রফিকের হাতে তুলে টালমাটাল এমপি গাজীর ‘নৌকা’ বছর জুড়ে সহিংসতা

১ ভাদ্র ১৪২৫, শুক্রবার ১৭ আগস্ট ২০১৮ , ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ

রফিকের হাতে তুলে টালমাটাল এমপি গাজীর ‘নৌকা’ বছর জুড়ে সহিংসতা


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ১০:২০ পিএম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৪:২০ পিএম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার


রফিকের হাতে তুলে টালমাটাল এমপি গাজীর ‘নৌকা’ বছর জুড়ে সহিংসতা

প্রায় দুইবছর আগে একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তির হাতে নৌকা তুলে দিয়েছিলেন এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক। তবে দুই বছরের ব্যবধানে নিজের নৌকাই টালমাটাল হয়ে পড়েছে এমপি গাজীর। ওই দুই হেভিওয়েট নেতার দ্বৈরথে আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রূপগঞ্জ। বেশ কিছুদিন ধরেই বিরাজমান সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি এবার রূপ নিয়েছে চরম সহিংসতায় যাতে ঘটেছে প্রাণহানিও।

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বসুন্ধরা গ্রুপের পূর্বাঞ্চল পরিচালক (ল্যান্ড), রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিকের হাতে নৌকা তুলে দেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের আওয়ামীলীগ দলীয় এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক। ওই নির্বাচনে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদ আলী নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। ওই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রফিকুল ইসলাম রফিক। তবে এক বছরের ব্যবধানে পাল্টে যেতে থাকে দৃশ্যপট। রফিকের হাতে নৌকা তুলে দেয়ার পরে টালমাটাল হতে শুরু করে এমপি গাজীর নৌকাই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রফিকের হাতে নৌকা তুলে দেয়ার পরে ছয় মাস তাদের মধ্যে সুসম্পর্কই বিরাজ করছিল। কিন্তু আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিকের পৃথক শোডাউনের কারণে আতঙ্ক ভর করেছে এমপি গাজীর শিবিরে। বিশেষ করে কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিকের আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে পদার্পনে এমপি গাজী বিরোধীরা রফিকের পক্ষে একাট্টা হতে থাকে।

এরইমধ্যে ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রার্থীতা নিয়ে কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিকের সঙ্গে এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর মধ্যে বৈরীতার আরো বাড়তে থাকে। ওই নির্বাচনে কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিকের ছোট ভাই মিজানুর রহমান মেম্বার পদে প্রার্থী হন। আর কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদ আলীকে সমর্থন দেন এমপি গাজী। তবে শেষ পর্যন্ত জয় পান রফিকের ছোট ভাই মিজানুর রহমান। কিন্তু তাদের মধ্যকার বিরোধ রূপ নেয় সংঘর্ষে।

২০১৭ সালের ১ জানুয়ারী নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলের ১ নম্বর সেক্টরের ভোলানাথপুরে একটি মার্কেটের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রনকে কেন্দ্র করে এমপি গাজী সমর্থক ও কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইদিন রফিকের সমর্থকরা এমপি গাজী সমর্থক মহিলা লীগের নেতাকর্মীদের বেধড়ক পিটুনী দেয়।

এরপর আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীতেও পৃথকভাবে শোডাউন দেখান এমপি গাজী ও কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিক সমর্থকরা।

গেল বছরের ১৭ জানুয়ারী বিকেলে শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেষা রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চরচনপাড়া ও পূর্বগ্রাম এলাকায় সিটি গ্রুপের প্রজেক্ট এলাকায় বালু ভরাট ও সরকারী এ্যাকোয়ারভুক্ত জমি দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মানকে কেন্দ্র করে এমপি গাজী অনুসারী এবং কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিক অনুসারীদের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটনো হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়। ১৮ জানুয়ারী রূপগঞ্জে নীরিহ কৃষকদের ফসলি জমি, বসতভিটা ও সরকারী রাস্তা জোরপূর্বক দখল এবং সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সাংবাদিক সম্মেলন করে এমপি গাজীর সমর্থকরা। যার নেতৃত্ব দেন বর্তমানে এমপি গাজীর আস্থাভাজন কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদ আলী। তারা রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়ার মঠেরঘাট এলাকায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সাংবাদিক সম্মেলন করে তারা। এসময় তারা কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতার অভিযোগ তোলেন। এসময় তাদের ব্যানারে লেখা ছিল রূপগঞ্জের ভূমিদস্যু ও ভূমিখেকো কায়েতপাড়ার চেয়ারম্যান রফিক এর হাত থেকে রূপগঞ্জ ও কায়েতপাড়া বাসীকে বাঁচাও। পরদিন ১৯ জানুয়ারী অনুগামী নেতাকর্মীদের নিয়ে  রূপগঞ্জে ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক)। ওই কর্মসূচীতে নেতৃত্বস্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজী অনুগামী হিসেবে পরিচিত কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জায়েদ আলী, ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার কুট্রি, আওয়ামীলীগ নেতা কামাল আহাম্মেদ রঞ্জু, রবি রায়, মহিউদ্দিন, ওমর ফারুক, আবুল ফজল রাজু,  যুবমহিলালীগের সাধারন সম্পাদক রিতা, ফজল উদ্দিন, নাজমা আক্তার, চাঁন মিয়া প্রমুখ।

এরপর দীর্ঘদিন ধরেই রফিক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে এমপি গাজী সমর্থক নেতাকর্মীরা।

১১ মার্চ রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের কামসাইর এলাকার একটি স্কুলে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আবারো জেহাদ ঘোষণা করেছেন স্থানীয় এমপি গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রূপগঞ্জে কোনো ভূমিদস্যুর স্থান নেই। কাউকে কৃষকের জমি দখল করতে বা বালু ভরাটের মাধ্যমে দখল করতে দেয়া হবে না। রূপগঞ্জে জনপ্রতিনিধিরাও ভূমিদস্যুতায় জড়িয়ে পড়েছেন। ওই অনুষ্ঠানে বক্তারা রফিক ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতার অভিযোগ এনে বক্তব্য রাখেন। তারা অবিলম্বে ভূমিদস্যু রফিক ও তার বাহিনীকে গ্রেফতারের দাবি জানান।

২৬ মার্চ রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ইছাখালী এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়। নেতৃত্ব নিয়ে স্থানীয় এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর সঙ্গে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক গ্রুপের বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটে।

৮ মে রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু`পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসময় পথচারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

২৮ জুন নাওড়া গ্রামে রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিক বাহিনী যুবলীগ নেতা মাজহারুল ইসলামকে কুপিয়ে জখম করে।

২৩ আগষ্ট রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দেন এমপি গাজীর সমর্থকরা।

২১ সেপ্টেম্বর রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ভারতীয় দূতাবাস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নওয়া পাড়ায় পূজামন্ডপে দূর্গাপূজার আয়োজনে বাঁধা দেয়ায় নাওড়া পূর্বপাড়া রায়বাড়ী সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিধান কৃষ্ণ রায় এ অভিযোগটি করেন।

১৮ অক্টোবর রূপগঞ্জে বালি ভরাটের কাজের ভাগ ভাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়।

গত ২৯ অক্টোবর রাতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চনপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী ও ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার কুট্টির সঙ্গে বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদের সভাপতি আনোয়ার হোসেন পক্ষের সংঘর্ষে হাসান মুহুরীসহ ২০ জন আহত হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় পার্টি নেতা এম এ হাসান ওরফে হাসান মুহুরী মারা যান। নিহত হাসান মুহুরী (৫৫) রূপগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য।

এদিকে বছরজুড়েই চলতে থাকা সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির পাশাপাশি রাজনৈতিভাবেও চলতে থাকে পৃথকভাবে কর্মসূচী পালন।

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের রূপগঞ্জবাসীর সঙ্গে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বসুন্ধরা ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। আর ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের নেপথ্য কারিগর ছিল রফিক চেয়ারম্যান যিনি বসুন্ধরা গ্রুপের একজন পরিচালক। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি খন্দকার আবুল বাশার টুকুর সভাপতিত্বে ওই মত বিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম বাবু এমপি। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান ভূঁইয়া, রংধনু গ্রুপ এবং কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক ভূঁইয়া, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আজিজ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হাফিজুর রহমান ভূঁইয়া সজীব, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মাসুম চৌধুরী অপু, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হারেজ, দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হোসেন রানু প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আগামী রূপগঞ্জে নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়ে এবং রূপগঞ্জবাসীর দোয়া চেয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে আপনাদের সবাইকে একসঙ্গে দেখতে পেয়ে। আমরা তো রূপগঞ্জে নতুন নয়, ১০-১২ বছর ধরে ব্যবসা করছি। দোয়া করবেন, আগামীতেও যাতে থাকতে পারি। বিপদে-আপদে সব সময় যেন আপনাদের পাশে থাকতে পারি।’

এদিকে ওই মত বিনিময় সভার পর থেকেই মূলত এমপি গাজী ও রফিক চেয়ারম্যানের মধ্যকার বিরোধ আরো তুঙ্গে ওঠে। যা বৃহস্পতিবার ৮ ফেব্রুয়ারীতেও চরম সহিংসতায় রূপ নেয়। বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপিকে ঠেকাতে গিয়ে আধিপত্য বিস্তার ও একই স্থানে অবস্থান নেয়াকে  কেন্দ্র নারায়ণগঞ্জে রূপগঞ্জে আওয়ামীলীগের দুইপক্ষের সাথে পুলিশের রক্তক্ষয়ী সংষর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামীলীগের দুইপক্ষের সাথে পুলিশের ত্রিমুখি সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ অন্তত ৬‘শ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এসময় একজন নিহত হয়। সংঘর্ষে ১৫জন গুলিবিদ্ধসহ পুলিশ সাংবাদিক এবং উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ উভয় পক্ষের ৩৯ নেতাকর্মীকে আটক করে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কাঞ্চন সেতুর পশ্চিমপাশের হাবিবনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ