rabbhaban

সাকিবকে সমর্থন করি না : তৈমূর


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ১২:০৪ এএম, ০৬ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার
সাকিবকে সমর্থন করি না : তৈমূর

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, “ইদানিং একটা ঘটনা ঘটছে সাকিবের ঘটনা। এটায় সাকিবকে সকলে সমর্থন করলেও আমি সমর্থন করি না। আমি ওপেন অন এয়ার বলছি। এজন্য বলছি যে নৈতিকতার কারণে তাঁকে এটা প্রকাশ করা উচিত ছিল। সে এটা করে নাই।”

৫ নভেম্বর মঙ্গলবার রাত ১০টায় ডিবিসি নিউজ এর সরাসরি সম্প্রচারিত নিয়মিত টকশো ‘রাজকাহন’ অনুষ্ঠানে তৈমূর এসব কথা বলেন।

‘শুদ্ধি অভিযান : ত্যাগী বনাম হাইব্রিড’ শীর্ষক বিষয়ে ওই টক শোতে উপস্থিত ছিলেন এমপি শামীম ওসমান, রাজশাহীর আওয়ামী লীগের এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারা, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক।

তিনবার জুয়াড়িদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেলেও আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটকে না জানানোয় এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টিকে কেন্দ্র তৈমূর আরো বলেন, “এখন এটা প্রমাণ হলো যে তাঁকে ছাড়াও ইন্ডিয়াতে গিয়ে জিততে পারি। অতএব ব্যক্তি কেন্দ্রীক হয়ে যাওয়া এটাকে আমি কোনো মতেই সমর্থন করি না।”

উল্লেখ্য, তিনবার জুয়াড়িদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেলেও আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটকে না জানানোর শাস্তি হিসেবে ২বছরের জন্য সব রকমের ক্রিকেট কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট তারকা বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

গত ২৯ অক্টোবর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাকিবের শাস্তির ঘোষণা দেয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি। দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেলেও এক বছরের শাস্তি স্থগিত থাকবে। প্রথম এক বছরের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন নতুন করে কোনো অপরাধ না করলে পরবর্তী এক বছরের শাস্তি পেতে হবে না তাকে। সেক্ষেত্রে আগামী ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন তিনি। আর এই সময়ের মধ্যে আবার কোনো অপরাধ করলে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি উল্লেখ করেছিলেন, ২০১৮ সালে চার মাসের মধ্যে তিনবার জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু কোনোবারই তা জানাননি আইসিসিকে।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ত্রিদেশীয় সিরিজে দুবার ও একই বছর এপ্রিলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচে একবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেলেও তা আইসিসিকে জানাননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব।

আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী আইনে বলা আছে, কোনো ক্রিকেটার যদি জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর বা স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান, তাহলে দ্রুতই তা আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ড কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। না জানালে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী, এই ধারা ভঙ্গের সাজা সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর