র‌্যাবের অভিযানের পরেও বন্দরে চোরাই তেলের ব্যবসা থেমে নেই

বন্দর করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:২১ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০১৯ শনিবার

র‌্যাবের অভিযানের পরেও বন্দরে চোরাই তেলের ব্যবসা থেমে নেই

মেসার্স রিফাত এন্টারপ্রাইজের মালিক আব্দুল বারেক মিয়ার চোরাই তেলের ব্যবসা থেমে নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি বন্দরের একরামাপুর ইস্পাহানী এলাকায় নারায়ণগঞ্জ র‌্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে তার দখল থেকে ৩৪টি ড্রামে ৬,৮০০ লিটার চোরাই পামওয়েল চোরাই কাজে ব্যবহৃত ১২টি খালি ড্রাম, ১টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার ও ১টি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করে। ওই সময় র‌্যাব-১১ তেল চুরির সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ১১ জনকে গ্রেপ্তার আদালতে প্রেরণ করে।

আসামীরা বেশ কিছু দিন জেল হাজতে থাকার কারণে কিছু দিন চোরাই তেলের ব্যবসা বন্ধ থাকে। পরে তারা জামিনে এসে পুনরায় চোরাই তেলের ব্যবসা আবারও জমে উঠে বলে এলাকাবাসী এ কথা জানিয়েছে। আব্দুল বারেকের চোরাই তেলের ব্যবসার কারণে প্রকৃত তেল ব্যবসায়ীরা পরেছে বিপাকে।

এ ব্যাপারে প্রকৃত তেল ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের জানান, আব্দুল বারেক মিয়া চোরাই তেলের ব্যবসার কারনে আমরা প্রকৃত ব্যবসাীরা চরম লোকসানে পরেছি। সে চোরাইকৃত তেল বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করার কারনে আমাদের তেলের ব্যবসায় ভাটা পরেছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মেসার্স রিফাত এন্টারপ্রাইজের মালিক আব্দুল বারেক মিয়ার নির্দেশে চলমান জাহাজ হতে সুকৌশলে দীর্ঘদিন যাবৎ পাম ওয়েল সহ অন্যান্য তেল চুরি করে ওই তেলের সাথে ভেজাল তেল মিশ্রিত করে অবাধে শহরের ও ঢাকা বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করে আসছে। নারায়নগঞ্জ র‌্যাব-১১ অভিযানের পর কিছু দিন চোরাই তেলের ব্যবসা বন্ধ ছিল। তার লোকজনরা জামিনে আসার পর থেকে আবারও চোরাই তেলের ব্যবসা জমে উঠেছে। আব্দুল বারেক মিয়া স্থানীয় প্রভাব শালী লোকদের সাথে উঠাবসার কারনে তার বিরুদ্ধ আঙ্গুল তুলতে সাহস পায়নি কেউ।

অভিযুক্ত মেসার্স রিফাত এন্টারপ্রাইজের মালিক আব্দুল বারেক মিয়া বলেন, আমার এখন তেলের ব্যবসা এখন বন্ধ আছে। যে যা বলেছে মিথ্যা বলেছে।

বন্দর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কোন অপরাধী অপরাধ করে পার পাবেনা। সে যত বড় শক্তিশালী হোক আমরা তাকে কঠোর হাতে দমন করব।



নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও