হঠাৎ করেই ফ্যাক্টর হয়ে উঠছেন তৈমূর

১ ভাদ্র ১৪২৫, শুক্রবার ১৭ আগস্ট ২০১৮ , ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ

হঠাৎ করেই ফ্যাক্টর হয়ে উঠছেন তৈমূর


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:৫২ পিএম, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০২:৫২ পিএম, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার


হঠাৎ করেই ফ্যাক্টর হয়ে উঠছেন তৈমূর

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে হঠাৎ করেই ফ্যাক্টর হয়ে উঠছেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। সবশেষ তার সাফল্যের ঝুলিতে এসেছে জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। এ নির্বাচনে ১৭ পদের মধ্যে ১১টিতে বিএনপির আইনজীবীরা জয়ী হন যার মধ্যে আবার বেশীরভাগই সরাসরি তৈমূর আলম খন্দকারের নিজস্ব লোক হিসেবেই পরিচিত। আর বাকিরাও তৈমূরকে পছন্দ করে।

আইনজীবীদের মতে, এবার তৈমূর আলম খন্দকার শুরু থেকে আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করায় শক্তিশালী প্যানেল গঠন সম্ভব হয়।

বিএনপি নেতাদের মতে, এবার জেলা বিএনপির কমিটিতে তৈমূর আলম খন্দকারের তেমন কদর দেওয়া হয়নি। কমিটিতে তাকে অবমূল্যায়িত না করা হলেও করা হয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা। জেলা কমিটিতে পদ নিয়েও তৈমূরের মতামত গ্রহণ করা হয়নি এমন অভিযোগও আছে।

অপরদিকে মহানগরের কমিটিতেও তৈমূরের অবজ্ঞা করা হয়। এসব নিয়ে যখন জেলা ও মহানগরের কমিটি তখন এ দুটি কমিটিও তেমন কোন সফলতা দেখা পারেনি। বরং নিজেদের মধ্যে কোন্দলের কারণে কমিটির বারোটা বাজার উপক্রম। দুটি কমিটি কার্যত সরকার দলের নেতাদের তোষণ আর দেয়াল আবদ্ধ কক্ষে কর্মসূচী পালন করতে গিয়ে বিএনপিকে নাজুক অবস্থায় ফেলে দিয়েছে।

এবার আইনজীবী সমিতি নির্বাচনেও বিএনপির জেলা ও মহানগরের নেতারা আদালতপাড়ায় ঢু মেরে প্যানেল নিয়ে অনেক কলকাঠি আর সভা করলেও শেষতক ব্যর্থ হয়। পরে তৈমূরের উপর দায়িত্ব পড়ে প্যানেল গঠনে। শেষ পর্যন্ত তৈমূর আলম খন্দকার ও মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান সহ অন্যদের সমন্বয়ে গড়া প্যানেলই ছিনিয়ে আনে ১১ পদের জয়। নির্বাচনের শুরু থেকে অভিভাবকের দায়িত্বটুকু পালন করে যান তৈমূর আলম খন্দকার। আর আদালতপাড়ায় নিয়মিত প্রচারণার তদারকি করেন সাখাওয়াত হোসেন খান। ছুটির দিনেও তিনি বিভিন্ন এলাকাতে যান ভোট প্রার্থনা করেন। এর মধ্যে ২৩ জানুয়ারী তৈমূর যখন বিএনপির সকল আইনজীবীদের নিয়ে আদালতপাড়াতে প্রচারণা করতে যান সেদিন পুলিশ সবার সামনে থেকে টেনে হিচড়ে গ্রেপ্তার করেন। সেদিন সাখাওয়াত সহ অন্যরা কড়া প্রতিবাদ ও ধস্তাধস্তি করেন। কিন্তু এর পর জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের আর আদালতপাড়াতে দেখা যায়নি। বিপরীতে আওয়ামী লীগের এমপি থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতারা প্রতিনিয়িত আদালতপাড়াতে গেছেন।

সভাপতি ও সেক্রেটারী পদে ভোটের ব্যবধানও খুব বেশী ছিল না। বিএনপির নেতারা মনে, সরকার দলের প্রচন্ড প্রভাব আর চাপের পরে যে ফলাফল এসেছে সেখানে তৈমূরকে খাটো করার কোন সুযোগ নাই। ভোটের দিন রাত অবধি তিনিও ছিলেন আদালতপাড়াতে।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ