rabbhaban

বন্দর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল


বন্দর করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৫৯ পিএম, ৩১ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
বন্দর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল

নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন বন্দর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এক শীর্ষ নেতার ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে পুরো বন্দর জুড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইস বুকে ছড়িয়ে পরা ঐ ভিডিও নিয়ে বন্দর জুড়ে শুরু হয়েছে মুখরোচক আলোচনা। ভাইরাল হওয়া ঐ ভিডিওতে কারো নাম না দিলেও বন্দরের নেতাকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন ভিডিও’র লোকটি বন্দর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের একজন শীর্ষ নেতার।

এনিয়ে ওই নেতার নিজের এলাকাতেই তাকে ও তার ছেলেদের কর্মকান্ড নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন অনেকেই। ভাইরাল হওয়া ঐ ভিডিওতে দেখা যায় বৃদ্ধ ঐ নেতা একজন মহিলাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করছেন।

এই ভিডিও প্রকাশের পর পুরান বন্দর, মোল্লাবাড়ী এলাকার সাধারন মানুষ বেজায় খুশি বলে জানা গেছে। তবে প্রায় ২০বছর ধরে বন্দর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শীর্ষ পদ দখল করে রাখা ঐ নেতা ও তার পরিবারের ব্যপারে সরাসরি মুখ খুলতে চরম ভীত সাধারন মানুষ। তবে এলাকার সাধারন মানুষ, বিশেষ করে মহিলারা জানিয়েছেন, এমনটা তার নিত্যদিনের কাজ। এলাকার দোকানে বসে থাকেন আর ‘নাতনি’ সম্বোধন করে মহিলা বা কিশোরীদের গায়ে অশ্লীলভাবে ছোয়া দেয়াটা তিনি করছেন বহু বছর ধরেই।

সরজমিনে ঐ এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, প্রভাবশালী ঐ নেতা ও তার ছেলেদের নানা অপকর্মের কথা। প্রভাব বজায় রাখতে তিনি ও তার ছেলে একেক সময় একেক নেতার কাধে ভর করেন। ২০১৪ সালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রয়াত সাংসদ একেএম নাসিম ওসমানের আসনে উপ-নির্বাচনে সরকার দলীয় মহাজোট প্রার্থী একেএম সেলিম ওসমানের বিপরীতে আওয়ামী লীগ বিরোধী এসএম আকরামের পক্ষে সরাসরি প্রচারণায় অংশ নেন তিনি ও তার ছেলে ,যিনি নিজেও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি পদে ছিলেন।

বন্দরের গত ২টি উপজেলা নির্বাচনেও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে বিএনপি প্রার্থী আতাউর রহমান মুকুলের পক্ষে সরাসরি মাঠে নামার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়াও ঐ নেতার অপর এক ছেলের বিরুদ্ধেও ও রয়েছে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগ। বিতর্কিত এই ব্যক্তি আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী একটি মহলের নাম ভাঙ্গিয়ে বন্দরে ইতিমধ্যেই ত্রাসের রাজত্ব কয়েম করে সেখানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।

দলের তৃনমূল কর্মীরা জানান, দলের দুঃসময়ে বিএনপি-জামাতের সাথে আঁতাত করে চলতো ঐ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা যারা সবাই বর্তমানে নিজেদের আওয়ামী লীগের কর্মী বলে দাবি করে থাকেন। এমন বিতর্কিত ব্যক্তির হাতে বন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদবি গেলে সেটি দলের সুনাম ক্ষুন্ন হবে বলে মনে করছেন তৃণমূল নেতৃবৃন্দ।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর