৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫, মঙ্গলবার ২০ নভেম্বর ২০১৮ , ৬:২৪ অপরাহ্ণ

rabbhaban

যে কোন সময়ে মৃত্যু


সোহেল রানা || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৭:৫১ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৮ শুক্রবার


যে কোন সময়ে মৃত্যু

নগরীর প্রধান সড়কগুলোর অন্যতম হচ্ছে নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়ক। ঢাকা থেকে আসা বাস, ট্রাক কিংবা কাভার্ড ভ্যান ও অন্যান্য ভারি যানবাহন বঙ্গবন্ধু সড়কে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় নারায়ণগঞ্জ বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে যাওয়ার একমাত্র সড়ক হচ্ছে এই সড়ক। অথচ ব্যস্ততম এই সড়কটিতে নেই কোন ফুটপাত। প্রতিনিয়ত ভয়ংকর মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে পথচারীরা চলাচল করছে ব্যস্ততম সড়কটি দিয়ে।

সড়কটির এক পাশে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এবং অন্যপাশে বাংলাদেশ অভ্যন্তরিন নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। সড়কটি এতটাই সরু যে দুইটি গাড়ি পাশাপাশি চলাচলেরমত জায়গা নেই। রাস্তার এই অংশে দুইটি গাড়ি ক্রস করতে গেলে খুব ধীর গতিতে চলতে হয়। ফলে সর্বদাই এই অংশে যানজট লেগেই থাকে। রাস্তাাটির এই অংশে পায়ে হাঁটার জন্য ফুটপাত একে বারেই নেই।

পথচারীদের দুর্ভোগ আরো চরমে পৌছায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন কর্পোরেশনের গেইটের সামনের রাস্তায় সিটি কর্পোরেশন ও এলাকাবাসী কর্তৃক ময়লা-আবর্জনা জমা করে রাখায়। ঠিকমত ময়লা-আবর্জনা অপসারণ না করায় সড়কটির একপাশ দিয়ে পায়ে হাঁটা প্রায় অসম্ভব। ফলে এক পাশ দিয়েই চলাচল করতে হয় পথচারীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তাটির ভয়াবহ অবস্থা। রাস্তাটির একপাশে ময়লা আবর্জনা ফেলা হয়েছে। ব্যস্ত সড়কটিতে প্রতিনিয়ত বাস চলাচল করছে। ফুটপাত না থাকায় দেয়াল আর বাসের মাঝের সামান্য ফাঁকা জায়গা দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। কোনো চালক যদি একটু ভুল করেও দেয়ালের দিকে গাড়ি একটু বেশি চাপিয়ে দেয় তাহলেই ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

এ প্রসঙ্গে পথচারী সুমন মিয়া বলেন, এই সড়ক দিয়া চলাচল করা খুব রিস্কের কাজ। মনে হয় গাঁয়ের উপর দিয়া গাড়ি চালায়া দিবে। ড্রাইভার একটু ভুল করলেই আর রক্ষা নাই। কত ভয়ে ভয়ে চলতে হয় তা শুধু আমরাই বুঝি।

এ প্রসঙ্গে নাসিকের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

মহানগর -এর সর্বশেষ