম খন্দকারের কাছে ম্যাসেজ করছেন তাদেরকে তিনি নিজেই সহযোগিতা করছেন।

সূত্র বলছে, বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রাণঘাতি এক ভাইরাসের নাম হচ্ছে করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে রয়েছে মৃত্যুঝুঁকি। আর এই ভাইরাসটি খুব কম সময়ের মধ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়াগায় স্থানান্তর করতে পারে। ইতোমধ্যে বিশে^র বিভিন্ন দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এতদিন এই ভাইরাস বাংলাদেশের বাইরে থাকলেও এবার বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে এই করোনা ভাইরাস।

আর বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছড়াচ্ছে নারায়ণগঞ্জে। দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলছে নারায়ণগঞ্জে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সাথে মৃত্যুর সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলছে। এমনতাবস্থায় নারায়ণগঞ্জ সহ সারাদেশেই দুর্যোগ সৃষ্টি করছে এই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস। প্রায় সকল শ্রেণির মানুষই বিপাকে পড়েছেন। তাদের রুজি রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে।

বিশেষ করে বিএনপির কিছু কিছু নেতাকর্মী অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে দিন পার করছেন এই দুর্যোগকালিন সময়ে। কারণ তারা অনেক দিন ধরে ক্ষমতার বাইরে রয়েছেন। এই দীর্ঘদিন ধরে জেল জুলুমে অনেকটা অসহায়ের মতোই জীবন যাপন করছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি তাদেরকে বিপর্যস্ত করে ফেলেছে। কিন্তু এদের মধ্যে অনেক নেতাকর্মী আছেন যারা লোকলজ্জার ভয়ে সরাসরি কারও কাছে সাহায্য চাইতে পারছে না।

ভাল বাসস্থানে থাকলেও তাদের কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে দিয়েই তাদের দিন পার হচ্ছে। আর এসকল নেতাকর্মীদেরকে গোপনেই সহযোগিতা করে যাচ্ছেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। পাশাপাশি কোনো কোনো নেতা অন্য নেতাকর্মীদের জন্য সহযোগিতায় চাইলে তাদেরকেও ফিরিয়ে দিচ্ছেন না তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মহানগর যুবদলের এক নেতা জানান, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করার জন্য অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের যখন যা বলছি তিনি তাই করে দিচ্ছেন। কোন সময় তিনি দ্বিতীয়বার কোনো প্রশ্ন করছেন না। এই দুর্যোগকালিন সময়ে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের মহানুভবতা ভুলবার নয়।

মহানগর শ্রমিক দলের এক নেতা জানান, লকডাউনে থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়ে গিয়েছিলাম। বিষয়টি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার জানতে পেরে তিনি আমাদের নিয়মিত সহযোগিতায় করে যাচ্ছেন। তার মতো অন্য নেতারাও এগিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা কেউ কষ্টে থাকবে না। তারা বেশ ভালভাবেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে।

এর আগে বন্দর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ জানিয়েছিলেন, আমাদের যেসকল নেতাকর্মী এই ক্রান্তিকালে কষ্টে জীবন যাপন করছেন তাদের দায়িত্ব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার নিয়েছেন। তার অর্থায়নে আমরা বন্দরে অনেক নেতাকর্মীর বাসায় খাদ্য সামগ্রী ইফতার পৌছিয়ে দিচ্ছি। পুরো বন্দর থানাতেই এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন বন্দরে নেতাকর্মীরা কেউ এই ক্রান্তিকালে কষ্ট করবে না। আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের পরিবারের পাশেও আমরা দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আমরা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর