৭ কার্তিক ১৪২৫, মঙ্গলবার ২৩ অক্টোবর ২০১৮ , ৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ

UMo

বিএনপিতে মেরুকরণ, সাখাওয়াতকে তৈমূর পন্থীদের প্রস্তাব


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:৫১ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার


বিএনপিতে মেরুকরণ, সাখাওয়াতকে তৈমূর পন্থীদের প্রস্তাব

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির সামনে রয়েছে বৈতরণী পার আর সংখ্যাঘরিষ্ঠতা অর্জনের সুযোগ। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে সমিতির সাবেক সভাপতি ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির একাংশের নিয়ন্ত্রক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সিদ্ধান্তের উপর। তিনি এখন দলের স্বার্থে ব্যক্তি স্বার্থকে ত্যাগ করলেই আসতে পারে বিএনপির বিজয়।

জানা গেছে, নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের মধ্যে বিভক্তি প্রকট হচ্ছে। সমিতির নির্বাচন যখন সামনে নাগাদ ঠিক তখন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় আবারো মুখোমুখি অবস্থানে তৈমূর আলম খন্দকার ও সাখাওয়াত হোসেন খান বলয়ের আইনজীবীরা।

এরিমধ্যে ২৮৭ জনের কমিটি গঠনের পর সাখাওয়াত বলয়ের আইনজীবীদের মধ্যে ফাটল দেখা দেয়ার সুযোগেই তৈমূর আলম বলয়ের আইনজীবীরা পাল্টা কমিটি গঠন করে নিজেদের অবস্থান আবারো ফিরে পেতে কাজ করে চলেছেন। তবে এর জন্য সমিতির নির্বাচনে বিএনপির ঐক্যবদ্ধতা কেমন থাকবে সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে বেশ। ১১ নভেম্বর সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর মজলুম মিলনায়তনে ফোরামের পাল্টা আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে গত ৭ জুন কেন্দ্রীয় ফোরামের সেক্রেটারি ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দীন খোকন একক স্বাক্ষরে ২৮৭ সদস্যের নারায়ণগঞ্জে ফোরামের কমিটির অনুমোদন দেন। যারা মাহাবুব উদ্দীন খোকনের কমিটিকে অবৈধ হিসেবে দাবি করেন মূলত তারাই পাল্টা কমিটি গঠন করেছেন।

তবে আইনজীবীদের একটি সূত্র জানান, ইতোমধ্যে সাখাওয়াতকে বলা হয়েছে যাতে তাদের কমিটি ভেঙে দেয়। সেই সঙ্গে তৈমূর পন্থীদেরও বলা হয়েছে তাদের কমিটিও যেনে ভেঙে দেওয়া হয়। দুটি কমিটি ভেঙে দিয়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি বোর্ড গঠন করে প্রকৃত যোগ্যদের মনোনয়ন যাতে দেওয়া হয়। আর সকল বিভেদ ভুলে যেন নির্বাচনে সবাই এক থাকে। নির্বাচনের পর সবার উপস্থিতিতে তৈমূর ও সাখাওয়াত মিলে যেন আইনজীবী ফোরামের কমিটি করে। কিন্তু দুই পক্ষের কারো কাছ থেকে এখনো কোন ধরনের মতামত কিংবা উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে নির্বাচনের আগে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ ও গ্রুপিং কতটুকু মিটবে সেটা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আরো জানাগেছে, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সমিতির নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির পর ফোরামের নেতাদের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি হয়। নির্বাচনের পরে ফোরামের মিটিং এ সভাপতি হুমায়ুন কবির কমিটির সেক্রেটারি ভাষানীকে বহিস্কার ঘোষণা করেন। ওই সভায় ভাষানীও সরকার হুমায়ুনকে বহিষ্কার করে ঘোষণা করেন। সভায় বেগতিক দেখে সরকার হুমায়ুন কবির ফোরামই বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। যদিও এটা ফোরামের গঠনতন্ত্রে নেই বলে দাবি করেছিলেন আইনজীবীরা। পরবর্তীতে গত ৭ জুন ২৮৭ জনের লম্বা কমিটি গঠন করে এককভাবে কেন্দ্রীয় ফোরামের সেক্রেটারি মাহাবুব উদ্দীন খোকন।

rabbhaban

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ