৫ শ্রাবণ ১৪২৫, শুক্রবার ২০ জুলাই ২০১৮ , ২:২০ অপরাহ্ণ

ফুটপাতে স্থায়ী হকারে ভোগান্তি


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৬:৩৬ পিএম, ১৪ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৭:৪৭ পিএম, ১৪ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার


ফুটপাতে স্থায়ী হকারে ভোগান্তি

নারায়ণগঞ্জে হকার নিয়ে সমস্যা কোন ভাবেই সমাধান হচ্ছে না। যেখানেই তাদের বসানো হয় সেখানেই তারা শুয়ে পড়ে। স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে তোলে। কাঠ, বাস, চোকি, ছাউনি দিয়ে তাদের এই অবস্থান আরো মজবুত করা হয়। এই অবস্থান কোন ভাবেই স্থায়ী দোকানের চেয়ে কম নয়। এসব স্থান দিয়ে পথচারীদের হাটার কোন জায়গা রাখা হয় না। শহরের চাষাঢ়াসহ আশ পাশের এলাকায়  এ অবস্থা দেখাগেছে। প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় এই সমস্যা আরো বাড়ছে বলে মনে করেন পথচারীরা।

শহরের চাষাঢ়া থেকে খানপুর যাওয়ার সড়কের দক্ষিন পার্শ্বের বিকেএমইএর জায়গার সামনের অংশ, হকার্স মার্কেটের সামনে, পপুলার এর পাশের গলি, নূর মসজিদের পাশের গলি, বালুর মাঠে, পুরাতন কোর্টের সামনে, দুই নং রেলগেট পাবলিক টয়লেটের সামনে, গুলশান হলের সামনে এবং কালিরবাজারের এলাকায় সবচেয়ে বেশি দখলদারিত্ব চলছে হকারদের মাঝে। এসব এলাকায় এমন ভাবে ফুটপাত দখল করে হকাররা দোকান বসিয়েছে যে পথচারীদের যাতায়াতের কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। যেন দোকান বসানোর জন্য ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে ততই যেন পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে। পথচারীদের সমস্যা দেখার যেন কেউ নাই।

এ সমস্যায় পরে ভোগান্তির স্বীকার রত্মা বেগম বলেন, ফুটপাতে হাটার কোন সুযোগ নাই। মার্কেট আর ফুটপাত এখন একই হয়ে গেছে। যত্র তত্র এমন ফুটপাতে হকার বসালেতো তারা এই কাজেই করবে। এবারতো অনুমতি নিয়েই বিবি রোড ছাড়া অন্যত্র হকার বসেছে। তাই বলা যায়, প্রশাসনের সহযোগীতায় ফুটপাত দখল করা হয়েছে।

রাজীব খান বলেন, ফুটপাত দিয়ে হাটার কোন সুযোগ রাখা হয়নি। তাই বাইরে দিয়ে হাটছি। অনেক সময় রিক্সা-ভ্যান পায়ের উপর উঠিয়ে দিচ্ছে। আহত হচ্ছে অনেকে। কিন্তু অভিযোগ করার কোন জায়গা নেই। কারন প্রশাসনের অনুমতি নিয়েইতো হকার বসছে।

আর বসেই হকাররা তাদের দোকান স্থায়ী করে ফেলেছে। কোন কোন ফুটপতে দুই দিকেই দোকান বসিয়েছে। সেখানে কোন ভাবেই হাটার সুযোগ রাখেনা হকাররা। দোকানের পশরা এমন ভাবে সাজিয়ে রাখে যেন ভুল করে দোকানের মধ্যে দিয়ে হেটে যাচ্ছি। বিশেষ করে মেয়েরা কোন ভাবেই যেতে পারবে না।

তৌফিক এলাহী বলেন, ফুটপাতগুলো এখন হকার্স মার্কেট হয়ে গেছে। এই মার্কেট এর ভেতরে প্রবেশ করা মানে হচ্ছে বিড়ম্বনায় পড়া। একেতো হাটার যায়গা নাই অন্যদিকে রয়েছে প্রচন্ড গরম। খোলা জায়গায় গরম কম লাগে কিন্তু মার্কেটের ভেতরে ঢুকলেতো আর তেমন লাগবে না। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আলোতে গরম আরো বাড়িয়ে দেয়। এ অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে কদিন পর এই ফুটপাতে হকাররা পাকা ঘর তুলে ফেলবে বলে মত দেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রশাসন হকারদের কিছুই বলে না। তারা এখান থেকে চাঁদা পায় নিয়মিত। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এখান থেকে চাঁদা উঠিয়ে থাকে। তাই হকাররা বেঁচে থাকলে তারাও বেচেঁ থাকবে। এজন্য একে অন্যের বন্ধু বললেও ভুল হবে না।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

মহানগর -এর সর্বশেষ