৭ শ্রাবণ ১৪২৫, সোমবার ২৩ জুলাই ২০১৮ , ৩:৫২ পূর্বাহ্ণ

তৈমূরের গলায় চিপ, মামুনের কোমরে দড়ি : মরে গেছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:৪৩ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৮ বুধবার | আপডেট: ০২:৪৩ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৮ বুধবার


তৈমূরের গলায় চিপ, মামুনের কোমরে দড়ি : মরে গেছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি এখন মরে যাওয়ার মত অবস্থা। সবকিছু হজম করার শক্তি সঞ্চার করেছেন নারায়ণগঞ্জের বিএনপির নেতারা। তাদের এতটাই দৈন্যদশা দলের পক্ষে প্রতিবাদ করার সাহসটুকুও হারিয়ে ফেলেছে। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারকে পুলিশ গলায় চিপ দিয়ে ধরেছিল। নতুন করে আলোচনায় এখন জেলা বিএনপির সেক্রেটারি অধ্যাপক মামুন মাহামুদের কোমড়ে দড়ি বেঁধে আদালতে পুলিশের হাজির করা।

জানা গেছে, মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয় জেলা বিএনপির সেক্রেটারি অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে। পুলিশ তাকে কোমড়ে দড়ি বেধে টেনে আদালতে নিয়ে আসে। ওই সময় তার হাতেও হ্যান্ডক্যাপ পরিহিত ছিল। আদালতপাড়ায় তাকে এভাবে নিয়ে আসার পর সাধারণ মানুুষের মাঝেও হায় হায় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। দেখে মনে হয়েছিল কোন দাগী আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। এদিন ফতুল্লা মডেল থানার দুটি মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামুন মাহামুদকে তার কোমড়ে দড়ি বেঁধে আদালতে নিয়ে আসার ঘটনায় মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বিবৃতি দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বুধবার  নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার মতিয়ার রহমানের কাছে গিয়ে মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান সহ বিএনপির আইনজীবীরা।

কিন্তু এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানোর শক্তিটুকুও পায়নি। এমনকি কোন কর্মসূচি তো দুরের কথা প্রতিবাদ করার কোন চেষ্টাও করেনি জেলা ও মহানগর বিএনপি। যে কারনে নারায়ণগঞ্জের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলছেন এসব ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ বিএনপি যেনো মরে গেছে।

এছাড়াও গত ২৩ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ আদালতের গেটের সামনে থেকে টেনে হেছড়ে অ্যাডভোকেট  তৈমূর আলম খন্দকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই সময় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ওসি কামাল উদ্দীন তৈমূর আলমের গলা চেপে ধরে টেনে হেছড়ে নিয়ে যায়। ওই সময় ওসি কামাল উদ্দীনের দেয়া গলায় চিপে তৈমূর আলমের জিব বের হয়ে আসছিল। যদিও ওইদিন নারায়ণগঞ্জের আইনজীবীরা কঠোর ভুমিকা নিয়েছিলেন পুলিশের সঙ্গে। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে কোন ধরনের প্রতিবাদ জানানো হয়নি। ওইদিন পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে বেশকজন আইনজীবী আহত হয়েছিলেন।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ