দুই পা হারানো চন্দন শীলের দুঃসহ জীবন

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:১৯ পিএম, ১৪ জুন ২০১৯ শুক্রবার

দুই পা হারানো চন্দন শীলের দুঃসহ জীবন

২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাঢ়া শহীদ মিনার ঘেষা আওয়ামী লীগ অফিসে তৎকালীন এমপি শামীম ওসমানের গণসংযোগ কর্মসূচিতে সাংগঠনিক কর্মকান্ডে জড়িত নেতৃবৃন্দরা জড়ো হতে থাকে। রাত ৭টার মধ্যে পুরো অফিস লোকে লোকারন্য হয়ে পড়ে। রাত পৌনে ৯টায় বিকট শব্দে বিষ্ফোরিত হয় বোমাটি। হামলায় শামীম ওসমান সহ অর্ধশতাধিক আহত হয়। তার ব্যক্তিগত সচিব চন্দন শীল, যুবলীগ কর্মী রতন দাস দুই পা হারিয়ে চিরতরে বরণ করেছে পঙ্গুত্ব।

চন্দন শীল বলেন, মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করেছি, তাই একে আর ভয় পাই না। যারা চাষাঢ়াসহ সারা দেশে এ বর্বরোচিত বোমা হামলা চালিয়েছে, আমৃত্যু তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাব।`

চন্দন শীল বলেন, `২০০১ সালের বোমা হামলার ঘটনার পর অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। টাকার অভাবে জার্মানিতে পুরোপুরি চিকিৎসা করাতে পারিনি। যতটুকু হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন এমপি শামীম ওসমানের বদৌলতে। জার্মানি থেকে ফিরে ভারতে চিকিৎসারত অবস্থায় আর্থিক সংকটে পড়েছি। এমনও দিন গেছে তিন বেলার জায়গায় দুই বেলা খেয়েছি। বাসা ভাড়ার টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হয়েছে। দেশে ফিরে আসার পর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার বিভিন্নভাবে নাজেহাল করার চেষ্টা করেছে।`

চন্দন শীল বলেন, `আমার চোখের সামনে তরতাজা ছেলেগুলোর মৃত্যু ঘটল, কিছুই করতে পারলাম না। মশু, বাচ্চু দরাজ গলায় চমৎকার গান করত। মাঝেমধ্যে আমি গলা মেলাতাম। আর কখনোই শুনব না তাদের প্রিয় গানগুলো।`


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও