মসজিদ মাদ্রাসা স্কুলে ধর্ষণ

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৪:৫৮ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০১৯ মঙ্গলবার

মসজিদ মাদ্রাসা স্কুলে ধর্ষণ

নারায়ণগঞ্জ শহর ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপসনালয়গুলোও এখন বাদ যাচ্ছে না। স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদের মতো জায়গায় ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক, অধ্যক্ষ ও ইমাম আটক হচ্ছেন। এর মধ্যে কিছু ঘটনা পৈশাচিকতার দৃষ্টান্তকেও হার মানাচ্ছে। একটি মাত্র শিশু নয় একাধিক শিশু শিকার হচ্ছে এসব ঘটনায়। ফলে শিশু সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় অভিভাবকেরা।

জানা গেছে গত জুলাই মাসে ১২টি ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৩৩জন নারী শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে থেকে স্কুল ও মসজিদে পৈশাচিকতার ঘটনাগুলো তুলে ধরা হলো।

গত ৭ আগস্ট সকাল ৬টায় চাষাঢ়ার চাঁনমারী এলাকা থেকে রফিকুল ইসলামকে আটক করে র‌্যাব। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শিশুটিকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের চেষ্টা ও পরিকল্পনার সাথে যুক্ত থাকার অপরাধে ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকা থেকে বাকি ৫ জনকে আটক করা হয়।

অভিযোগের বরাত দিয়ে কাজী শামসের উদ্দিন জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি এক মাদ্রাসায় ২য় শ্রেনিতে পড়ালেখা করছে। শিশুটি রাতের বেলায় বিভিন্ন প্রকার দুঃস্বপ্ন দেখে কান্না করত। বিভিন্ন প্রকার কবিরাজি চিকিৎসা করে ভালো না হওয়ায় শিশুটির বাবা জানতে পারে যে, অভিযুক্ত ফজলুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে ঝাড়ফুঁক ও পানিপরা দেয়। এর প্রেক্ষিতে শিশুর বাবা ২ থেকে ৩ বার ফজলুর রহমানের কাছে ঝাড়ফুক পড়িয়ে নেয়। তারপরও তেমন উপকার না হওয়ায় ফজলুর রহমান ভিকটিমের বাসায় গিয়ে ‘বাড়ি বন্দি’ নামক চিকিৎসা করে আসে।

১ আগস্ট শিশুর বাবা ফজলুর রহমানকে ফোন দিয়ে মেয়ের চিকিৎসার ব্যাপারে আসতে চাইলে সে পরের দিন ফজরের আযানের সাথে সাথে মসজিদে আসতে বলে। কথা অনুযায়ী ২ আগস্ট সকালে শিশুর বাবা মেয়েকে নিয়ে মসজিদে চলে আসে। ফজরের নামাজের পর ফজলুর শিশু ও তার বাবাকে নিয়ে মসজিদের ৩য় তলায় ইমামের বেড রুমে নিয়ে যায়। এরপর হালকা ঝাড়ফুঁক করে পরিকল্পিতভাবে শিশুর বাবাকে ভোর সাড়ে ৫টায় এক প্যাকেট আগরবাতি ও একটি মোমবাতি আনার জন্য বাহিরে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু দোকান খোলা না থাকায় শিশুর বাবা মোমবাতি ও আগরবাতি কিনতে পারছিলেন না। এর মধ্যে আরো সময় ক্ষেপন করার জন্য ফজলুর রহমান শিশুটির বাবাকে ফোন করে একটি পান আনতে বলে ও মসিজদের মোয়াজ্জিনকে ফোন করে নিচের গেটে তালা মারতে বলে। এর মধ্যে শিশুটির দুই হাত বেধে, মুখে টেপ মেরে মারধর করে ধর্ষণ করে। পরে প্রমান মুছে ফেলার জন্য মসজিদের ছাদে নিয়ে শিশুটিকে পানি দিয়ে পরিস্কার করে দেয়। এরপরে শিশুটির গলায় ছুরি ধরে তার বাবা মাকে না বলার হুমকি দেয় এবং বললে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট পর শিশুটির বাবা আসলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে গেলে বলে তার বাবাকে বুঝিয়ে বিদায় করে দেয়।

বাসায় গিয়ে শিশুটি তার বাবা মাকে সব কিছু বলে। আর শিশুটি ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পরে। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে নিয়ে মসজিদে এসে বিচার দিলে মসজিদ কমিটির লোক সহ ফজলুর অনুসারীরা শিশু সহ পরিবারকে লাঞ্ছিত করে। একই সঙ্গে তাদের থানা বা হাসপাতালে যেতে না পারে সেজন্য হুমকি ধমকি দেয়। পরে শিশুটির শারীরিক অবস্থা অশঙ্কাজনক হওয়ায় গোপনে জেনালের হাসপাতালে ভর্তি করে। এ খবর জানতে পেরে ফজলুর সহ তার অনুসারীরা শিশুটিকে হত্যা ও অপহরণ করার উদ্দেশ্যে কয়েক দফা চেষ্টা চালায়। এতে ভয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে লুকিয়ে রেখে শিশুটির বাবা মাকে দীর্ঘক্ষণ হাসপাতালের টয়লেট ও বেডের নিচে লুকিয়ে থাকতে হয়েছে।

৬ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টায় শিশুটির বাবা হাসপাতালের নার্সের বোরকা পড়ে র‌্যাব অফিসে এসে অভিযোগ দেয়, এক মসজিদের ইমামের ধর্ষণে তার মেয়ে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ধর্ষণের পর ইমামের অনুসারীরা আমার তার মেয়েকে ও তাকে মেরে ফেলার জন্য হাসপাতালে খুঁজছে।

২৭ জুলাই বিকেলে ফতুল্লার ভূঁইগড় এলাকার আবাসিক দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অভিযান চালিয়ে ৪ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ‘বড় হুজুর’ খ্যাত অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে (৩৫) আটক করে র‌্যাব-১১।

মোস্তাফিজুর রহমানকে আটকের পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে র‌্যাব সদস্যরা। র‌্যাব-১১ এর এএসপি আলেপউদ্দিন জানান, অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসার ১১জন ছাত্রীকে বিগত ৩ বছর ধরে মাদ্রাসায় তার রুমে বিভিন্ন কৌশল অবল¤¦ন করে ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানি করে আসছে। এ অপকর্মের পর সেসব ছাত্রীদের কেউ কেউ মুখ খোলার চেষ্টা করলে তাদের একেক জনকে একেক অপবাদ দিয়ে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়। এভাবে সে বিভিন্ন বয়সী মাদ্রাসার ছাত্রীদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন সহ নানা কৌশলে ধর্ষণ করত। সে ছাত্রীদেরকে কখনো আখেরাতের ভয় দেখিয়ে হুজুরের কথা শোনা ফরজ, না শুনলে গোনাহ হবে এবং জাহান্নামে যাবে-এইরকম নানা ফতোয়ার মাধ্যমে, তাবিজ করে পাগল করা বা পরিবারের ক্ষতি করার কথা বলে ছাত্রীদের ধর্ষণ করতো বলে স্বীকার করে। এমনকি তার ৮ বছর বয়সী নিকট আত্মীয় যে তার মাদ্রাসায় পড়ত তাকেও একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে ভিকটিমের মা-বাবা অভিযোগ করে যা ধর্ষক মোস্তাফিজ অকপটে স্বীকার করে। এছাড়াও ধর্ষক মোস্তাফিজুর নিজেই বিভিন্ন জাল হাদিস তৈরি করে হুজুরের সাথে সর্ম্পক করা জায়েজ আছে বলে ছাত্রীদের বলতো। একটি জাল হাদিসের মাধ্যমে অভিভাবক ও স্বাক্ষী ছাড়া বিয়ে হয় বলে একাধিক ছাত্রীকে কৌশলে ধর্ষণ করার পর আরেকটি জাল হাদিসের মাধ্যমে তালাক হয়ে গেছে ফতোয়া দিয়ে মাদ্রাসা থেকে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে বের করে দিত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ৬ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও আরও ৫ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানির কথা স্বীকার করে।

৪ জুলাই বেলা ১১টায় র‌্যাব-১১ এর একটি টিম ফতুল্লার মাহমুদপুর এলাকার বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসায় ১০ থেকে ১২ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অধ্যক্ষ আল আমিনকে আটক করে র‌্যাব-১১।

র‍্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক আলেপ উদ্দিন জানান, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকার অক্সফোর্ড হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক আরিফুল ইসলামকে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে কয়েকদিন আগে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২০ এর বেশী ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনার সংবাদ বিভিন্ন টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও বিষয়টি ছড়িয়ে আলোচিত হয়ে উঠে। ফেসবুকে ওই সংক্রান্ত একটি খবর দেখছিলেন বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মা। তখন পাশে শুয়ে থাকা ওই ছাত্রী তার মাকে বলে, ‘এই শিক্ষক (আরিফুল) গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু আমাদের মাদ্রাসার হুজুরকে কেন গ্রেফতার করা হয় না?’ এ কথা শুনে ওই শিশুর মা জানতে চান, ‘কেন, কী হয়েছে?’ তখন ওই তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী তার মাকে বলে, মাদ্রাসার শিক্ষক আল আমিন মেয়েদের ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন। আমার ওই মাদ্রাসায় যেতে ভালো লাগেনা। আমি মাদ্রাসায় আর যাব না। পরে ওই ছাত্রীর মা বিষয়টি র‌্যাবকে জানান।

তিনি জানান, র‌্যাবের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ওই শিক্ষক মাদ্রাসার ১০ থেকে ১২ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ সহ তার মুঠোফোন ও কম্পিউটারে তল্লাশি চালিয়ে পর্নোগ্রাফি ভিডিও পাওয়া গেছে। এরপরই ওই অধ্যক্ষকে আটক করা হয়।

আলেপ আরো জানায়, মাদ্রাসার ভেতরে পরিবার নিয়ে থাকতেন আল আমিন। বাসায় তাঁর স্ত্রী না থাকলে বা মাদ্রাসা ছুটি হলে নানা কৌশলে (যেমন, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়া হবে, নাম্বার কম দেয়া হবে ও মারধর করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রলোভন দেখানো হতো।) আল আমিন ছাত্রীদের মাদ্রাসায় ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানি করতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই শিশুদের ধর্ষণ, ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন হয়রানির কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

২৬ জুন বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি কান্দাপাড়ার ‘অক্সফোর্ড হাইস্কুল’ নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২০টির বেশি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আরিফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম জুলফিকার নামে দুই শিক্ষককে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারি পরিচালক আলেপ উদ্দিন জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের অক্সফোর্ড হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক আরিফুল ইসলাম গত ৮ বছর ধরে স্কুলটিতে অংক ও ইংরেজী বিষয়ে শিক্ষকতা করে আসছে। ছাত্রীদের কোচিং পড়নোর জন্য তার ভাড়া বাসা ছাড়াও স্কুলের পাশে বুকস গার্ডেন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। তার স্ত্রী, সন্তান না থাকলেও ফ্ল্যাটে তিনটি বিছানা ছিল বলে জানায় ফ্ল্যাটের দারোয়ান। সেখানেই আরিফুল ইসলাম অসংখ্য ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলিং করে আপত্তিকর ছবি তুলে ধর্ষণ করে। আর স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জুলফিকার শিক্ষক আরিফুল ইসলামকে সহযোগীতা করে আসছিল। এসব কিছু জানতে পেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী স্কুলে হামলা চালিয়ে শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জুলফিকারকে গণপিটুনি দেয়।

আলেপ উদ্দিন আরো জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে আরিফুল ইসলামকে আটক করি। পরে তার মোবাইল থেকে ছাত্রীদর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের অনেক ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করেছি। মোবাইল জব্ধ করা হয়েছে। আর সব কিছু জেনেও নিরব থেকে সহযোগিতা করায় প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জুলফিকারকে আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ২০ জনের বেশি ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে আরিফুল ইসলাম। এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থীর বাবা সাংবাদিকদের জানান, তার মেয়ে ৫ম শ্রেণীতে পড়ার সময় শিক্ষকের যৌন হয়রানির শিকার হয়। মেয়ে এখন ৯ম শ্রেণীতে পড়ছে। এখনও লম্পট শিক্ষক থেকে রক্ষা পায়নি। কিন্তু ঘটনার এত বছর পেরিয়ে গেলেও আমার মেয়ে আমাকে না বলায় আমি এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারিনি। গত ২ থেকে ৩দিন আগে এ ব্যাপারটি জানতে পেরে এলাকার যুব সমাজকে বলেছি। পরেই এলাকাবাসী বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুলে যায়। তখন আরিফু ইসলাম তার মোবাইলে থাকা আপত্তিকর ছবিগুলো মুছে ফেলে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী মোবাইল উদ্ধার করে এলাকার একটি মোবাইল দোকানে একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে ছবিগুলো উদ্ধার করে। এসময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুই শিক্ষককে গণপিটুনি দেয়।

২৯ জুলাই ফতুল্লার হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছরের শিশুকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক নিজাম উদ্দিন আটক। ২৫ জুলাই বন্দরের নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় দুই শিক্ষক বরখাস্ত করা হয়।


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও