১৬ মার্চ উদ্বোধন হতে পারে কাঁচপুর সেতু

সিটি করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:৫৫ পিএম, ১৩ মার্চ ২০১৯ বুধবার

১৬ মার্চ উদ্বোধন হতে পারে কাঁচপুর সেতু

নারায়ণগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুর উদ্বোধনের সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৬ মার্চ যা এর আগে ১০ মার্চ উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়ে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মূলত মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অসুস্থ থাকায় তারিখ পেছানো হয়েছে বলে জানান কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণ প্রকল্পের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী রাফিউল ইসলাম।

রাফিউল ইসলাম বলেন, মন্ত্রী অসুস্থ থাকায় উদ্বোধন সম্ভব হয়নি। এজন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে উদ্বোধনের পরবর্তী তারিখের জন্য পাঠানো হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ উদ্বোধনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতু নির্মাণ এবং বিদ্যমান সেতু পূর্ণবাসন প্রকল্পের পরিচালক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের দুটি প্রধান নগর রাজধানী ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এতে অতিক্রম করতে হয়েছে শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও গোমতী নদী।  ফলে ১৯৭৭, ১৯৯১ ও ১৯৯৫ সালে শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও গোমতী নদীর উপর দিয়ে নির্মাণ কারা হয় ৪ লেন বিশিষ্ট কাঁচপুর সেতু এবং ২ লেন বিশিষ্ট মেঘনা ও গোমতী সেতু।

দেশের অর্থনৈতিক লাইফ লাইন হিসেবে পরিচিত এ মহাসড়কে প্রতিদিন গড়ে ৩০ হাজারের বেশি যানবাহন চলাচল করে। ফলে যানবাহনকে ধারণ কার জন্য মহাসড়কে ৪ লেনে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু সেতু তিনটি অসমর্থ্য হওয়ায় সারা বছরই যানজটে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে মানুষ। তাই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় জাপানি উন্নয়ন সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতু, মেঘনা দ্বিতীয় সেতু ও গোমতী দ্বিতয়ি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে। এর মধ্যে মেঘনা ও গোমতী দ্বিতীয় সেতুর কাজ ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে।

তিনি আরো জানান, চার লেনের কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুটির ভিত্তি কংক্রিটের ঢালাইয়ের হলেও পাঁচটি পিলারের ওপর নির্মিত নতুন এ সেতুটি স্টিল গার্ডারের। ১০০ বছরের স্থায়িত্ব নির্ধারণ করে নির্মাণ করা সেতুটির প্রধান ঠিকাদার ছিল যৌথভাবে জাপানি চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান-ওবায়শি, শিমিজু, জেএফআই ও আইএইচআই। আর সেতুর উপঠিকাদার বাংলাদেশের মীর আকতার হোসেন। মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয় ১ হজার ২১৫ কোটি টাকা। মোট ব্যায়ের ৭৫ ভাগের জোগান দেয় জাইকা। আর ২৫ ভাগ অর্থ ব্যয় হয় বাংলাদেশ সরকারের। নতুন এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৯৭ দশমিক ৩০ মিটার। প্রস্থ ১৮ দশমিক ১ মিটার।


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও