৪ কার্তিক ১৪২৫, শনিবার ২০ অক্টোবর ২০১৮ , ২:৫১ পূর্বাহ্ণ

UMo

স্কুলছাত্রী মোনালিসার ঘাতক দুবাইতে আটকের পর নারায়ণগঞ্জে (ভিডিও)


স্টাফ করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০১:১৯ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রবিবার


স্কুলছাত্রী মোনালিসার ঘাতক দুবাইতে আটকের পর নারায়ণগঞ্জে (ভিডিও)

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় স্কুলছাত্রী মোনালিসা আক্তার হত্যাকান্ডের মামলার আসামীকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে আনা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ ছিল, মোনালিসাকে প্রথমে ধর্ষণ পরে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়।

রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামী আবু সাঈদকে (২২) দেশে নিয়ে আসার সত্যতা নিশ্চিত করেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের।

আসামী প্রবাসী আসামী আবু সাঈদ ফতুল্লা পশ্চিম দেওভোগ বড় আমবাগান এলাকার ইকবাল হোসেনের ছেলে।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামী আবু সাঈদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়। পরে সকল প্রক্রিয়া শেষে রোববার তাকে দেশে নিয়ে আসা হয়। তারপর আইনী কার্যক্রম শুরু হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ৩ মাস আগে আবু সাঈদ বিয়ে করার জন্য দুবাই থেকে বাংলাদেশে আসেন। পরে পাশের বাড়ির মোনালিসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় সাঈদের পরিবার। কিন্তু মেয়ের বয়স অল্প হওয়ায় সাঈদের প্রস্তাবে রাজি হননি মোনালিসার পরিবার। পরে সাঈদ পাশের এলাকার ইভা নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে। কিন্তু ২ ফেব্রুয়ারি একা বাড়ি পেয়ে মোনালিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরে ঘটনা আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুঁলিয়ে দেয়। আর ঘটনার পর আবু সাঈদ দুবাই পালিয়ে যায় বলে নিশ্চিত করেছিল তার পরিবার। অগ্রিম রিটার্ন টিকেট থাকায় পালিয়ে যেতে কোন বেগ পেতে হয়নি।

গত ২ ফেব্রুয়ারি রাতে ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ বড় আমবাগান এলাকা নিজ বাড়ি থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মোনালিসা আক্তারের (১২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত মোনালিসা আক্তার স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহীন বেপারীর মেয়ে। সে হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী।

ওই সময় মোনালিসার বাবা শাহীন বেপারী জানান, নিহত মোনালিসা তার বড় মেয়ে। পরিবারে শাহেদ হাসান (৯) নামের ছেলে সন্তান আছে। ওই দুই সন্তানকে বাসায় রেখে শুক্রবার সকালে স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে নিয়ে নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় শ্বশুর বাড়ি যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে ফেরার পথে পাশ্ববর্তী বাড়ির লোকজন ফোন করে জানায় অজ্ঞাত এক যুবক আমার ঘরে প্রবেশ করে কিছুক্ষন পর বের হয়ে যায়। এরপর লোকজন ঘরে প্রবেশ করে মোনালিসাকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে। পরে রাত ১০টায় আমার ছোট ছেলে শাহেদ হাসানকে নিয়ে ওড়না কেটে ঝুলন্ত অবস্থায় নিচে নামিয়ে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেন।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

মহানগর -এর সর্বশেষ