বন্দরে আহত স্কুল ছাত্রের চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তায় বিএম ৯৫ ব্যাচ

বন্দর করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:০০ পিএম, ২৯ অক্টোবর ২০১৮ সোমবার

বন্দরে আহত স্কুল ছাত্রের চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তায় বিএম ৯৫ ব্যাচ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের বিএম ইউনিয়ন স্কুলের ছাদ থেকে শিক্ষার্থী সিফাতের মাথায় একটি বেঞ্চ পড়ে গেলে গুরুতর আহত হয়। তার চিকিৎসার জন্য ৪৭ হাজার টাকার অর্থ সহায়তা দিয়েছে বিএম ৯৫ ব্যাচ।  ২৯ অক্টোবর সোমবার বন্দরে আহত স্কুল ছাত্রের পরিবারের হাতে এ অর্থ তুলে দেন বিএম ৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ কবির উদ্দিন রানা, মোঃ হাবিব করিম ফয়সাল, অ্যাডভোকেট মোঃ শরিফুল ইসলাম শিপলু, রাশিদুল ভূইয়া, আবু সায়েম মামুন, সোয়েব মোঃ লিটন, ফয়েজ আহমেদ, শেখ কামাল হোসেন, আবু সাদাত জাহান জয়, মোঃ মাহবুব রহমান, সগির আহমেদ ডালিম,আবদুর রউফ অন্তু, অবু সাইদ সেলিম, তানভীর আহমেদ পাপ্পু, মুনির চৌধুরী, রিজভী হাসান, মোঃ সোহেল, মোঃ আব্দুল জলিল, মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ আবদুল বাকী, মোঃ আল-মাসুদ শ্যামল, মোঃ মাসুদ ভূইয়া, মোঃ লেলিন, মোঃ মাসুদ, মোঃ হানিফ, মোঃ খসরু, মোঃ জহিরুল, বিকাশ, মোঃ আরিফুজ্জামান বাবু মোঃ সুমন, মোঃ সোহেল, মোঃ আলাউদ্দিন ভূইয়া, মোঃ আকরাম, মোঃ দিপু, মোঃ আক্তার, মোঃ কবির, মোঃ হুমায়ুর মোল্লা, মোঃ আনোয়ার, মোঃ টিপু, মোঃ শাহআলম, প্রতিক সালমান প্রমুখ। সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বি এম ৯৫ এর প্রবাশী বন্ধু মুহাম্মাদ শামিম ও গোলাম মোরশেদ রতন।

জানা গেছে, গত ৬ অক্টোবর শনিবার দুপুরে টেস্ট পরীক্ষা দিতে গেলে বিদ্যালয়ের পূর্ব দক্ষিণের কোরে প্রশ্রাব করতে যাওয়ার সময় ভবনের ছাদ হতে একটি বেঞ্চ তার মাথায় পড়ে। ঘটনাস্থলেই প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় তার।

তাৎক্ষনিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিফাতউল্লার পিতার হাতে ১০ হাজার টাকা ও এম্বোলেন্স করে ঢাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেয়। সিফাতউল্লার মাথার বাটি ফেটে গিয়ে কয়েকটি রগ কেটে গেছে বলেই তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় ঢামেকে আইসিউতে ভর্তি করা হয়। সিফাতউল্লাহ ১৭ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মূমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে আহত ছাত্র সিফাতউল্লার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তার পিতা ফার্নিচার মিস্ত্রি হযরত মিয়া ।

সিফাতউল্লার চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্ররা চাঁদা তুলে তার পিতার হাতে আরও ৬৩ হাজার ২৫০ টাকা সহায়তা করেছেন বলে বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল গনি জানান।

সিফাতউল্লার পিতা হযরত আলী বলেন, স্কুল থেকে দেয়া ৭৩ হাজার ২৫০ টাকা ছাড়াও আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে ৬০-৬৫ হাজার টাকা হাওলাত করে এখন আর কোন দিশা পাচ্ছিনা। প্রতিদিন তার পেছনে ৬-৭ হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে যা আমার পক্ষে সম্ভব না। ২ ছেলে ও ১ মেয়ের মধ্যে সিফাতউল্লা বড়। কাঠের ফার্নিচারের কাজ করে কোনমতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। সাহায্য ছাড়া আমার ছেলের চিকিৎসা বরা সম্ভব না। তাই আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ জানাই। সাহায্য পাঠানোর জন্য ০১৮৮১১০৭২৪৬ (বিকাশ) সিফাতউল্লাহ।



নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও