৬ কার্তিক ১৪২৫, সোমবার ২২ অক্টোবর ২০১৮ , ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ

UMo

ছাত্র আন্দোলনে প্রমাণিত নারায়ণগঞ্জে নতুন ভোটারদের হাতেই জয় পরাজয়


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:৪৯ পিএম, ৮ আগস্ট ২০১৮ বুধবার


ছবিগুলো আসন কেন্দ্রীক

ছবিগুলো আসন কেন্দ্রীক

নির্বাচনে জয় পরাজয় দুটিই নির্ভর করে ভোট ও ভোটারের উপর। ভোটার যাকে ভোট দিবেন তিনি হবে বিজয়ী আবার যাকে দিবেন না তিন হবেন পরাজিত। আর তাই ভোটারের মতের অমত হলেই ঘুরে যেতে পারে যেকোন প্রার্থীর ভাগ্যের চাকা। নারায়ণগঞ্জে সম্প্রতি সময়ে অনুষ্ঠিত বেশ কয়েকটি নির্বাচনে মূল ফ্যাক্ট ছিল নতুন ভোটার। তাদের ভোট যেদিকে গড়েছে সে দিকটাই নির্বাচনে ভারী হয়েছে। তাই বলা যায় আগামী যেকোন নির্বাচনেও নতুন ভোটারদের হাতেই আগামীতে জয় পরাজয়। এর কারণ হচ্ছে বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর নতুন ভোটারের সংখ্যা দ্বিগুন।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে ছাত্র আন্দোলন নজিরবিহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। স্থানীয় রাজনীতিকদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে হয়। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে নারায়ণগঞ্জ হয়ে উঠে বেশ আলোচিত। ফলে আগামীতে এসব নতুন ভোটারদের কারণেই হবে জয় পরাজয়ের হিসেব নিকেশ সেটাও স্পষ্ট।

রাজনীতিতে ক্রমশ তারুণের জয়যাত্রা চলছে। সর্বত্র এখন তরুণদের দোর্দান্ড দাপট। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন আসনে তরুণ প্রার্থীরা হবেন ফ্যাক্টর। অপরদিকে রাজনীতিতেও তরুণ রাজনীতিকেরা আছেন সুবিধেজনক অবস্থানে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামীতের তরুণ প্রার্থীরা অনেকটাই ফ্যাক্টর হয়ে যেমনভাবে উঠবেন তেমনি রাজনীতিতেও নিজেদের অবস্থান আরো পাকাপোক্ত হবে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সেখানে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর আলমকে। তিনি বয়সে তরুণ। সেখানে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে রীতিমত হৈ চৈ শুরু হয়। শেষতক তিনি জয়ীও হন।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মূল ফ্যাক্টর হবে দেশের তরুণ ভোটাররা। নবম সংসদ নির্বাচন থেকে এ পর্যন্ত ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়া ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি তরুণ ভোটারের হাতেই আগামী দিনের ক্ষমতার চাবি বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের ৫টি উপজেলায় ভোট বেড়ে হয়েছে ১৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫১৭ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ১৫ হাজার ৩৭ জন ও নারী ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৪৮০ জন। এর মধ্যে ২০১৭ সালের হালনাগাদকৃত নতুন ভোটারের সংখ্যা ৬৮ হাজার ৭৯৩ জন ও পুরাতন ভোট ছিল ১৯ লাখ ৫০ হাজার ১০৫ জন।

জানা গেছে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলায় মোট ভোটার ছিল ১৯ লাখ ৫০ হাজার ১০৫ জন। যার মধ্যে পুরুষ ছিল ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৪৫০ জন ও নারী ছিল ৯ লাখ ৫১ হাজার ৬৫৫ জন। আর ২০১৭ সালে হালনাগাদকৃত ভোটার হয় ৬৮ হাজার ৭৯৩ জন। যার মধ্যে পুরুষ ৩২ হাজার ৯৭৭ জন ও নারী ৩৫ হাজার ৮১৬ জন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় মোট ভোটার ছিল ৮ লাখ ২৬ হাজার ৭৩০ জন। ২০১৭ সালে হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ২৬ হাজার ১৬৪ জন। হালনাগাদকৃত মোট ভোট ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮ জন যার মধ্যে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯০৬ জন পুরুষ ও ৪ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ জন নারী।

নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলায় মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ২৭ হাজার ২২৪ জন যার মধ্যে পুরুষ ছিল ১ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন ও মহিলা ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৩১৭ জন। ২০১৭ সালে হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ৭ হাজার ৯৩১ জন। হালনাগাদকৃত মোটভোট ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৮ জন যার মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৩২ জন পুরুষ ও ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৬ জন নারী।

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলায় মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪৮ জন যার মধ্যে পুরুষ ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৮ জন ও মহিলা ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ১১০ জন। ২০১৭ সালে হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ১০ হাজার ৩৯০ জন। হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ২ লাখ ৮৫ হাজার ২১ জন যার মধ্যে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫১ জন পুরুষ ও ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৭০ জন নারী।

নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজার উপজেলায় মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ৭৫ হাজার ৬০২ জন যার মধ্যে পুরুষ ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার ৩৬১ জন ও মহিলা ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার ২৪১ জন। ২০১৭ সালে হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ১২ হাজার ২৪৯ জন। হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ২ লাখ ৮০ হাজার ৬৯৪ জন যার মধ্যে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৫৫ জন পুরুষ ও ১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৩৯ জন নারী।

নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০১ জন যার মধ্যে পুরুষ ছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬২৪ জন ও মহিলা ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৭৭ জন। ২০১৭ সালে হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ১২ হাজার ৫৯ জন। হালনাগাদকৃত মোট ভোটার ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৬৭৬ জন যার মধ্যে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯৩ জন পুরুষ ও ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩৮৩ জন নারী।

এ পরিসংখ্যা অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচন কিংবা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যেকোন নির্বাচনে নতুন ২০ লাখ ১৮ হাজার ৮৯৮ জন নতুন ভোটার ভোটে অংশগ্রহণ করবে। তবে বিগত ৯ দিন নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীরাই হলো আগামী নির্বাচনের নতুন ভোটার। শুধু আন্দোলনরত নয় যারা আন্দোলনে অংশগ্রহন না করে ভিতর থেকে সমর্থন দিয়েছেন এমন একটি অংশও রয়েছে নতুন ভোটারের হিসেবে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে যারা তারা এবছর ভোটার না হলেও আগামী নির্বাচনে তারাও ভোটার হবে। বর্তমান পরিস্থিতে তারা যেকোন প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান করলে তারাই হবে বিশাল ফ্যাক্ট।

রাজনৈতিক ও নির্বাচনী বিশেষজ্ঞদের মতে নতুন ভোটার যারা হবে তারা বেশির ভাগই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী। তারা ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও পরবর্তী নির্বাচনে ঠিকই অংশ নিবেন। এখন যারা নতুন পরবর্তীতে যারা আবার নতুন আসবে এ দুই মিলে তখন হবে মূল ভোটার। এর বিপরীতে যারা এখন পুরাতন ভোটার আছে বা বয়স্ক ভোটার আছে তাদের কিছু সংখক মৃত্যুবরণ করলে কমে যাবে পুরাতনের সংখ্যাও। আর এখন যারা মধ্যবয়সী ভোটার আছে তারাও তখন নতুন ভোটারদের পরামর্শ শোনবেন ও নতুনদের কথা অনুযায়ী ভোট দিতে আগ্রহী হবে। ফলে দেশের ও জেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি ভোটের মাধ্যমে নিধারণ করবেন। আর তাদের মধ্যে যদি কোন প্রার্থী নিয়ে বিরূপ মত তৈরি হয় সেটা হবে সেই প্রার্থীর বড় পরাজয়।

নারায়ণগঞ্জ-১ তথা রূপগঞ্জ আসনে বিএনপির তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার, জেলা কমিটির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান ও কেন্দ্রীয় সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু। তাদের মধ্যে তরুণদের প্রথম পছন্দের দিপু ভূইয়া। দেখতে সুদর্শন এ প্রার্থীর পক্ষে ইতোমধ্যে ব্যাপক জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর পক্ষে ফেসবুকে চলছে প্রচারণা। সংশ্লিষ্টদের মতে, তরুণ হিসেবে তরুণ ভোটারদের দৃষ্টি কাড়তে আর ভোট আদায় করতে দিপুর কোন বিকল্প নেই।

এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর পক্ষে তরুণ ভোটারদের আগ্রহ খুব একটা দেখা যায়নি। তবে বিকল্প প্রার্থীরাও তরুণদের মধ্যে না থাকায় হিসেব নিকেশে কিছুটা ফেসবুক প্রচারণায় এগিয়ে আছেন গাজী। এ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোয়ন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক), বাংলাদেশ সেক্টর কমান্ডার ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বাংলার প্রথম সেনাপ্রধান ও সাবেক এমপি মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম), নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রূপগঞ্জের সন্তান আব্দুল হাই, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান ভুঁইয়া, আওয়ামী লীগ নেতা মেজর মশিউর বাবুল, কায়েতপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম।

নারায়ণগঞ্জ-২ তথা আড়াইহাজার আসনে তরুণ ভোটারদের কাছে যথেষ্ট কদর রয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদের। তাঁর পক্ষে ফেসবুকে তরুণ ইউজারদের প্রচুর সাড়া পড়ছে।

আড়াইহাজার আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর তরুণদের কাছে অনেক জনপ্রিয়। তিনি নিজে যেমন ফেসবুক ব্যবহার করেন তেমনি তার পক্ষে ফেসবুকে চলে প্রচুর প্রচারণা। অনেক তরুণ প্রজন্ম বাবুর জন্য ফেসবুকে কাজ করছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় যুবলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল পারভেজের পক্ষেও ইদানিং তরুণদের একটি অংশ কাজ করে যাচ্ছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৩ তথা সোনারগাঁও আসনে বর্তমানে জাতীয় পার্টির এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা। এখানে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আবদুল্লাহ আল কায়সার নৌকা প্রতীকের জন্য এগিয়ে আছেন। এ দুইজনই তরুণদের কাছে ভিন্ন ভিন্নভাবে জনপ্রিয়। দুইজনই নিজেদের ফেসবুকে সর্বদা সরব। তাদের পক্ষেও তরুণ প্রজন্ম নিয়মিত চালাচ্ছেন প্রচারণা।

এ আসনে বিএনপির সাবেক এমপি রেজাউল করীম থাকলেও উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারী আজহারুল ইসলাম মান্নান অপেক্ষাকৃত তরুণ থাকায় তিনিও এগিয়ে আছেন। তাঁর পক্ষে অনেকেই ফেসবুকে প্রচারণা করেন। বড় বিষয় মান্নানের ছেলে সজীব নিজেও ছাত্রদলের রাজনীতি করায় সেও দলের জন্য প্রচারণা করছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বর্তমান এমপি শামীম ওসমান। তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা। নিজের নামে একাধিক ফেসবুক আইডি থাকলেও কোনটা আদৌ তার নিজের সেটা নিশ্চিত না। তবে তাঁর পক্ষে ফেসবুকে রীতিমত ঝড় উঠায় কর্মী সমর্থকেরা। শামীম ওসমানের চেয়ে তাঁর একমাত্র ছেলে অয়ন ওসমানের ফেসবুক পেজ অনেক জনপ্রিয়। নিয়মিত পোস্ট আপলোড সহ নানা কারণে তিনি ইতোমধ্যে তরুণদের কাছে বেশ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সহ সভাপতি শাহআলম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গিয়াসউদ্দিন বেশ তৎপরতা চালাচ্ছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বর্তমান এমপি সেলিম ওসমান নিজেই ফেসবুক চালান। সেলিম ওসমান সাপোর্টার্স ফোরাম নামের ওই ফেসবুক থেকে তিনি নিয়মিত পোস্ট আপডেট দেন। সেখানে অন্তত ৭০ হাজারেরও বেশী মানুষ সম্পৃক্ত। বড় বিষয় হলো সেলিম ওসমান প্রায়শই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যান। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুলেন। আর তখন সেলফি ও ছবি তুলতে সবাই এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এসব কারণে তরুণদের কাছে এখনো জনপ্রিয় সেলিম ওসমান।

এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী খোকন সাহা, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল কাদির ঘোষণা দিয়ে ইতোমধ্যে প্রচারণা করেছেন। তবে তরুণ প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত বেশ কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন এলাকাতে যাচ্ছেন। প্রচারণার পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকান্ডও পরিচালনা করছেন। তরুণদের কাছে আরাফাত যথেষ্ট পছন্দের।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সাবেক এমপি আবুল কালামের নাম থাকলেও তিনি এখন বয়সের ভারে ন্যুহ। মহানগর বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হলেও ৫তলা থেকে রাজপথে নেমে আন্দোলনে দেখা যাচ্ছে না। এখানে মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান ও মহানগর যুবদলের আহবায়ক ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ প্রচারণা শুরু করেছেন। তারা বেশ আলোচনায়ও চলে এসেছেন। তরুণদের প্রার্থী হিসেবে এখানে খোরশেদ অনেক জনপ্রিয়। নিজের ফেসবুক পেজটিও সরব থাকে প্রায়শই।

rabbhaban

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ