৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, শুক্রবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ , ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

অবশেষে বিএনপির শাহআলমের সঙ্গে সরকার দলের গোপন আঁতাত ফাঁস


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:৫৯ পিএম, ১ ডিসেম্বর ২০১৭ শুক্রবার | আপডেট: ১১:১৯ পিএম, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭ রবিবার


অবশেষে বিএনপির শাহআলমের সঙ্গে সরকার দলের গোপন আঁতাত ফাঁস

অবশেষে সরকার দলের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও অনেক নেতার তদারক হিসেবে পরিচিতি পাওয়া শিল্পপতি শাহআলমের গোপন আঁতাতের খবর আরো পোক্ত হতে শুরু করেছে। পুলিশের দায়ের করা একটি বিস্ফোরক মামলায় চার্জশীট থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। যদিও একই মামলায় অভিযুক্ত আছেন সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন যাঁর সঙ্গে মনোনয়ন নিয়ে মারাত্মক বিরোধীতা রয়েছে।

৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ আদালতে ওই বিস্ফোরক মামলার চার্জশীট আদালতে জমা দেয় পুলিশ। অথচ মামলার বাদীও হলেন পুলিশ।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানান, গত কয়েক বছর ধরেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন আঁতাত করে রাজনীতি করে আসছেন শাহআলম। শিল্পপতি এ নেতার তকমায় গত ১০ অক্টোবর সোনারগাঁয়ের একটি বিস্ফোরক মামলা ছাড়া আর কোন তিলক নাই। যদিও মামলার পরেই প্রশ্ন উঠে নির্বাচনের আগে নিজেকে জাহির করতেই প্রশাসনের সঙ্গে আঁতাত করেই মামলাটি দায়ের করা হয়। সবশেষ চার্জশীটে শাহআলমকে চার্জশীট থেকে অব্যাহতির আবেদনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

বিএনপির একাধিক নেতা জানান, ১০ অক্টোবরের ঘটনার ৯দিন পর ১৯ অক্টোবর ফতুল্লার দেলপাড়া মাঠে ডিএনডির মেগা প্রকল্পের উদ্বোধনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে আয়োজিত সমাবেশে শাহআলমের আস্থাভাজন ও একনিষ্ট নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আজাদ বিশ্বাস বলেন, আমার নেতা শামীম ওসমানের হাত দিয়ে স্মরণকালের সেরা কাজ আমার উপজেলায় হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সকল রাস্তাঘাট শামীম ওসমানের হাত ধরে পরিবর্তন হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে আর্থিক সক্ষমতা কতটা আছে আমি জানিনা কিন্ত শামীম ওসমান বলেছেন সংসদে এই জলাবদ্ধতা নিরসন না হলে আমি পদত্যাগ করবো। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তান তাই আমি বলেছি আমার উপজেলা পরিষদবাসীকে যদি কেউ এই জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে পারে তাহলে তা একমাত্র শামীম ওসমান।’

আজাদ বিশ্বাসের ওই বক্তব্যের পর যখন নারায়ণগঞ্জ শহরে তোলপাড় সৃষ্টি হয় তখনও আজাদ বিশ্বাসকেই সঙ্গে রাখেন শাহআলম। যদিও তখন গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়ে নিজেকে দায়সারার চেষ্টা করেন শাহআলম। এরই মধ্যে জেলা বিএনপির অনেক নেতাই এ নিয়ে মন্তব্য করেন প্রতিবাদ জানান। যদিও এতে কোন কর্ণপাত করেনি শাহআলম।

বিএনপির নেতারা জানান, আগে থেকেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলে আসছেন শাহআলম ও আজাদ বিশ্বাস। সেটা আবারও প্রমাণিত হলো। কারণ ১০ অক্টোবরের মামলায় একই অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন শাহআলম ও গিয়াসউদ্দিন।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ