দ্রুত গতিতে গঞ্জেআলী খাল পুনঃখনন

সিটি করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:৪৭ পিএম, ৮ জুলাই ২০২০ বুধবার

দ্রুত গতিতে গঞ্জেআলী খাল পুনঃখনন

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ডের টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা নিরসনে চাঁদমারী থেকে তল্লা ছোট মসজিদ পর্যন্ত গঞ্জে আলী খাল পুনঃখননের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে খানপুর রেল লাইন থেকে তল্লা ছোট মসজিদ পর্যন্ত সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চালিয়ে পুরোদমে খাল খনন সম্পন্ন করা হয়েছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে খানপুর রেল লাইন থেকে চাঁদমারী দিন পুনঃখননের কাজ চলছে।

গঞ্জেআলী খাল উদ্ধার ও পুনঃখনের জন্য এলাকাবাসী ও নাসিকের সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নাসিক ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু। এ সময় বৃষ্টিে মধ্যে কাউন্সিলের উপস্থিতিতে খাল পুনঃখননে কাজ চলমান হওয়ায় এলাকাবাসী ধন্যবাদ জ্ঞাপন জানিয়েছে।

এদিকে শওকত হাসেম শকু জানান, বৃষ্টির মধ্যে গঞ্জেআলী খাল পুনঃখননের কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে তল্লা ছোট মসজিদ এলাকার খালের মুখ উন্মুক্ত করা হয়েছে। সেখানে পানি দ্রুত চলাচল করছে। সোমবার থেকে চাঁদমারী দিক খাল পুনঃখননের কাজ চলছে। রাত ৯/১০ পর্যন্ত এই খাল উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে নাসিকের টিম ও আমার টিমের সদস্যরা।

জানা গেছে, ২৮ জুন থেকে গঞ্জে আলী খাল পুনঃখননের জন্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চালায় নাসিক। কাউন্সিল শওকত হাসেম শকুর নেতৃত্বে স্থাপনা উচ্ছেদ ও খাল খননের কাজ শুরু করেন নাসিকের টিমের সদস্যরা। টানা বৃষ্টি কারণে ১২নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন মহল্লা ও ঘরে পানি জমে উঠত। এ কারণে স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমান, এমপি শামীম ওসমান ও নাসিকের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর সহযোগিতা করে করেন স্থানীয় কাউন্সিলর শওকত হাসেম। তিনি তাদের সহযোগিতা পেলে গঞ্জেআলী খাল উদ্ধার ও খাল দিয়ে পানি অতিক্রমের ব্যবস্থা নেন। এরপর স্থানীয় এমপি ও মেয়রের সহযোগিতায় আশ্বাসের পর ২৫ জুন থেকে গঞ্জে আলী ঘিরে সকল দখলদারদের স্বেচ্ছায় মালামাল সরিয়ে নেয়ার মাইকিং করা হয়। এর পর ২৮ জুন থেকে সকল স্থাপনা উচ্ছেদ চালিয়ে খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু হয়। এর পর ২ জুলাই খাল খননের কাজ পরিদর্শনে যান নাসিকের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

তিনি পরিদর্শন ঘিরে দখলদারদের স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেয়া ও খাল খননের এলাকাবাসী সহযোগিতা করায় ধন্যবাদ জানান। এ সময় তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন শুরু থেকেই জলাবদ্ধতা নিরসনে অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের এমন কোন সড়ক নেই যেই সড়কের পাশে ড্রেন নেই। আমরা ড্রেনগুলো অনেক গভীর ও প্রশস্ত করেছি কিন্তু এখানে সবসময় মাটি পলিথিন বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু সড়কে এসব দিয়ে ড্রেনগুলো ভরে থাকে। বেশি বৃষ্টি হলে অনেক সময় কিছুক্ষনের জন্য পানি জমে থাকে তবে কোন স্থানেই ২ ঘন্টার বেশী পানি জমে থাকেনা। অন্য সিটির অবস্থা দেখলে দেখা যায় একদিনের বেশিও পানি জমে থাকে। আমরা সবগুলো খাল খনন করে বাধাই করার চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় বাবুরাইল খাল খনন করেছি। এরকম আমাদের অনেকগুলো কাজ হয়েছে হচ্ছে। মদনগঞ্জ, মাহমুদনগর, ত্রিবেণী খালসহ অনেকগুলো টেন্ডার আমরা করেছি। এগুলোর কাজ চলছে। শহরের মধ্যে আমাদের গঞ্জে আলী খাল এটি বাকি ছিল, এটি দীর্ঘদিন দখলে ছিল আমি পূর্বে একবার উচ্ছেদ করেছিলাম ও খান খনন করেছিলাম। এটির কাজ এখন চলছে।


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও