১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, সোমবার ২৮ মে ২০১৮ , ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ

সিটি করপোরেশনের কোন ওয়ার্ডে কত টাকার প্রকল্প


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ১০:৫৭ পিএম, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ শনিবার | আপডেট: ০৪:৫৭ পিএম, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ শনিবার


সিটি করপোরেশনের কোন ওয়ার্ডে কত টাকার প্রকল্প

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে গেল একবছরে ৩০৮ কোটি ১৭ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৭টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ৬৬৩ কোটি ৬০ লাখ ৪৬ হাজার ৯৯৩ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

যার মধ্যে গেল বছরে নারায়ণগঞ্জ শহরের ৯টি ওয়ার্ডে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার ২৩২ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগের ৫ বছরে অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত শহরের ১০ থেকে ১৮নং ওয়ার্ডে সর্বমোট ২৪১ কোটি ৭০ লাখ ৭৬ হাজার ৮২২ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

সিদ্ধিরগঞ্জের ৯টি ওয়ার্ডে গেল বছরে ১৭২ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ২৫৬ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগের ৫ বছরে অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১ থেকে ৯ নং ওয়ার্ডে সর্বমোট ১৮৬ কোটি ৭১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৩৮ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

বন্দরের কদমরসুলের ৯টি ওয়ার্ডে গেল বছরে ৭৮ কোটি ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮০৪ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগের ৫ বছরে অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৯ থেকে ২৭নং ওয়ার্ডে সর্বমোট ২৩৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৪ হাজার ৪৩৩ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর ওমর ফারুকের ১নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৪৮ কোটি ৭৪ লাখ ৪ হাজার ৯৬০ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে কাউন্সিলর আব্দুর রহিমের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১নং ওয়ার্ডে ১২ কোটি ৫৯ লাখ ২৭ হাজার ৪৭০ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের ২নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ২১ কোটি ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫২৫ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে প্রয়াত প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম এবং উপ নির্বাচনে জয়ী তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটির সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২নং ওয়ার্ডে ২৯ কোটি ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৯৩ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর শাহজালাল বাদলের ৩নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ২৫ কোটি ১৬ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৩নং ওয়ার্ডে ২০ কোটি ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৩০৯ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসানের ৪নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৭৮ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে নূর হোসেনের সময়ে ও এরপর উপ নির্বাচনে জয়ী কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসানের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৪নং ওয়ার্ডে ১০ কোটি ৯১ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৩ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর জিএম সাদরিলের ৫নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে মাত্র ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৮৭ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে কাউন্সিলর বাবুলের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৫নং ওয়ার্ডে ২১ কোটি ৭২ লাখ ২৭ হাজার ১৯৯ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতির ৬নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৪ কোটি ৩০ লাখ ৩৯ হাজার ৩৬৮ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৬নং ওয়ার্ডে ৯ কোটি ৫৯ লাখ ৮৯ হাজার ৩২৫ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর আলী হোসেন আলার ৭নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ১২ কোটি ৫০ লাখ ৪৩ হাজার ২৫৯ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৭নং ওয়ার্ডে ১০ কোটি ৭ লাখ ৪৩ হাজার ১৬৪ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লার ৮নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৩২ কোটি ৮৫ লাখ ৬৭ হাজার ৪৭১ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৮নং ওয়ার্ডে ৫১ কোটি ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৫ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর ইসরাফিল প্রধানের ৯নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ২১ কোটি ৬৩ লাখ ৮৫ হাজার ৫১৫ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৯নং ওয়ার্ডে ২১ কোটি ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯০ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকনের ১০নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৭ কোটি ৮৮ লাখ ৬৯ হাজার ৪১০ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে হাবিব তৌহিদের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১০নং ওয়ার্ডে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৫ হাজার ৯৭৭ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর জমশের আলী ঝন্টুর ১১নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬ হাজার ৪৮৫ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১১নং ওয়ার্ডে ৬ কোটি ৬৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮৪১ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকুর ১২নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৫ কোটি ২৪ লাখ ২১ হাজার ৪৬৭ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১২নং ওয়ার্ডে ১০ কোটি ২৯ লাখ ৪ হাজার ৪৭৮ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের ১৩নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৪ কোটি ৩০ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৩নং ওয়ার্ডে ২৮ কোটি ৪০ লাখ ৯ হাজার ২৮০ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর শফিউদ্দিন প্রধানর ১৪নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে মাত্র ২৮ লাখ ৯৬ হাজার ৩৫৬ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে কাউন্সিলর মনিরুজ্জামানের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৪নং ওয়ার্ডে ১২ কোটি ৪৯ লাখ ৭১ হাজার ১৫২ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর অসিত বরণ বিশ্বাসের ১৫নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৭৬ লাখ ৩৭ হাজার ৮২৭ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৫নং ওয়ার্ডে ১০৫ কোটি ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯৮ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর নাজমুল আলম সজলের ১৬নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ২১ কোটি ৫১ লাখ ৮৩ হাজার ২৭২ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে প্যানেল মেয়র ওবায়েদউল্লাহর সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৬নং ওয়ার্ডে ৫০ কোটি ৪২ লাখ ৯২ হাজার ৩১৯ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর ১৭নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৪ কোটি ৯৪ লাখ ১০ হাজার ৮৬০ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে কাউন্সিলর আলমগীর হোসাইনের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৭নং ওয়ার্ডে ১১ কোটি ৯৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮২ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর কবির হোসাইনের ১৮নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৭৮ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্নার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১৮নং ওয়ার্ডে ৭ কোটি ২২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর ফয়সাল মোহাম্মদ সাগরের ১৯নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে কোন ধরনের উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের কাজ হয়নি। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২নং ওয়ার্ডে ২৭ কোটি ৬৬ লাখ ৭৮ হাজার ১০ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদের ২০নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৪ কোটি ৭২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৩৯ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেনের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২০নং ওয়ার্ডে ২৭ কোটি ১৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬২৭ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর হান্নান সরকারের ২১নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ১৫ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ৮৭২ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২১নং ওয়ার্ডে ৩৬ কোটি ১০ লাখ ৮৪ হাজার ২ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের ২২নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ২ কোটি ৫১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৬৮ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২২নং ওয়ার্ডে ২৮ কোটি ৩৫ লাখ ৯৯ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহাম্মেদ দুলাল প্রধানের ২৩নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ১০ কোটি ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৯১১ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৩নং ওয়ার্ডে ৩৮ কোটি ৬০ লাখ ৯ হাজার ১৩ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর আফজাল হোসেনের ২৪নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ১৫ কোটি ২০ লাখ ৫১ হাজার ৪৭৫ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৪নং ওয়ার্ডে ৩৩ কোটি ৭৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর এনায়েত হোসেনের ২৫নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ১৩ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ৩২৯ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগে তার সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৫নং ওয়ার্ডে ১৬ কোটি ১৬ লাখ ৭৭ হাজার ৪০৯ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর সামসুজ্জোহার ২৬নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ১১ কোটি ৫১ লাখ ৮ হাজার ১১৮ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগের কাউন্সিলরের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৬নং ওয়ার্ডে ৭ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯০ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

কাউন্সিলর কামরুজ্জামান বাবুলের ২৭নং ওয়ার্ডে গত এক বছরে ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৫৮ হাজার ২৯২ টাকার প্রকল্পের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এর আগের কাউন্সিলরের সময়ে ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৭নং ওয়ার্ডে ১৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯৩ হাজার ২৮ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছিল।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

সংগঠন সংবাদ -এর সর্বশেষ