ফুল ফলে সুশোভিত মজলুম মিলনায়তন


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৪০ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার
ফুল ফলে সুশোভিত মজলুম মিলনায়তন

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা হলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে রয়েছে তার বিশাল কর্মীবাহিনী। নেতাকর্মীরা সমর্থকরা বিভিন্ন কর্মসূচিতে কোনো স্বার্থ ছাড়াই তৈমূরের ডাকে সাড়া দিয়ে থাকেন। সেই সাথে বিভিন্ন সময় জেল জুলুম মাথা পেতে নেন।

তবে তৈমূর আলম খন্দকার একজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ছাড়াও একজন পরিবেশবাদী নেতাও বটে। বৃক্ষের প্রতি রয়েছে তার প্রবল টান। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সেই সাথে তার মাসদাইর এলাকার মজলুম মিলনায়তনে গড়ে তুলেছেন ফুল ফলের বাগান। নানা ফুল ফলে সুশোভিত সে বাগানে গেলে যে কারও মন ভাল হয়ে যেতে পারে।

ইট পাথরের শহরে সহজে গাছ গাছালির দেখা না মিললেও তৈমূরের মজলুম মিলনায়তনে গড়ে তুলা বাগানে গেলে হরেক রকমের গাছের দেখা মিলবে। পরিবেশের রক্ষায় কোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা না থাকলেও অ্যাডভোকেট রাজনীতির পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আম, কাঠাল, জাম্বুরা, কামরাংগা, আমড়া, পেয়ারা, দেশী বিদেশী আমরুজ, নিমগাছ সহ হরেক ফুলের গাছ শোভা পাচ্ছে তৈমূর আলম খন্দকারের বাগানে। অবসরে নিজ বাগানের বৃক্ষ পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকেন তিনি। তৈমূর আলমের সাথে তার পত্মী হালিমা খন্দকারও মজলুম বাগানের পরিচর্যা করে থাকেন। সময় পেলেই বাগান পরিচর্যায় নিয়োজিত থাকেন তৈমূর দম্পত্তি। বিভিন্ন সময় এই বাগান থেকেই খাবারের চাহিদা মিটিয়ে থাকেন তিনি।

পাশপাশি বিভিন্ন সময় বাগানে বসেই নেতাকর্মী ও এলাকার মানুষের সাথে আলাপচারিতায় সময় কাটান তৈমূর আলম।

এদিকে সাম্প্রতি সময়ে ‘একটি বাড়ি, একটি খাদ্যভান্ডার’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জ জেলাজুড়ে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। আর এই কর্মসূচি তিনি নামমাত্র কিংবা ফটোশেসনের কর্মসূচি করতে চান না।

৩০ হাজার গাছের চারার মধ্যে যেন ৩০ হাজারই রোপন করা হয় এবং প্রত্যেকটিই যেন ভালভাবে রোপণ করা হয় সেভাবেই তিনি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সাথে বিতরণকৃত প্রত্যেকটি গাছের চারা যেন সবল হয় এবং রোপণের পর যেন মারা না যায় সেজন্য তৈমূর আলম খন্দকার বিভিন্ন জায়গায় নিজে গিয়ে গাছের চারা মান যাচাই করছেন।

এ প্রসঙ্গে তৈমূর আলম খন্দকারের বক্তব্য হচ্ছে, বর্তমান পরস্থিতিতে গাছের কোনো বিপল্প নেই। একমাত্র গাছই হবে আমাদের প্রকৃত বন্ধু। দিন দিন আমাদের চারপাশে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে বাতাস। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে অগণিত বৃক্ষরোপণ করতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর