৮ আশ্বিন ১৪২৫, রবিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , ৯:০৩ অপরাহ্ণ

বাঘের ঘরে বাঘ জন্ম নেয়, বিড়ালের পার্থক্য বুঝতে হবে : শামীম ওসমান


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৬:০২ পিএম, ২৭ জানুয়ারি ২০১৮ শনিবার


বাঘের ঘরে বাঘ জন্ম নেয়, বিড়ালের পার্থক্য বুঝতে হবে : শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসরের এমপি শামীম ওসমান বলেন, ‘যাদের নামে অভিযোগ হয়েছে তাদের ধরা তো দূরের কথা মাথার চুলও ছুতে চায় তাহলে আগুন ধরিয়ে দিব। যারা আপনার নির্বাচনে দিনরাত পরিশ্রম করে লাখ লাখ টাকা খরচ করেছে পরীক্ষিত সেসব নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। যারা বিগত বিএনপি সরকারের আমলে ৫০টা মামলা খেয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে এখন ‘হুদামিছা’ অভিযোগ করেছেন সেগুলো প্রত্যাহার করেন। বাঘ আর বিড়ালের পার্থক্য বুঝতে হবে। বাঘের ঘরে বাঘের জন্ম হয়। আমি শামীম ওসমান তো পরে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে তারাও যদি ডাক দেয় এক লাখ লোক জমায়েত কোন ব্যাপার না।

২৭ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ওসমানী স্টেডিয়ামে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগি সংগঠন, জনপ্রতিনিধিদের প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রসঙ্গত গত ২৩ জানুয়ারী সিটি মেয়র আইভীকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনে সিটি করপোরেশনের একজন আইন কর্মকর্তা সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগে প্রধান বিবাদী করা হয়েছে ঘটনার দিন অস্ত্র বের করা নিয়াজুল ইসলামকে। এছাড়া অভিযুক্ত অন্যরা হলো অস্ত্র প্রদর্শন করা মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, ঘটনাস্থলে থাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারী মিজানুর রহমান সুজন, যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, আওয়ামীলীগ নেতা নাছির উদ্দিন ও চঞ্চল মাহমুদ।

বাঘ আর বিড়ালের পার্থক্য বুঝতে হবে : বাঘের মুখের সামনে হাত নাড়বেন না
আইভীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি আইভীকে বলবো অন্যদেরও বলবো। যদি ভুল করে থাকেন স্বীকার করেন সংশোধন হন। যদি জামায়াত বিএনপি দ্বারা ভুল পথে পট পরিবর্তন করে থাকেন সেটাও আলোচনায় বসে স্বীকার করে শেষ করেন। বিএনপির কাউন্সিলর নিয়ে ঘুরবেন, রাজাকারের ছেলের কথায় ভিন্ন পথে চলবেন সেটা কইরেন না। যারা আপনার নির্বাচনে দিনরাত পরিশ্রম করে লাখ লাখ টাকা খরচ করেছে পরীক্ষিত সেসব নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। যারা বিগত বিএনপি সরকারের আমলে ৫০টা মামলা খেয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে এখন ‘হুদামিছা’ অভিযোগ করেছেন সেগুলো প্রত্যাহার করেন। বাঘ আর বিড়ালের পার্থক্য বুঝতে হবে। বাঘের ঘরে বাঘের জন্ম হয়। বাঘের মুখের সামনে হাত নাড়বেন না। আমি শামীম ওসমান তো পরে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে তারাও যদি ডাক দেয় এক লাখ লোক জমায়েত কোন ব্যাপার না। তখন কিন্তু সামলাতে পারবো না।’

সমাবেশ
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ শহরের দুই নং রেল গেটস্থ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে বৃহৎ সমাবেশে ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান।

তিনি বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ ছিল আছে ও থাকবে। এখানে অন্য কেউ কর্তৃত্ব দেখাতে পারবে না। যারা স্বপ্ন দেখছেন আগামীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে না তারা বোকা। আগামীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে এবং শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে। এজনই আমাদের লড়াই। সেজন্যই ঐক্যবদ্ধতা প্রমাণে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারী শহরের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে বৃহৎ সমাবেশ করা হবে। সেখানে আমি সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই, মহানগরের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সেক্রেটারী খোকন সাহা সহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের সবাইকে দাওয়াত দিলাম।

প্রধানমন্ত্রীর বুকটা যেন ভরে যায়
তিনি বলেন এমন সমাবেশ করতে চাই যে দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বুকটা ভরে যায়। তাই আসেন একত্রে বসি দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখি। গ্রুপিং করতে চাইলে নির্বাচনের পরে করেন। আগে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনেন। যারা আওয়ামী লীগ করে তাদের সঙ্গে আমার কোন বিভেদ থাকবে না। আমাদের দলের সেক্রেটারীর মতে অনেক হাইব্রিড ঢুকে গেছে। নারায়ণগঞ্জে তাদের স্থান হবে না যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমান না
তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ বিএনপি জামায়াত সমান। কিন্তু আমি বলবো আওয়ামী লীগের সমান কেউ হতে পারে না। যে জামায়াত বিএনপি বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করে অন্তত তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ কখনো এক হতে পারে না। যারা বিএনপি ও জামায়াতকে খুশী করে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করতে চান তাদের মনে রাখতে হবে এক সময়ে তারাই আপনাকে ছোবল দিবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক কথা বলার ছিল। কিন্তু মাইকে বলতে পারলাম না। যদি কেউ মনে করেন সমাবেশটি হবে নরমাল তাহলে সেটা যথার্থ না। সে কারণেই ৩ তারিখের সমাবেশে আমাদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।’

গডফাদার তকমার কারণ বললেন শামীম ওসমান
শামীম ওসমান নিজের উপর বিগত দিনে লাগা ‘গডফাদার’ তকমা প্রসঙ্গে বলেন, ‘পতিতাপল্লী উচ্ছেদ করে আমি সুশীলদের দুশমন হয়েছি কারণ সেখান থেকে তারা টাকা পেত। আর নারায়ণগঞ্জে গোলাম আজমকে নিষিদ্ধ ও লং মার্চ আটকে হয়েছি গডফাদার। অথচ লং মার্চের আগে আমার নামে কোন অভিযোগ ছিল না।’

শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি গরীব মানুষের জন্য। যা বলেছি সঠিক বলেছি। এর আগে আমার নেত্রী শেখ হাসিনা একনেকের বৈঠকে বলেছেন, পুনর্বাসনের আগে কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না। আর আমি সর্বদা বলেছি ফুটপাতে হকারদের বিপক্ষে আমি। কিন্তু আমি বলেছিলাম ২ মাস আগে নোটিশ দেন যাতে তাদের পুঁজি উদ্ধার করতে পারে।’

জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে আইভীকে মাঠে থাকার আহবান শামীম ওসমানের
‘আগামীতে নারায়ণগঞ্জে বিএনপি জামায়াত নাশকতার পরিকল্পনা করছে। ওরা ওদের সর্বশক্তি নিয়োগ করবে। তারা চায় লিংক রোড, সাইনবোর্ড, কাঁচপুর দখল করতে। কারণ এসব দখল করতে পারলে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট বন্ধ হয়ে যাবে। তারা চায় আমাকে ঘায়েল করতে। কারণ আমাকে ঘায়েল করতে পারলে তারা সফলকাম হবে। কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে এটা নারায়ণগঞ্জ। এখানে আওয়ামীলীগের জন্ম। এখান আওয়ামী লীগ ছাড়াই কেউ টিকতে পারবে না।’ বক্তব্যে যোগ করেন শামীম ওসমান।

সব দোষ স্বীকার করে নিব
শামীম ওসমান বলেন, ‘আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসনের দুর্নীতির মামলার রায় ঘোষণা হবে। বিএনপি ধরেই নিয়েছে তাদের ‘চোরের নেত্রীর’ কিছু একটা হবে। তখন কিন্তু জামায়াত বিএনপি সবাই নামবে। আস্তে আস্তে নামবে তারা। আগামী জুন জুলাইতে দেশে অনেক অঘটন ঘটবে। কিন্তু আশা করি কিছুই করতে পারবে না। আমি বিশ্বাস করি সিটি করপোরেশনের মেয়র আইভীও এসব প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে। তিনি যদি থাকে তাহলে আমার সঙ্গে কোন বিরোধ থাকবে না। তখন আমি সব দোষ স্বীকার করে নিব। কিন্তু মাঠে থাকবেন না আর আওয়ামী লীগের পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন সেটা হবে না।’

সিটির মালিক জনগণ
গত ২৩ জানুয়ারী হাসপাতাল থেকে বাসার ফেরার সময়ে সিটি মেয়র আইভী বলেছিলেন, আই অ্যাম এ লিডার আই অ্যাম এ ফাইটার। আমি সিটি লিডার। আমার সিটিতে সব নাগরিক থাকবে। আওয়ামী লীগ আসবে, বিএনপি আসবে। এটা সব নাগরিকের অধিকার। যেহেতু আমি একজন মেয়র, সিটি করপোরেশন পরিচালনা করি। আমার সিটির দায়দায়িত্ব আমার। আমার সিটির ভেতরে এসে কেউ এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে কমান্ড করবে, সেটা নগরবাসী মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও মেনে নেবে না। নগর কীভাবে চলবে, সেই সিদ্ধন্ত নগরবাসী নেবে।’

ওই বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে শামীম ওসমান বলেন, ‘কেউ কেউ বলে এ সিটির মালিক তিনি। আমি বলবো এ সিটির মালিক জনগণ। শুধু সিটি না পুরো দেশের মানুষ জনগণ। যদি মানুষের জন্য জনগণের জন্য বরিশাল গিয়েও কথা বলতে হয় বলবো। অনেকে বলেন আমি ফ্যাক্টর। কিন্তু মনে রাখতে হবে জনগণ ছাড়া কেউ ফ্যাক্টর না।’

মাথার চুলের আগা ধরলে আগুন ধরিয়ে দিব
গত ২৩ জানুয়ারী সিটি মেয়র আইভীকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ এনে সিটি করপোরেশনের একজন আইন কর্মকর্তা সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে প্রধান বিবাদী করা হয়েছে ঘটনার দিন অস্ত্র বের করা নিয়াজুল ইসলামকে। এছাড়া অভিযুক্ত অন্যরা হলো অস্ত্র প্রদর্শন করা মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, ঘটনাস্থলে থাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারী মিজানুর রহমান সুজন, যুবলীগ নেতা জানে আলম বিপ্লব, আওয়ামীলীগ নেতা নাছির উদ্দিন ও চঞ্চল মাহমুদ।

অভিযোগ প্রসঙ্গে টেনে শামীম ওসমান বলেন, ‘যাদের নামে অভিযোগ হয়েছে তাদের ধরা তো দূরের কথা মাথার চুলের আগা ধরলে আগুন ধরিয়ে দিব।

ডাবল গেম করবেন না
প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি প্রশাসনকে বলছি ডাবল গেম করবেন না। আমার ধৈর্যের বাধ ভেঙে গেছে।’

‘নিয়াজুল ‘পলাতক না অসুস্থ’ অস্ত্র উদ্ধারের নাটকের জবাব দিব’
নারায়ণগঞ্জে হকার ইস্যু নিয়ে সংঘর্ষের সময়ে অস্ত্র বের করা নিয়াজুল ‘পলাতক’ না বরং সে ‘অসুস্থ’ আছেন জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের এমপি শামীম ওসমান। গত ১৬ জানুয়ারী সংঘর্ষের পর ২৫ জানুয়ারী রাতে নিয়াজুলের সেই অস্ত্রটি শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে সাধু পৌলের গির্জার সামনের ফুলের টব থেকে উদ্ধারের পরেও পুলিশ জানায় নিয়াজুলকে তারা খুঁজে পাচ্ছেন না।

শামীম ওসমান বলেন, পত্রিকায় খবর আসে নিয়াজুল নাকি পলাতক। কিন্তু সে পলাতক না। নিয়াজুল অসুস্থ সে চিকিৎসা নিচ্ছে। যারা নিয়াজুলের উপর হামলা করেছে তাদের আগে ধরেন। নিয়াজুলকে ধরার চিন্তা কইরেন না। ফুলের টব থেকে অস্ত্র উদ্ধার দেখান এসব নাটক বন্ধ করেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার দায়িত্বরত ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, টহল পুলিশ ফুলের টবে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অস্ত্রটি উদ্ধার করে। পরে থানায় এনে পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যায় সেটা নিয়াজুলের পিস্তল। নিয়াজুলকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ইতালির তৈরি ৭ পয়েন্ট ৬ বোরের পিস্তলটির সঙ্গে ম্যাগজিন ভর্তি ১০ রাউন্ড গুলি ছিল। এটি তার লাইসেন্স করা অস্ত্র।

সংঘর্ষের ঘটনার পর মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী অভিযোগ করেন, শামীম ওসমানের ক্যাডার নিয়াজুল এ অস্ত্র নিয়েই তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। বিপরীতে শামীম ওসমান দাবী করেছিলেন, নিয়াজুলকে আইভীর সঙ্গে থাকা লোকজন নিয়াজুলকে মারধ করেছিল। ঘটনার পরদিন ১৭জানুয়ারী নিয়াজুল ইসলামের তার ছোট ভাই রিপন খানের মাধ্যমে সদর মডেল থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অস্ত্র লুটের ঘটনায় অভিযোগ দেন। পুলিশ সেটাকে জিডি হিসেবে গ্রহণ করেছিল। যে স্থানটিতে পরে অস্ত্রটি পাওয়া গেছে সেখান থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব অন্তত ১ হাজার গজ হবে।

কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বেগম বাবলি, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূইয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুজিবুর রহমান, বন্দর থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি এমএ রশিদ মিয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি সাইফউল্লাহ বাদল, জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আবুল জাহের সহ আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ