পপুলার ডায়াগনস্টিকের ট্যানেল বন্ধ, ঝুঁকিপূর্ণ আনোগানা

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৭:৩৯ পিএম, ২ জুন ২০২০ মঙ্গলবার

পপুলার ডায়াগনস্টিকের ট্যানেল বন্ধ, ঝুঁকিপূর্ণ আনোগানা

নারায়ণগঞ্জ শহরের অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভবনটির সামনে থাকা একমাত্র জীবানুনাশক ট্যানেলটি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া জীবানুনাশক স্প্রে এর ব্যবস্থা নেই। তবে নামে মাত্র সাবান পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কিন্তু রোগী সহ মার্কেটে আসা ক্রেতাদের কাউকে তা ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছেনা। তবে কেউ কেউ বলছেন এই ট্যানেলটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবহারের নয় এটি মার্কেটের পাশের গলির দোকানিদের ব্যবহারের জন্য। আর তাতে করে ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি খোলা রাখা হয়েছে বলা চলে।

চাষাঢ়ায় অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি যে ভবনে অবস্থিত সেই ভবনের সামনে মাত্র একটি জীবনুনাশক ট্যানেল রয়েছে। তবে সেই ট্যানেলটি পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে সচল থাকলেও তা এখন বন্ধ আছে। আর তাতে করে ডায়াগনস্টিক সেন্টার সহ সেই ভবনের অন্যান্য দোকানগুলোতে ঝুঁকি নিয়ে আনোগোনা করতে দেখা যাচ্ছে। যদিও সাবান পানির ব্যবস্থা করা আছে। কিন্তু রোগী ও ক্রেতাদের কেউ তা ব্যবহার করছেনা।

স্থানীয় সূত্র বলছে, এই ট্যানেল শুধুমাত্র ভবরের দক্ষিণ দিকের মার্কেটের লোকজনদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেকারণে ভবরের দক্ষিণ অংশে এটি স্থাপন করা হয়েছে। আর দুপাশ দিয়ে বেরিকেট দেয়া হয়েছে। সেই ব্যারিকেডের মধ্যে মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির নাম উল্লেখ করা আছে। এ নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তাছাড়া ভবনেন উত্তর পাশে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসা রোগীরা দক্ষিণ পাশের ট্যানেলটি কোনভাবে কাজে আসেনা, কেউ তা ব্যবহার করেনা। এতে করে সম্পূর্ণভাবে করোনা ঝুঁকি নিয়েই রোগীরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এবং সেই ভবনে প্রবেশ করছে। কারণ জুতা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে বহন করা জীবানু এই ভবনে ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এভাবে প্রবেশ করছে।

রোগীরা বলছেন, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভবনের প্রবেশপথে কোন ট্যানেল নেই, যেকারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সম্ভব হচ্ছেনা। জীবানুনাশক স্প্রে করার মত কেউ নেই। সাবান পানি থাকলেও তা ব্যবহারের যথেষ্ট সময় ও রুচি নেই। কারণ খোলা পরিবেশে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনগণ তা ব্যবহারে করে থাকে। কিন্তু কিছু করার নেই। রোগ সারানোর জন্য বাধ্য হয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে।

রেহেনা নামের একজন জানান, আমার সাথে একজন রোগী আছে। সে এতোটাই অসুস্থ্য যে ঠিকমত হাঁটতে পারছে না। একারণে তাকে ধরে নিয়ে যেতে হচ্ছে। এই অবস্থায় সাবান পানি দিয়ে হাত কিভাবে ধৌত করবো বলেন। যদি ট্যানেল থাকতো তাহলে এমনিতে জীবানুমুক্ত হওয়া যেত।


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও