৮ আষাঢ় ১৪২৫, শুক্রবার ২২ জুন ২০১৮ , ৯:২১ অপরাহ্ণ

‘হাইব্রীড’ আওয়ামীলীগ নেতা মতি ও সায়েমের উত্থান বিএনপিতে


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:১০ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০১৮ শুক্রবার | আপডেট: ০৮:৩৩ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ রবিবার


‘হাইব্রীড’ আওয়ামীলীগ নেতা মতি ও সায়েমের উত্থান বিএনপিতে

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নে কথিত আওয়ামীলীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি ও ভূমিদস্যু সায়েম ওরফে নূরা মিয়ার উত্থান বিএনপির রাজনীতি থেকেই বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। দুই বছর আগে একজন শীর্ষস্থানীয় জনপ্রতিনিধির আশির্বাদে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মতিউর রহমান মতি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তাকে এর আগে কখনোই আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে দেখেনি এলাকাবাসী। বরং নব্বইর দশকের মাঝামাঝিতে ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আলীরটেকে মতি নির্বাচন করেছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি কমান্ডার সিরাজুল ইসলামের পক্ষে। ওই নির্বাচনে কমান্ডার সিরাজুল ইসলামের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এমপি শামীম ওসমান।

তৎকালে আলীরটেক ইউনিয়ন ছিল নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আওতাধীন। অপরদিকে ভূমিদস্যু সায়েম ওরফে নূরা মিয়া এলাকায় নিজেকে আওয়ামীলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে বেড়ালেও শহরে সে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। একজন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার অনুগামী হিসেবে বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীতে তাকে দেখা গেছে বলেও জানিয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। আর আলীরটেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে উড়ে এসে জুড়ে বসা ওই দুই নেতাকে হাইব্রীড নেতা বলেও এর আগে সম্বোধন করেছেন আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নে মতিউর রহমান মতি যখন ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তখন তাকে সবাই চিনতো বিএনপি সমর্থক হিসেবেই। ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন সাবেক এমপি কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম। ওই আসনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন বর্তমান এমপি শামীম ওসমান। ওই নির্বাচনে একজন শিল্পপতির নির্দেশে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কমান্ডার সিরাজুল ইসলামের পক্ষে কাজ করেছিলেন মতিউর রহমান মতি। পরে ম্যানেজে পটু মতি শামীম ওসমানকে ম্যানেজ করে ফেলেন। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসলে মতির বিরুদ্ধে অনাস্থা দিয়েছিল মেম্বাররা। পরে ওই শিল্পপতিকে দিয়ে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিনকে ম্যানেজ করে আবারো বিএনপি সমর্থক বনে যান মতি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসলে জাতীয় পার্টির এমপি নাসিম ওসমানকে ম্যানেজ করেন মতি। তবে ম্যানেজ পটু মতিকে আওয়ামীলীগ কিংবা বিএনপির রাজনীতিতে কখনোই সক্রিয় দেখা যায়নি। আলীরটেকে দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে ইউপি চেয়ারম্যান থাকলেও উল্লেখযোগ্য তেমন কেন উন্নয়ন করেননি মতি এমন অভিযোগ ছিল এলাকাবাসীর। যেকারণে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটে মতিউর রহমান মতির। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এদিকে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে কখনোই সক্রিয় না থাকলেও একজন প্রভাবশালী শীর্ষস্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে ভগ্নিপতি সম্বোধন করে ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মতি।

এদিকে জীবনে কখনো স্কুলে না পড়া আলীরটেক ইউনিয়নের কুড়েরপাড় এলাকার ভূমিদস্যু সায়েম আহমেদ ওরফে নূরা মিয়া ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ে আলীরটেক ইউনিয়ন জুড়ে পোষ্টার সাটিয়েছিল। ভূমিদস্যুতা করে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া সায়েম ওরফে নূরা মিয়াও কখনো আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলনা। মূলত সায়েম ওরফে নূরা মিয়া এর আগে বিএনপির রাজনীতিতেই সম্পৃক্ত ছিল। তার কোন পদপদবী না থাকলেও শহরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে প্রায়শই দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে জেলা সেচ্ছাসেবক দলের এক যুগ্ম আহবায়কের সঙ্গে তাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা গেছে বলে জানান তারা। তবে শহরে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির হলেও আলীরটেক ইউনিয়নে নিজের ভূমিদস্যুতা ও আধিপত্যকে বজায় রাখতে এলাকায় গিয়ে নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতা বলে পরিচয় দিত সায়েম। নূরা মিয়া থেকে নাম পাল্টে সায়েম আহমেদ পরিচয়ে শহরের বাবুরাইল এলাকার এক প্রভাবশালী পরিবারে বিয়ে করেছিল সায়েম। ওই প্রভাবশালী পরিবারের এক সদস্য আবার বিগত দিনে প্যানেল মেয়র ছিল যিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। যিনি সম্পর্কে সায়েমের সৎ চাচা শ্বশুর হন। তার পরিচয় ব্যবহার করে সায়েম নিজেকে আওয়ামীলীগের নেতা পরিচয় দিয়ে আলীরটেকে গিয়ে ভূমিদস্যুতা করতো বলে অভিযোগ রয়েছে। সায়েম নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে অপকর্ম করে বেড়ানোয় তার বিরুদ্ধে এর আগে জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের কাছে একাধিক অভিযোগও দিয়েছিল তৃনমূলের নেতাকর্মীরা। যদিও রহস্যজনক কারণে ওইসকল অভিযোগ আমলে নেয়নি শীর্ষ নেতারা।

উল্লেখ্য সায়েমের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় গত ২৪ এপ্রিল চাঁদাবাজী, মারামারি, হত্যার উদ্দেশ্যে গুম সহ বিভিন্ন অভিযোগে একটি মামলা হয়। মামলা নং ৬১। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় ২০১৩ সালের ২০ জুন আরো একটি মামলা হয় যেখানে তার বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজীর অভিযোগ আনা হয়েছিল। মামলা নং-২৬। মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় চাঁদাবাজী, হত্যার চেষ্টা, মারধর, চাঁদা আদায় সহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৯ জুন একটি মামলা হয়। মামলা নং -৭৬। এছাড়াও  সায়েমের বিরুদ্ধে আরো বেশ কিছু মামলা রয়েছে এবং একটি মামলায় সে দীর্ঘদিন জেলও খেটেছে। কয়েক বছর আগে কুড়েরপাড়ে ধলেশ্বরীর শাখা নদীর তীরে ভুয়া দলিল ওয়ারিশনামা বানিয়ে নিরীহ অর্ধশতাধিক মানুষের কয়েকশ’ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে সায়েম। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী, হত্যার চেষ্টা, গুমসহ নানাবিধ অভিযোগে অসংখ্য মামলা থাকলেও প্রভাবশালী ওই পরিবারের বদৌলতেই সকল অপকর্ম থেকে রক্ষা পেয়েছে সায়েম।

এদিকে নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে ভূমিদস্যুতা করে বেড়ানো সায়েম আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধনকৃত বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কাজ আটকে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ৩ মে তার সরকারী বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেছিলেন সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের কুঁড়েরপাড়ে ধলেশ্বরীর শাখা নদীর তীরে অবস্থিত বেসরকারী উদ্যোগে নির্মিত ৩৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সিনহা পিপলস এনার্জি লিমিটেড নামের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটির। ১০ মে সিনহা পিপলস এনার্জি লিমিটেড এর সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) শাহাবুদ্দিন আহমেদ নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত এক জিডিতে (নং-৪১৪) অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব জেটির সামনে সায়েম, কাশেম, শাহ আলম, মোঃ আলী গত ৭ মে খালি বার্জ ও লাইটারেজ জাহাজ নোঙ্গর করে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যাতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিজস্ব কোনো জাহাজ জেটিতে ভিড়তে না পারে। সন্ত্রাসীরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানী তেল সরবরাহে বাধা দিচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানী তের সরবরাহে বিঘœ ঘটেছে এবং স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রাণনাশেরও হুমকি দিচ্ছে। সিনহা পিপলস এনার্জির নির্বাহী পরিচালক মামুন হায়দার ওইসময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, সায়েম প্রথমে নিজের জমি দাবী করে সেসব কোম্পানীর কাছে বেঁচতে চায়, পরে কোম্পানী খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ভয়ভীতি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কম দামে জমি বায়না করে পরে কয়েকগুন বেশী টাকা নিয়ে কোম্পানীর নামে রেজিষ্ট্রি করে দিচ্ছে। গ্রামের সহজ সরল মানুষ সায়েমের এই প্রতারণা ধরতে পেরে একপর্যায়ে সরাসরি কোম্পানীর কাছে রেজিষ্ট্রির মাধ্যমে জমি বিক্রী করে।

এদিকে নব্য আওয়ামীলীগ নেতা সায়েমকে এর আগে সিনহার কাছ থেকে বকেয়া আদায়ে সহযোগিতা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি।

এদিকে নিউজ নারায়ণগঞ্জের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে মহা প্রতারক বকলম সায়েম আহমেদ ওরফে নূরা মিয়ার মহাপ্রতারণা ও ভূমিদস্যুতার চাঞ্চল্যকর তথ্য। কুড়েরপাড় এলাকার ফালান মিয়ার পুত্র সায়েম আহমেদকে এক যুগ পূর্বেও এলাকার লোকজন চিনতো নুরু মিয়া ওরফে নূরা মিয়া নামে। আলীরটেকে নিজেকে আওয়ামীলীগ নেতা পরিচয় দিলেও শহরে সে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিল। আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চার বারের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতিও স্বীকার করেছেন তিনি সায়েমকে নূরা মিয়া নামেই চিনতেন। তবে শহরের বাবুরাইল এলাকার প্রভাবশালী পরিবারের এক মেয়েকে বিয়ে করার পরে নাম পাল্টে বনে যায় সায়েম। এরপর আলীরটেক, গোগনগর, কাশীপুর ইউনিয়নে জমির দালালী ও জমি দখল করে গত এক যুগে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই সায়েম। ভুয়া দলিল ওয়ারিশনামা বানিয়ে নিরীহ মানুষের জমি দখল করে চড়া মূল্যে অন্যের কাছে বিক্রী করাই তার প্রধান ব্যবসা।

এদিকে এর আগে তৃনমূল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা জানিয়েছিলেন, দল ক্ষমতায় থাকলেও নব্য এসকল হাইব্রীড আওয়ামীলীগ নেতাদের দাপটে কোনঠাসা অবস্থায় রয়েছেন আলীরটেক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে স্থানীয় এমপি জাতীয় পার্টির টিকেটে নির্বাচিত হওয়ায় তৃনমূল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদেরকে চেনেন না বলেই চলে। এমপির কাছে তাদের মূল্যায়নও নেই। এমপি চেনেন শুধু নব্য আওয়ামীলীগ নেতা ও চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতিকে। আর এ সুযোগে মতিউর রহমান মতিও তার অনুগামীদের দিয়ে বিভিন্ন সেক্টর নিজেদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নিয়েছেন। অপরদিকে সায়েম আহমদকেও বিগত দিনে আওয়ামীলীগ দলীয় কোন কর্মকান্ডে দেখা না গেলেও আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে তিনি হঠাৎ করেই আওয়ামীলীগ নেতা বনে যান। যদিও এর আগে তাকে বিএনপির কর্মসূচীতে দেখা গেছে বলে দাবি আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের। বিশেষ করে আলীরটেকের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের কাছ থেকে কমমূল্যে জমি বায়না করে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা ছাড়া বিভিন্ন অনৈতিক অভিযোগ রয়েছে সায়েম আহমদের বিরুদ্ধে। অর্থের দাপটে স্থানীয় কিছু আওয়ামীলীগ নেতাদের নিজের বশে এনে দাপট দেখাচ্ছেন সায়েম আহমদও। তার তাকে এ কাজে সহযোগিতা করেছেন নব্য আওয়ামীলীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান মতি।

এ বিষয়ে আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী নুরুজ্জামান সরকার জানান, গুটিকয়েক হাইব্রীড নেতাদের দাপটে তৃনমূলের আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা কোনঠাসা রয়েছেন। বিশেষ করে স্থানীয় এমপি জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হওয়ায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা অবমূল্যায়িত হচ্ছেন।

সদর থানা আওয়ামীলীগের নেতা সওদাগর খান বলেন, নব্য হাইব্রীড নেতাদের দাপট শুধু আলীরটেকেই নয় জেলার সর্বত্রই রয়েছে। তাদের কারণে মাঠ পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা অবমূল্যায়িত হচ্ছেন। আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি ও সায়েম আহমদ আওয়ামীলীগের কোন পদে নেই। যারা আওয়ামীলীগের কোন পদে না থেকেও আওয়ামীলীগের নেতা পরিচয় দিচ্ছেন এ ধরনের কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ