১২ বৈশাখ ১৪২৫, বুধবার ২৫ এপ্রিল ২০১৮ , ১০:২৭ অপরাহ্ণ

Kothareya1150x300

মামুন মাহমুদের রিমান্ড গ্রেপ্তার নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষোভ


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:৪৫ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৮:৩৪ পিএম, ১৬ মার্চ ২০১৮ শুক্রবার


মামুন মাহমুদের রিমান্ড গ্রেপ্তার নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষোভ

১৫ মার্চ বৃহস্পতিবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর প্রেস ব্রিফিংয়ে উঠে আসে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সেক্রেটারী মামুন মাহমুদের গ্রেফতার ও রিমান্ডের বিষয়টি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ দীর্ঘদিন কারাগারে। তার বিরুদ্ধে একের পর এক নতুন নতুন অসত্য ও বানোয়াট মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে জানানো হয়েছে যে, এসব বানোয়াট মামলায় বারবার রিমান্ডে নিয়ে তার ওপর অকথ্য নির্যাতন চালাচ্ছে পুলিশ। বারবার রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের ফলে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অধ্যাপক মামুন মাহমুদের ওপর এভাবে লাগাতার মিথ্যা মামলা দায়ের ও রিমান্ডে নেয়ার ঘটনার আমি দলের পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং অবিলম্বে তা বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত মামুন মাহমুদ সোনারগাঁও কাজী ফজলুল হক উইমেন্স কলেজের অধ্যাপক। গত ১০ ফেব্রুয়ারি কলেজের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় একটি নাশকতার মামলায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জামিনে নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে বের হওয়ার পর আবারো ফতুল্লা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ইতোমধে বেশ কয়েকটি মামলায় তাকে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়। সেই সঙ্গে রিমান্ডে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

গত ১৩ মার্চ দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফতুল্লা মডেল থানার দু’টি মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিন মামুন মাহমুদকে কোমরে দড়ি বেধে আদালত থেকে আড়াইহাজারে নিয়ে যাওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যমে ফেসবুকে আপলোড হওয়ার পর নেতাকর্মীরা ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন। ওই পোস্টটিতে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্যও আপলোড হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সেক্রেটারী এটিএম কামাল বলেন, দেশে যে গণতন্ত্র নাই এটা তার একটি উদহারণ। দেশে কোন আইনের শাসন নাই। মামুন মাহমুদ একজন শিক্ষক। রাজনীতি করাটা তার অপরাধ কেন হবে সেটাও প্রশ্ন। একজন শিক্ষকের কোমরে পুলিশ কিভাবে দড়ি বাঁধলো সেটা নিয়ে ভাবতেও লজ্জা লাগে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপির সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান জানান, নাম না থাকার সত্ত্বেও তাকে দুটি মামলায় দুদিন করে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। অথচ এই মামলা দুটিতে ৪০ ও ৬২ জনের নাম উল্লেখ থাকলেও মামুন মাহমুদের নামই নেই। এভাবে কোমরে দড়ি বেধে একজন শিক্ষককে শুধুমাত্র রাজনীতি করার অপরাধে নিয়ে যাওয়া টা অমানবিক।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ