`এ কে খন্দকার সহ ষড়যন্ত্রকারীদের মরোণত্তর বিচার করা হবে\`

|| নিউজনারায়ানগঞ্জ২৪.নেট ০১:০১ এএম, ১ জানুয়ারি ২০১৫ বৃহস্পতিবার

`এ কে খন্দকার সহ ষড়যন্ত্রকারীদের মরোণত্তর বিচার করা হবে\`
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হক বলেছেন, খন্দকার মোস্তাক, সাবেক সেনা প্রধান জিয়াউর রহমান, মাহবুব আলমরা ভারতে বসে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানিয়ে রাখতেই চেয়ে ছিলো। এ কে খন্দকারও তাদের পথে হাটছে। দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে ছিলো। এমন সময়ে সে বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে বই প্রকাশ করেছে যখন আমেরিকা শেখ হাসিনাকে সরকারে দেখতে চায় না। জঙ্গী সংগঠন আল কায়দা হুমকি দিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গীরা ধরা পড়ছে। তখন একে খন্দকার বইটি প্রকাশ করেছে। দেশের মানুষ এসকল ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমা করবে না। আমি তাদের বিচার দাবি করছি। প্রয়োজনে তাদের মরোণত্তর বিচার করা হবে।   শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বন্দর খেয়াঘাট এলাকায় বন্দর এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মামনা ক্রেস্ট প্রদান এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন জাদুঘরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫(শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান মিঞা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মাহমুদুর রহমান হাবিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) সাজ্জাদুর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও), বন্দর থানা আওয়ামীলীগে সভাপতি এম এ রশিদ, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবুল জাহের প্রমুখ।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন যাদুঘরের প্রধান উপদেষ্টা কুতুবউদ্দিন খান।   মন্ত্রী আরও বলেন, যারা ভুল তথ্য দিয়ে সার্টিফিকেট নেওয়া ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। এছাড়াও আগামী জুলাই মাস থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০ হাজার টাকা করা চিন্তা করা হচ্ছে। সেই সাথে সারাদেশে যে সকল মুক্তিযোদ্ধা যাকে যেখানে কবর দেওয়া হয়েছে বা হবে তাদের সবার কবর একই আদলে আনা হবে। যাতে করে একশ বছর পরও মানুষ এই কবরটি দেখলে বলে দিতে পারে এটি একজন মুক্তিযোদ্ধার কবর।   সভায় নারায়ণগঞ্জ-৫(শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে প্রতিটি জেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরজন্য প্রত্যেক জেলা আড়াই কোটি টাকা করে বরাদ্দ রয়েছে। আমি বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করেছি। বন্দরে রেলওয়ের জমি রয়েছে। সেগুলো উদ্ধার করে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মান করা হবে। সেই সাথে ঘোষণা দিচ্ছি আগামী ১৬ ডিসেম্বর এর আগেই বন্দরে মুক্তিযোদ্ধাদের অফিস নির্মান করা হবে। সেটা সরকারী বরাদ্দ আসুক আর নাই বা আসুক।   মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ শেষে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেখান থেকে জাদুঘরের উদ্বোধন ঘোষণা করেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হক।

বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও