১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, শুক্রবার ২৫ মে ২০১৮ , ৫:০৭ অপরাহ্ণ

ওলামা পরিষদের উল্টোপিঠ হেফাজত ভীত ক্ষুব্ধ


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:২২ পিএম, ১৬ মে ২০১৮ বুধবার | আপডেট: ০৭:৫৬ পিএম, ১৯ মে ২০১৮ শনিবার


ওলামা পরিষদের উল্টোপিঠ হেফাজত ভীত ক্ষুব্ধ

নারায়ণগঞ্জে নানা কারণে বিতর্কিত হেফাজতে ইসলামের বিপরীত পিঠ হলো ওলামা পরিষদ। মূলত হেফাজতের নেতাদের আধিক্য দিয়েই ওলামা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। রাজনৈতিক লোভ, স্বার্থের কারণে কখনো ক্ষমতার প্রচন্ড লোভও তাড়া করে বেড়িয়েছিল এ সংগঠনের নেতাদের। নিজ স্বার্থে রাজনৈতিক দলের লেজুরবৃত্তি যখন ওপেন সিক্রেট তখন এ সংগঠনের নেতারা দাবী করেছেন তারা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন। কোন রাজনীতি, নির্বাচন বা কোন সংঘাতের সাথে ওলামা পরিষদ জড়িত না। পূর্বেও ছিলনা আগামীতেও কখনো কোন রাজনীতি, নির্বাচন ও সংঘাতের ধারে থাকবে না।

১৬ মে বুধবার সকালে শহরের অন্যতম বৃহৎ ডিআইটি মসজিদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জেলা ওলামা পরিষদ। এর সভাপতি হলেন মাওলানা আবদুল আউয়াল যিনি একই সঙ্গে জেলা হেফাজতের আমীর।

২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের ঢাকায় অবস্থানের আগে ও পরে জেলায় যে অবস্থান ছিল সে হেফাজতের অবস্থান এখন একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। বরং আর্থিক ও ক্ষমতার লোভে রাজনৈতিক নেতাদের পদলেহন এখন তাদের জন্য ওপেন সিক্রেট।

ইতোমধ্যে আইনজীবী ও সাংবাদিকদের ঢালাও করে বিষোদাগার করেছেন আবদুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, এক শ্রেণির সাংবাদিক টাকা খেয়ে বাতিলের পক্ষে নিয়েছে। আর কিছু উকিল মাথা বিক্রি করে তাদের বুদ্ধি দিচ্ছে। এ নিয়ে যখন আউয়াল বিতর্কে বিঁধতে শুরু করেন তখন ওই সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি এক পর্যায়ে বলেছিলাম কিছু কিছু সাংবাদিক টাকার বিনিময়ে মিথ্যা কথা লিখে এবং কিছু আইনজীবী বুদ্ধি বিক্রি করে মিথ্যা মামলা করার পরামর্শ দেয়। তা না হলে এমন একটি মিথ্যা মামলার পক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন উকিল পক্ষাবলম্বন করে কিভাবে। আমার এই বক্তব্য দ্বারা সাংবাদিক ও আইনজীবীদের বিরুদ্ধে বলার প্রশ্নই আসে না বরং হলুদ সাংবাদিকতা ও হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলার পরামর্শ দাতাদের বিরুদ্ধে বলা উদ্দেশ্য ছিলো ।

এখানে উল্লেখ্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা হেফাজত ইসলামের আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়ালের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সমাবেশ হয়েছে।

১১ মে শুক্রবার জুমআর নামাজের পরে শহরের বৃহৎ ডিআইটি জামে মসজিদের সামনে থেকে বের হওয়া মিছিল চাষাঢ়ায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

মাওলানা ফেরদাউস বলেন, এটাই আমাদের শেষ আল্টিমেটাম। দুই মিনিট সময় লাগবে না তাদের এইসব মাজার পূজা ও ভন্ডামী ধ্বংস করতে। তাই প্রশাসনকে বলছি তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনুন। অন্যথায় নারায়ণগঞ্জের তৈৗহিদী জনতা তাদেরকে পালানোর সুযোগ দিবে না। নারায়ণগঞ্জে দাও দাও করে আগুন জ্বলবে।

প্রসঙ্গত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনার অভিযোগে জেলা  হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা আবদুল আউয়াল ও হেফাজত নেতা মাওলানা জাকির হোসেন কাশেমীর বিরুদ্ধে গত ৯ মে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ইসলামী ছাত্র সেনার সভাপতি রাহাত হাসান রাব্বি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত বন্দর থানার ওসিকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ