বন্দর উপজেলা নির্বাচনে প্রস্তুত আইন শৃংখলা বাহিনী

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:২৩ পিএম, ১৭ জুন ২০১৯ সোমবার

বন্দর উপজেলা নির্বাচনে প্রস্তুত আইন শৃংখলা বাহিনী

১৮ জুন মঙ্গলবার দেশের ১৭ টি উপজেলার সাথে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের বন্দর উপজেলা নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৫৮ হাজার ও নারী ভোটার সংখ্যা ৫৬ হাজার ২৬৪ জন। সেই সাথে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫৪ টি। এর মধ্যে ঝূকিপূর্ণ হিসেবে ৪০ টি কেন্দ্র এবং সাধারণ হিসেবে ১৪ টি কেন্দ্র ধরা হয়েছে। আর এই নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রস্তুত রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। তারা ইতোমধ্যে সকল রকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

সূত্র বলছে, এবারই প্রথম দলীয় প্রতিকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে উপজেলা নির্বাচন। চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে প্রার্থী নির্ধারিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় উপজেলা নির্বাচনের লক্ষ্যে গত ৯ মে ৫ম ধাপের উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। সেই তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল গত ২১ মে, যাচাই-বাছাই ছিল গত ২৩ মে, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গত ৩০ মে এবং প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে গত ৩১ মে। আর ওই দিন থেকেই প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে এবারের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে গেছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এম এ রশিদ। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টি নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু উড়োজাহাজ, আকতার হোসেন বই, নুরুজ্জামান তালা, হাফেজ পারভেজ হাসান চশমা ও শহীদুল ইসলাম জুয়েল টিউবওয়েল প্রতীক পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

এদিকে নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান নারী ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আকতার কলস, সালিমা হোসেন শান্তা ফুটবল ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী নুরুন্নাহার সন্ধ্যা হাঁস প্রতীক পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। যাদেরকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বন্দর উপজেলা নির্বাচন। সেই সাথে সংশ্লিষ্ট আইন শৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে বন্দর উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু করা জন্য। ইতোমধ্যে তাদের মধ্যে কয়েক দফা মিটিংও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ডিআইও (২) মোঃ সাজ্জাদ রোমন জানিয়েছেন, বন্দর উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ইউনিয়নে ২টি করে এবং কলাগাছিয়া ইউনিয়নে ৩টি মোট ১১টি মোবাইল পুলিশ টিম থাকবে। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশ পর্যাপ্তহারে থাকবে। স্ট্যাইকিং পার্টি থাকবে ২টি এবং নির্বাহী ম্যাজিষষ্ট্রেট থাকবে। সেই সাথে নির্বাচন উপলক্ষ্য সদরে একটি স্ট্যান্ডবাই রাইটফারমেশনে মুভমেন্টে থাকবে। পুলিশ, আনসার ও প্রাম পুলিশ সহ মোট ১ হাজার ৮৯ জন আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে। আর সকল বিষয়ে সার্বক্ষর্ণিক তদারকি করবেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ।



নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও