৪ আষাঢ় ১৪২৫, সোমবার ১৮ জুন ২০১৮ , ৩:০৫ অপরাহ্ণ

ঐক্যে বিএনপি, বিতর্কে আওয়ামীলীগ


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:১৭ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৩:১৭ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বৃহস্পতিবার


ঐক্যে বিএনপি, বিতর্কে আওয়ামীলীগ

নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিক প্রাঙ্গন চাঞ্চল্যকর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সর্বদা আলোচনা-সমালোচনার শীর্ষে অবস্থান করছে। তবে এবার রাজনীতিতে বিএনপি দলের নেতারা খালেদা জিয়া ইস্যুতে প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপি ও দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক প্লাটফর্মে একত্রিতভাবে দলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে। এতে করে বিএনপি দলের মধ্যে ঐক্য ফিরে এসেছে বলে নেতাকর্মীরা বলছেন যা ইতোমধ্যে আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছে। এদিকে বিভক্তিতে থাকা বিএনপিতে যখন ঐক্য দেখা যাচ্ছে তখন ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ দলের বিভিন্ন সভা-সমাবেশ সহ সদস্য ফরম বিতরণের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজে জামায়েত ইসলাম ঘেষা আওয়ামীলীগের হাইব্রিড নেতা হিসেবে চিহ্নিত আলীরটেকের মতি চেয়ারম্যানকে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া দল পাল্টানো সুবিধাবাদি আরেক নেতা কামাল মৃধাকে আওয়ামীলীগের পদ-পদবী দেয়া হচ্ছে। এতে করে আওয়ামীলীগ দলটি বর্তমানে নেতাকর্মী সহ সংশ্লিষ্টদের চোখে বিতর্কিত হিসবে দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। তাই এ নিয়ে রাজনীতিক প্রাঙ্গনে সমালোচনার অন্ত নেই।

জানা গেছে, যেখানে আওয়ামীলীগের মত বড় দলের অবস্থান নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয় সেখানে বিভক্তিতে থাকা বিএনপি নেতাদের মধ্যে ঐক্য দেখা যায়। একে একে বিএনপি দলের মধ্যে ঐক্য দেখা যাচ্ছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারী শহরের বালুর মাঠ এলাকাতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি দলের বিভক্তিতে থাকা নেতাদের একত্রিত হয়ে সমাবেশ করতে দেখা গেছে। এতে করে দলের ভেতরে ফের ঐক্য ফিরে এসেছে বলে দলের নেতাকর্মীরা দাবি করছেন যা দৃশ্যমান হয়েছে ওই সমাবেশের মধ্য দিয়ে।

এসময় আরো উপস্থিত বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার , বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন ফারুক,  জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম, সহ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মনিরুল ইসলাম রবি, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর, জেলা যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আক্তার হোসেন খোকন শাহ প্রমুখ।

এদিকে আওয়ামীলীগ দলের নেতারা হাইব্রিড ও কাউয়া মার্কা নেতা নিধনের বড় বড় বুলি ছাড়লেও তাদের আশে-পাশেই এরুপ নেতাদের ছড়াছড়িতে দলের নেতাকর্মীরা বিতর্কে বিধছে। এমনকি মানবতা বিরোধী জামায়াতে ইসলাম ও শিবিরের ক্যাডার বাহিনী ঘেষা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান  মতি যিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন তার হাত দিয়ে দলের সদস্য ফরম বিতরণকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝড় বইছে। তবে এই বিতর্কিত নেতার হাতে আওয়ামীলীগের সদস্য ফরম তুলে দিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মোহাম্মদ শহীদ বাদল। এর আগে ২৭ জানুয়ারী শহরের ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সভায় এমপি শামীম ওসমানের সাথে একই মঞ্চে এই বিতর্কিত নেতা মতিকে দেখা গেছে। এছাড়া এই জামায়েত ঘেষা নেতা এমপি সেলিম ওসমান ও এমপি শামীম ওসমানের ঘনিষ্টজন হিসেবে বিভিন্ন মহলে পরিচয় দিয়ে বিশেষ ধরণের সুবিধা আদায় করে  থাকে বলে জানাগেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি নিজেকে আওয়ামী লীগের নেতা দাবী করলেও তিনি এ দলের কোন কর্মকান্ডে নেই। বরং তার স্বজন ও আত্মীয়রা মতির নাম ভাঙিয়ে দুর্গম এলাকা আলীরটেকে জামায়াত ও শিবিরের শক্ত ঘাঁটি করে তুলেছে। ইতোমধ্যে মতির আত্মীয় জামায়াত ও শিবিরের দুর্ধর্ষ কয়েকজন ক্যাডার গ্রেপ্তারও হয়েছেন।

জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর সদর মডেল থানা পুলিশের তালিকাভুক্ত আলীরটেক ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী  মোকতার হোসেন ও ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও কুড়েরপাড় হাই স্কুলের শিক্ষক রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে মোকতার হোসেন ডিক্রিরচর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে ও রাজু একই এলাকার আতাউর মুন্সির ছেলে। এ দুইজনের মধ্যে মোকতার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতির খালাতো ভাই।

এলাকাবাসী জানান, মতির নাম ব্যবহারে এই মোকতারের নেতৃত্বেই আলীরটেক এলাকাতে জামায়াত শিবির ঘাঁটি গড়ে তুলেছিল। কয়েকদিন আগেও মতির খালাতো ভাই মোকতারকে পুলিশ আটক করলেও শুধুমাত্র মতির তদবিরে তাকে সঠিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। এছাড়াও মতির স্বজন আরো অনেকের বিরুদ্ধে জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ থাকলেও মতির তদবিরে তারা পার পেয়ে যেতো।

এদিকে আরেক সুবিধাবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত মেট্রো রেল বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক কামাল মৃধা সম্প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য পদ পেয়েছেন। এই নেতা গত বছর হঠাৎ উদয় হয়ে মেট্রোরেলের দাবি করে বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে রাজনীতিক পদ-পদবী পাওয়ার চেষ্ট করে যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। কিন্তু পদ পাওয়ার পর থেকে তিনি মেট্রোরেলের দাবি করে আর কোন সভা-সমাবেশ করছেননা। এতে করে তার উদ্দেশ্য অনেকটা সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। এর আগেও তিনি রাজনীতিতে সুবিধা নিতে দল পরিবর্তন করে সবার কাছে সুবিধাবাদি নেতা হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করেছেন। যদিও এর আগে তিনি দলবদল করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন।

জানা গেছে, ‘কামাল মৃধা প্রায় ২১ বছর আগে অভিমানে আওয়ামী লীগ থেকে সরে যান। এক সময়ে তিনি শহর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তাঁর বিয়েতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসেছিলেন। ১৯৯৬ এর পর বিএনপিতে যোগ দেন কামাল মৃধা। গত দুই বছর আগে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখাও করেন। এরপর হঠাৎ করে আবারো কোন সুবিধা আদায় করতে আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এসব নেতারা আবারো নিজের স্বার্থের জন্য দল পরিবর্তন করতে পারে সেকথা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছেনা।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি চন্দন শীল সম্প্রতি বলেন, কামাল মৃধার মত লোক আওয়ামী লীগের পদ পেয়ে যাচ্ছে এটা হতাশাজনক। অনুপ্রবেশকারী দলে ঢুকে যাচ্ছে। হাইব্রিড ঢুকে যাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জে হকার ইস্যুতে সংঘর্ষের ঘটনার দিন সেখানে শিবির চিহ্নিত ক্যাডার, মামলার দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা যোগ দিয়েছিল। কেন্দ্র থেকে কমিটি চাপিয়ে দেয়ার বিষয় ভাল হয় না, তাই এই হাইব্রিডদের অনুপ্রবেশ।  আওয়ামীলীগের ঘাঁটিকে দুর্বল করার জন্য জামায়াত ও শিবির সহ বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে। আওয়ামীলীগ কেউ কেউ তাদের পথ করে দিচ্ছে। যেহেতু আদর্শিক রাজনীতি চর্চা হচ্ছে না, যে পদ পাচ্ছে সে তাঁর দল ভারি করার জন্য নিচ্ছে। যাকে তাকেই সাথে নিচ্ছে, জেনে শুনেই নিচ্ছে।

এদিকে সবশেষ নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান এক সভায় বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে হাইব্রিড ও কাউয়া প্রকৃতির নেতাদের কোন স্থান হবে না। আর জামায়াত ও বিএনপি তো দূরের কথা। তাদেরকে এ নারায়ণগঞ্জে কোন ধরনের কর্তৃত্ব করতে দেওয়া হবে না। দেশের অনেক স্থানে এ ধরনের নেতা ভরে গেছে। নারায়ণগঞ্জে এখনো তেমনভাবে পারে নাই।

যদিও শনিবার ২৭ জানুয়ারি শামীম ওসমান যখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশে রেখে এসব কড়া বক্তব্য রাখছিলেন তখন তাঁর পাশেই একজন বিতর্কিত জনপ্রতিনিধিকে দেখা গেছে। ওই নেতাকে আবার ২৮ জানুয়ারি রোববারও সরকারের প্রভাবশালী সেতু মন্ত্রীর পাশে দেখা গেছে। আর সেই বিতর্কিত জনপ্রতিনিধির সঙ্গে ছিলেন শামীম ওসমানও।

শনিবার শামীম ওসমান বলেন, যারা বিএনপি ও জামায়াতকে খুশী করে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করতে চান তাদের মনে রাখতে হবে এক সময়ে তারাই আপনাকে ছোবল দিবে। আগামীতে নারায়ণগঞ্জে বিএনপি জামায়াত নাশকতার পরিকল্পনা করছে। ওরা ওদের সর্বশক্তি নিয়োগ করবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি নিজেকে প্রভাবশালী এমপি সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমানের ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচয় দেন। অথচ কয়েকদিন আগেও নব্য ওই হাইব্রীড আওয়ামীলীগ নেতা মতি চেয়ারম্যানের ফুফাতো ভাই যিনি ইউনিয়ন জামায়াতের শীর্ষ নেতা তাকেসহ দুইজনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায় সদর মডেল থানা পুলিশ।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নে কথিত আওয়ামীলীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি দুই বছর আগে একজন শীর্ষস্থানীয় জনপ্রতিনিধির আশীর্বাদে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও তাকে এর আগে কখনোই আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে দেখেনি এলাকাবাসী। বরং নব্বইর দশকের মাঝামাঝিতে ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আলীরটেকে মতি নির্বাচন করেছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি কমান্ডার সিরাজুল ইসলামের পক্ষে। ওই নির্বাচনে কমান্ডার সিরাজুল ইসলামের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এমপি শামীম ওসমান। তৎকালে আলীরটেক ইউনিয়ন ছিল নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আওতাধীন। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসলে মতির বিরুদ্ধে অনাস্থা দিয়েছিল মেম্বাররা। পরে একজন প্রভাবশালীকে দিয়ে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিনকে ম্যানেজ করে আবারো বিএনপি সমর্থক বনে যান মতি।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসলে জাতীয় পার্টির এমপি নাসিম ওসমানকে ম্যানেজ করেন মতি। তবে ম্যানেজ পটু মতিকে আওয়ামীলীগ কিংবা বিএনপির রাজনীতিতে কখনোই সক্রিয় দেখা যায়নি। যেকারণে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভরাডুবি ঘটে মতিউর রহমান মতির। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী নুরুজ্জামান সরকার জানান, গুটিকয়েক হাইব্রীড নেতাদের দাপটে তৃনমূলের আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা কোনঠাসা রয়েছেন। বিশেষ করে স্থানীয় এমপি জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হওয়ায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা অবমূল্যায়িত হচ্ছেন।

সদর থানা আওয়ামীলীগের নেতা সওদাগর খান বলেন, নব্য হাইব্রীড নেতাদের দাপটে মাঠ পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা অবমূল্যায়িত হচ্ছেন। আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি ও সায়েম আহমদ আওয়ামীলীগের কোন পদে নেই। যারা আওয়ামীলীগের কোন পদে না থেকেও আওয়ামীলীগের নেতা পরিচয় দিচ্ছেন এ ধরনের কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ