১২ বৈশাখ ১৪২৫, বুধবার ২৫ এপ্রিল ২০১৮ , ১০:৩২ অপরাহ্ণ

Kothareya1150x300

আসন পুনর্বিন্যাসে অনেক প্রার্থীর স্বপ্নভঙ্গ


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:১৩ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৮ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৩:১৩ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৮ বৃহস্পতিবার


আসন পুনর্বিন্যাসে অনেক প্রার্থীর স্বপ্নভঙ্গ

আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে আশা পূরণ না হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীর স্বপ্ন ভঙ্গ হতে চলেছে। কারণ বেশ কয়েকজন রাজনীতিকের প্রত্যাশা ছিল বিগত সময়ের মত ফতুল্লা নিয়েই আবারো নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থাকবে। সে ক্ষেত্রে সিদ্ধিরগঞ্জ হয়তো নারায়ণগঞ্জ-৩ তথা সোনারগাঁয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হবে নতুবা নতুন একটি আসন হবে। কিন্তু এর কোনটিই বাস্তবায়িত না হওয়ায় ওইসব প্রার্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা।

বৃহস্পতিবার ১৫ মার্চ বেশ কয়েকজন রাজনীতিকের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে এসব হতাশার কথা। ওইসব রাজনীতিকেরা দুই দলের সমর্থক।

১৪মার্চ বুধবার নির্বাচন কমিশন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সীমানা বর্তমান তথা ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ কেন্দ্রীক রেখে দেয়। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ডগুলোকে নির্ধারণ করে দেওয়া জয়। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনকে রাখা হয়েছে আগের মতই। আলীরটেক ও গোগনগর ছাড়া সদর উপজেলার বাকি ইউনিয়ন (ফতুল্লা, এনায়েতনগর, কাশীপুর, বক্তাবলী, কুতুবপুর) এবং সিটি করপোরেশনের ১ হতে ১০ নাম্বার ওয়ার্ড। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনকেও আগের মতই রাখা হয়েছে। এতে আলীরটেক, গোগনগর, বন্দর উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ১১ হতে ২৭ নাম্বার ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত আছে।

স্বাধীনতার পর থেকে নারায়ণগঞ্জে ৫টি সংসদীয় আসনেই ভোট হচ্ছে। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটি গঠন করা হয় শুধুমাত্র ফতুল্লা থানা কেন্দ্রীক। আর তখন সিদ্ধিরগঞ্জকে যুক্ত করা হয় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে সোনারগাঁও থানার সঙ্গে। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনের আগে আবারও আগের মত ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ ও সোনারগাঁও নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ গঠন করা হয়।

এর আগের নির্বাচন কমিশন ভোটার সংখ্যা আনুপাতহারে নারায়ণগঞ্জে একটি সংসদীয় আসন বাড়ানোর চিন্তা করেছিল। তখন বলা হয়েছিল ফতুল্লা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থাকবে আর সিদ্ধিরগঞ্জ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৬ আসন হবে। কিন্তু মাঝের অনেকটা সময় ধরেই এ নিয়ে নানা ধরনের হিসেব নিকেশ চলে। রাজনৈতিক দলের নেতারাও এটা নিয়ে বেশ লবিং করে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পাগলার শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহমেদ পলাশ চেয়েছিলেন আসন একটি বাড়–ক। তাহলে তিনি ও শামীম ওসমান মিলে দুটি আসন ভাগাভাগি করে নিবেন। ফতুল্লাতে থাকবেন পলাশ আর শামীম ওসমান থাকবেন সিদ্ধিরগঞ্জে। পলাশের পক্ষে একটি আবেদনও নির্বাচন কমিশনে পড়েছিল জানা গেছে। তবে সেটা পলাশ নিজেই দিয়েছেন নাকি তার পক্ষে কেউ দিয়েছেন সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশন সূত্র এটা নিশ্চিত করেছে যে, আওয়ামী লীগ ও শ্রমিকলীগের একজন নেতার পক্ষে আবেদন জমা পড়েছিল।

অপরদিকে আসন বাড়লে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন ও জেলা বিএনপির সেক্রেটারী মামুন মাহমুদও প্রার্থী হতে পারে। তবে আসন না বাড়লেও এ দুইজন মনোনয়ন চাইতেন এতে কোন সন্দেহ ছিল না।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ