‘অদৃশ্য শক্তির অদৃশ্য খবরদারি’ ৫ অনলাইন পোর্টাল সম্পাদকদের উদ্বেগ

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:১০ পিএম, ৩১ মে ২০২০ রবিবার

‘অদৃশ্য শক্তির অদৃশ্য খবরদারি’ ৫ অনলাইন পোর্টাল সম্পাদকদের উদ্বেগ

নারায়ণগঞ্জের ৫টি অনলাইন পোর্টাল অন্যায়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ তুলেছেন সম্পাদকেরা। তাঁরা বলেছেন, কোন ধরনের নোটিশ ছাড়া এভাবে পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া মুক্ত গণমাধ্যমের অন্তরায়।

৩০ মে শনিবার রাতে নিউজ নারায়ণগঞ্জের একটি লাইভ টক শো অনুষ্ঠানে উঠে আসে এসব আলোচনা। এতে অংশ নেন বন্ধ হয়ে যাওয়া যুগের চিন্তার সম্পাদক মোরসালিন বাবলা, নিউজ নারায়ণগঞ্জের সম্পাদক শাহজাহান শামীম, প্রেস নারায়ণগঞ্জের সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ টুডের সম্পাদক সীমান্ত প্রধান। এছাড়াও যুক্ত ছিলেন প্রথম আলোর গোলাম রাব্বানী শিমুল ও বার্তা টুয়েন্টিফোরের সাবিত আল হাসান।

মোরসালিন বাবলা

‘১৬ দিন বন্ধ থাকা পরেও যতটুকু সারা পাওয়া কথা ততটুকু পাওয়া যায়নি। এটি কতটুকু আক্ষেপের আমাদের জন্য? হতাশ হওয়ার জায়গা?’ প্রশ্নের জবাবে বাবলা বলেন, ‘এখনো হতাশ হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে আমি মনে করি না। কারণটা হলো করোনা পরিস্থিতির কারণে সবার অবস্থা নাজুক। সবাই মানসিকভাবে দুর্বল। সে যত শক্তিশালী মানুষ হোক না কেন। বিশেষ করে ঈদের আগে থেকে অনেক দিন নারায়ণগঞ্জের গণমাধ্যম বন্ধ রয়েছে। করোনার কারণে অনেক গণমাধ্যম গত এক দেড় মাস ধরে প্রকাশিত হতে পারেনি। পাশাপাশি ঈদের আমেজ ছিল, ঈদেকে নিয়ে দুঃশ্চিন্তাও ছিল। এখনো কিন্তু ছুটি চলছে। যার কারণে হয়তো বা অনেকে যারা আমাদের শুভাকাঙ্খী আছেন তাঁরা প্রতিবাদ জানাতে পারেননি, রাস্তায় নামতে পারেননি, ভূমিকা রাখতে পারেননি। তবে আমার বিশ্বাস নারায়ণগঞ্জে এক বছর আগে যখন যুগের চিন্তা পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হলো একটি মহলের তৎপরতায় তখন আমরা দেখেছি সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল এবং তাঁরা কিন্তু প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। অনেকদিন ধরে পোর্টাল বন্ধ থাকলেও ঈদের আগে এবং ঈদের পরে একটি গ্যাপ আছে। আমার বিশ্বাস আগামীকাল থেকে আমরা প্রতিফলন দেখতে পারবো।’

বাবলা বলেন, ‘একটি অশুভ চক্র তাঁদের স্বার্থকে হাসিল করার জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিবাদ যে হচ্ছে না এমনটা নয়। যদি সোস্যাল মিডিয়া ফেসবুকে প্রতিবাদ হচ্ছে। সাংস্কৃতিক জোট প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং তাঁরা জানিয়েছেন যে তাঁরা মুক্ত গণমাধ্যম চান এবং মুক্ত গণমাধ্যম দেখতে চান। এবং যে পোর্টালগুলো ব্লক করে দেওয়া হয়েছে সেই পোর্টালগুলো হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের জনপ্রিয় পোর্টাল। যদিও নারায়ণগঞ্জে সাড়ে ৩’শ এর উপরে পোর্টাল রয়েছে। কিন্তু এই পোর্টালগুলো কিন্তু সব চেয়ে শক্তিশালী পোর্টাল এবং গণমানুষের কথা বলে। অন্য পোর্টালগুলো নিজেদের অস্তিত্ব ওইভাবে প্রকাশ করতে পারেনি। যার কারণে যে নারায়ণগঞ্জের গুটিকয়েক অপশক্তি তাঁদের অপকর্মগুলো যাতে প্রকাশিত না হয় সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যেতে না পারে, গণমাধ্যমের টুটি টিপে এর আগেও ধরা হয়েছিল। যুগের চিন্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নতুন করে আবারো পোর্টালগুলো তাঁরাই বন্ধ করেছেন। আমার বিশ্বাস প্রতিবাদ হবে, প্রতিবাদ চালিয়ে যাবো।’

শাহজাহান শামীম

শামীম বলেন, আমরা আসলে কার কাছে দায়বদ্ধ? আমর আসলে আমাদের পাঠকের কাছে দায়বদ্ধ। এই যে কোনো কিছু না বলে বন্ধ করে দেওয়া হলো এবং পরে স্বীকারও করা হচ্ছে না যে বন্ধ করেছেন। এই বিষয়টি অস্বাভাবিক বিষয়। যে যত বড় সম্পাদক হোক, যে যত বড় মানুষ হোক আমরা কেউ তো আইনের ঊর্ধ্বে না। আমরা যদি কোন রাষ্ট্রীয় আইন ভঙ্গ করে থাকি আমাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সেই রাস্তায় না গিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা না রেখে এমনি এমনি ইচ্ছা হলো আর বন্ধ করে দিতে হবে এটি নজিরবিহীন। যেখানে অনলাইন পত্রিকাগুলোকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার, যখন আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাবে সেই সময়ে বাংলাদেশ উল্টো দিকে যাচ্ছে। পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে তাঁরা মনে করেছন তাঁরাই সঠিক। বরং এখন এই সময় মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য একটি মাধ্যম ছিল, মাধ্যম হতে পারতো। আমাদের মাধ্যমে মানুষের কাছে যাওয়া সম্ভব ছিল যাওয়া উচিতও ছিল। সেটা না করে বরং আমাদেরকেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হচ্ছে। এটা কল্পনাও করা যায় না এটা ভাবতেও পারে না। তো আমি যেটা বলব এই উদাহরণ খুবি খারাপ উদাহরণ। এবং সামনে যেন এই উদাহরণ না হয়। তাঁর জন্য আজকে আমরা যে কয়জন আছি সব সময় প্রতিবাদ করে যাবো। যারাই কাজটি করে থাকুক তাঁদের শুভবুদ্ধি উদয় হোক।

ফখরুল ইসলাম

ফখরুল বলেন, ১৪ মে সন্ধ্যা থেকে আমরা কিছুটা সমস্যা, পাঠকের কিছু ফোন পাওয়া শুরু করি। হাউজ থেকেও ফোন পাই যে সাইটে প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে। আমরা মনে করেছিলাম বিষয়টি হয়তো কারিগরি ত্রুটি। আমাদের সাইট ডেভেলপার, আইটি এক্সপার্টদের সাথে কথা বলি এবং তাঁরা বিভিন্ন ভাবে সমস্যা সমাধানে কাজ করেছেন। প্রায় দুইদিন কাজ করার পরে তাঁরা আমাদেরকে নিশ্চিত করে যে বিষয়টি কারিগরি ত্রুটি নয় কোনো একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে আসলে এই কাজটি করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যদি আমরা ভিপিএন দিয়ে প্রবেশ করি তাহলে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। দেশের বাইরের পাঠকদেরও কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তাঁরা সহজেই প্রবেশ করছেন। সময় লেগেছে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। তাঁর পর থেকেই সবাই মিলে আমাদের ভয়েস রেইজ করার চেষ্টা করছি। আমরা পাঠকদের পাশাপাশি অন্যদেরকেও জানানোর চেষ্টা করছি যে আমরা সংবাদ প্রকাশে বাধাগ্রস্থ হচ্ছি। যদি আইনগত ভাবে কোনো সংস্থা ব্যবস্থা নেয় তাহলে আমাদেরও সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু এখানে সেটা করা হয়নি। কোনো একটি অদৃশ্য শক্তি নিয়ন্ত্রণ বা খবরদারির চেষ্টা করছে। কারা করছে সেটাও আমরা বুঝতে পারছি না। এটি আমাদের জন্য আতঙ্কের জায়গা। আমরা জানতে পারছি না যে কারা কিভাবে করেছে। সামনের দিনগুলোতে নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিকতায় এটি বড় ধরনের কাজের জায়গা সংকুচিত করবে বলে আমি মনে করি।

সীমান্ত প্রধান

সীমান্ত বলেন, বর্তমান সময়ে ফেসবুকে সব থেকে তরিৎ গতিতে প্রতিবাদ এবং ভয়েস পৌঁছে দেওয়ার একটি বড় মাধ্যম। যে কারণে আমি মনে করলাম বন্ধের মধ্যে সকল পত্রিকা বন্ধ এবং আমাদের যারা সাংবাদিক সহকর্মী আছেন তাঁরা দেখবেন যে আমাদের পাশে এসে সেভাবে দাঁড়াচ্ছেন না। হয়তো বা তাঁরা জানেন না বা শোনেননি। যে কারণে আমি মনে করলাম যে ফেসবুকের মাধ্যমে আমি আগে এটি জানান দেই। তখন সবাই জানবে তখন হয়তো আমার সাথে, আমাদের সাথে অন্যরাও গলা মিলাবে, পাশে এসে দাঁড়াবে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই আমি ফেসবুকে বেছে নিয়েছি। আর এটা অস্বীকার করার নয় যে ফেসবুক অত্যন্ত শক্তিশালী একটি প্রতিবাদের মাধ্যম। এখানে আমাকে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। আমার ভয়েস দিতে পারবো একেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে। এখানে কোনো এডিট নেই কোনো কোনো সেন্সর নেই। আমি আমার কথাটাকে ঠিকমত বলতে পারব।

তিনি বলেন, বিষয়টি হচ্ছে নারায়ণগঞ্জে যে প্রতিবাদ হওয়ার দরকার ছিল সেটা এখনো হয়নি। সেক্ষেত্রে আমরা হয়তো ব্যর্থ হয়েছি। অথবা নারায়ণগঞ্জে এত সংবাদ কর্মী তাঁরা সেভাবে আওয়াজ দিচ্ছেন না। সেভাবে তাঁরা এগিয়ে আসছেন না। সেক্ষেত্রে আমি ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়ে আমি তাঁর একটি পজিটিভ পেয়েছি। এটি পজিটিভ দিক বলে আমি মনে করি। কিন্তু সেই তুলনায় আমার নারায়ণগঞ্জে মানে আমি যাদেরকে নিয়ে ভরসা করি, যাদেরকে নিয়ে গর্ব করি, যাদেরকে নিয়ে অভিমান করি সেই তাঁরা আমার বড় ভাই বলি, ছোট ভাই বলি, সহকর্মী বলি বা বন্ধু বলি তাঁরা কিন্তু আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে না। এবং আমাদের সাথে গলা মিলাচ্ছে না। তাঁরা ভাবছেন যে সমস্যাটা আমাদের তাঁদের না। সুতরাং এখানে তাঁদের না আসলেও চলবে। হয়তো বা তাঁরা ভাবতে পারেন। কিন্তু আমি মনে করি আজকে আমি সমস্যায় পড়েছি কালকে আপনি সমস্যায় পড়বেন। হয়তো আমাকে দিয়ে টেস্ট করানো হচ্ছে। কালকে চূড়ান্তভাবে আপনাকে গলা টিপে ধরা হবে। তখন আপনি কি করবেন?

যদি আমরা অথেনটিক সাংবাদিকতার ইথিক্স না মেনে কিছু করি সে ক্ষেত্রে আইন আছে। প্রশাসন আছে আদালত আছে। সেখানে মামলা করতে পারেন। কিন্তু আপনি সেটা না করে আপনি কি করলেন ৫টি পোর্টাল একই সময়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। এটি বন্ধ করে দিয়ে কি বুঝাতে চাচ্ছেনর আপনারা? আপনারা যথেষ্ট ক্ষমতাশালী, আপনারা চাইলে মুহূর্তে পিপড়া মারতে পারেন। অন্য সংবাদকর্মীরা যাতে ভয় পায়। এটাই কি বুঝাতে চাচ্ছেন? যদি তারা এটি বুঝাতে চান তাহলে আমি বলব তাঁরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। কারণ সংবাদকর্মী যতদিন বেঁচে থাকবে, যতদিন দম থাকবে ততদিন কলম চালাবে। সেটা তাঁর নিজস্ব পত্রিকায় চালাক, অন্যের পত্রিকায় চালাক অথবা ফেসবুক পেইজে লিখতে পারবে বাধা দিতে পারবেন না। যদি কোনো ভ্রান্তি থেকে থাকে, আপনারা যদি ক্ষুন্ন হয়ে থাকেন, সমালোচনা যদি গ্রহণ করতে না পারেন তাহলে আমাদেরকে বলুন যে সমালোচনা বহন করতে পারছি না বা বেশি সমালোচনা করে ফেলছি তাহলে সেটি আমাদেরকে বলুন। এভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠ চেপে ধরা কোনো সভ্য সমাজ আশা করে না। যদি তিনি এ কাজ করে থাকেন তাহলে আমি বলব তিনি সভ্য না বা তাঁরা সভ্য না। আমরা এখনো সভ্য সমাজে আসতে পারিনি।

গোলাম রাব্বানী শিমুল

দুর্ভাগ্য আমার যে আজকে এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলতে হচ্ছে মাত্র আমাদের ঈদ গেলো করোনা মহামারির মধ্যে। এসময় আমাদরে কথা বলা উচিত ছিল যে আমরা এই মহামারি কিভাবে এক সঙ্গে ফেস করবো। সেটাকে না নিয়ে কথা বলতেক হচ্ছে এমন ৫টি অনলাইন নিয়ে যে অনলাইনগুলো সব চেয়ে বেশি কাজ করেছে মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য। যখন চারিদিকে গুজব ছড়ানো হচ্ছিল বিভিন্ন ধরনের হতাশার খবর শোনা যাচ্ছিল তখন কিন্তু এই পোর্টালগুলোই সামনে থেকে মানুষকে আশার বাণী শুনিয়েছে। মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়েছে। অর্থাৎ আমরা যে রাষ্ট্রে বাস করি সেই রাষ্ট্রের যে প্রশাসন আছে তাঁদের কিন্তু নানান ভাবে হেল্প করেছে পোর্টালগুলো। কিন্তু আমরা প্রতিদান হিসেবে দেখতে পেলাম যে ১৬দিন যাবৎ অনলাইনগুলো বন্ধ। আমি যখন সাংবাদিকতায় এসেছি আমি জানি যে এখানে বরাবরই ঝুঁকি থাকে। সামাজিক ঝুঁকি, জীবনের ঝুঁকি, অর্থনৈতিক ঝুঁকি থাকে। এতগুলো ঝুঁকি মোকাবিলা করে কিন্তু আমরা দেশ সমাজ কিংবা যে কোনো টানেই এখানে এসেছি। এত ঝুঁকির মধ্যে যখন সব চেয়ে সৎ ভাবে যারা সাংবাদিকতা করে যাচ্ছে যখন তাঁদের পোর্টাল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তখন সাংবাদিকরা চুপ, প্রশাসন থেকেও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। তখন আমরা হতাশ হই। আমাদের মাঝে উদ্বেগ কাজ করে। যে আমরা আসলেই এই প্রফেশনে থাকবো কি না।

সাবিত আল হাসান

পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া কোনো ভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। আমরা আসলে এইসব পোর্টালের হাত ধরেই উঠে এসেছি, এগুলোর হাত ধরেই চলা, পোর্টালগুলোর সাথে থেকেই আমরা শিখছি মাত্র। কিন্তু আমাদের শেখার জায়গাগুলো যতি নষ্ট করে দেওয়া হয় তাহলে ভবিষ্যতে যারা আসবে তাঁদের পথ নষ্ট করে দেওয়া হলো। নারায়ণগঞ্জের প্রেক্ষাপটে যদি আমরা বলতে চাই পত্রিকাগুলোতে সিনিয়ররা কাজ করে। অনলাইনগুলোতে আমরা তরুণরা শেখার জন্য কাজ শুরু করি। এই পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া মানে তরণ সাংবাদিকদের পথ রুদ্ধ করে দেওয়া।


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও