লিংক রোডে ইজিবাইকের দাপট

স্টাফ করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:০১ পিএম, ১১ জুলাই ২০২০ শনিবার

লিংক রোডে ইজিবাইকের দাপট

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে কয়েক হাজার ইজিবাইকের দাবড়ানিতে মোটর চালিত যান চলাচলে হিমসিম খাচ্ছে চালকেরা। হর্ণ আর ডাক চিৎকারেও সড়কে ইজিবাইকের সাইড পায়না মোটর চালিত যানবাহন। এতে প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। এছাড়া নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ইজিবাইক ক্রয় করে সড়ক ভরে ফেলছে সুবিধাবাদী লোকজন।

জানা যায়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়ক ও লিংক রোড সহ পাগলা থেকে ভূইগড়, পাগলা থেকে জালকুড়ি, শিবুমার্কেট থেকে পোষ্ট অফিস, জেলা পরিষদ থেকে নবীগঞ্জ ঘাট,শিবু মার্কেট থেকে হাজিগঞ্জ, পঞ্চবটি থেকে ধর্মগঞ্জ,পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর, পঞ্চবটি থেকে বক্তাবলীঘাট, কাশিপুর থেকে শহরের ডায়মন্ড সিনেমা হল সহ আরো একাধিক সড়কে অবৈধ এ ইজিবাইক চলাচল করে থাকে।

এর মধ্যে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়ক থেকে একাধিকবার চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করা হলেও ইজিবাইক থেকে চাঁদাবাজী বন্ধ হয়নি। গ্রেফতারের পর কয়েকদিন জেলখেটে জামিনে এসেই ফের ইজিবাইক মালিক ও চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজী শুরু করেন একটি চক্র।

এছাড়া অন্যান্য সড়কগুলোতে ইজিবাইক চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোন সময় পুলিশ অভিযান চালায়নি। তবে লিংক রোডে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে র‌্যাব ও পুলিশের তৎপরতায় চাঁদাবাজী একেবারেই বন্দ রয়েছে। ফলে এসড়কটিতে কিছু সুবিধাবাদী লোকজন কেউ ২০টা কেউ ৩০টা করে ইজিবাইক কিনে ভাড়া দিয়েছে। এতে প্রায় এক হাজারের বেশি ইজিবাইক লিংক রোড দাবরিয়ে বেড়াচ্ছে। সাইনবোর্ড থেকে চাষাঢ়া রাইফেল ক্লাব পর্যন্ত ইজিবাইক গুলো চলাচল করে থাকে।

ট্রাক চালক আব্দুল হামিদ মিয়া বলেন, যত জরুরীই থাকনা কেনো দ্রুত গতিতে এখন আর লিংক রোড দিয়ে গাড়ি চালানো যায়না। ইজিবাইক সড়কের পুরো অংশই দখল করে চলাচল করে। একটু দ্রুত গাড়ি চালালেই এক সাথে কয়েকটি ইজিবাইক চাপা পড়ে। এতে প্রায় সময় দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটে।

খাবার হোটেল মালিক সুজন বলেন, লিংক রোডে ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ করা না হলে দুর্ঘটনা ঘটবেই। সরকারী ভাবে ইজিবাইকের অনুমোদন দিলে কেউ এক সাথে একাধীক ইজিবাইক কিনে সড়ক ভরতে পারতো না।

ইজিবাইক চালক আলী হোসেন বলেন, ফতুল্লার প্রায় এলাকায় প্রকাশ্যে কারখানা দিয়ে ইজিবাইক তৈরী করে বিক্রি করছে। ইজিবাইক বিদ্যুৎ খরচ করছে, মানুষও এটি দিয়ে সহজে অল্প ভাড়ায় যাতায়াত করছে। অনেকেই ইজিবাইক চালিয়ে আয় রোজগার করে সংসার চালাচ্ছে। সেহেতু সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ থাকবে ইজিবাইকের অনুমোদন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হউক।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন বলেন, চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়। যদি কেউ ইজিবাইক অথবা অন্যান্য পরিবহন চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইজিবাইকের অনুমোদন আমরা দিতে পারিনা।


বিভাগ : ফিচার


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও