৮ আশ্বিন ১৪২৫, সোমবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , ৬:৩৬ পূর্বাহ্ণ

নাগরিক সমস্যায় নেই মনোনয়ন প্রত্যাশীরা


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:৩৭ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শুক্রবার


নাগরিক সমস্যায় নেই মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর ও বন্দর) আসনের অন্যতম এলাকা বন্দর। তবে গত বেশ কিছুদিন ধরেই বন্দর এলাকার বাসিন্দারা ভুগছেন নানাবিধ নাগরিক সমস্যা। তার মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে প্রকট আকার ধারণ করেছে গ্যাস ও ওয়াসার বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। গত বেশ কিছুদিন ধরেই এই দু’টি নাগরিক সমস্যায় ক্ষোভ দানা বাধছে স্থানীয়দের মনে। তবে নাগরিক সমস্যা বন্দরবাসীর পাশে দাড়াতে দেখা যাচ্ছেনা আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অত্র আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের। কিছুদিন পূর্বে বর্তমান সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে ওয়াসার পানির সমস্যা দূরীকরণে পদক্ষেপ নিতে দেখা গেলেও কার্যকরী কোন সমাধান অদ্যাবধি হয়নি। যে কারণে পানির সঙ্কটে বন্দরের অনেক এলাকায় কারবালার ন্যায় হাহাকার দেখা যায়। আর গত কিছুদিন ধরেই চলছে গ্যাস সঙ্কট। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বন্দরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে কোন ধরনের আশ্বাসের বানী দিতে দেখা যায়নি সংসদ সদস্য, সিটি মেয়র কিংবা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে।

জানা গেছে,  বন্দরে অঘোষিতভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। যেকারণে বন্দরবাসীকে গ্যাস সংকটে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই দুর্ভোগ এখন ক্ষোভে পরিণত হচ্ছে। যেকারণে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না আন্দোলনের হুঁশিয়ারী দিয়েছে বন্দরবাসী। অন্যদিকে তিতাস গ্যাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এ ব্যাপারে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।

১১ সেপ্টেম্বর বন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকটের নানা অভিযোগ পাওয়া যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় গৃহিনীদের চরম দুর্দশার চিত্র দেখা গেছে। অধিকাংশ বাসা বাড়িতে গ্যাস একেবারেই থাকছেনা। তবে কিছু স্থানে কখনো কখনো সামান্য পরিমাণে গ্যাস থাকলেও বেশির ভাগ সময়ই গ্যাসের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়না। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে গ্যাস সংকট যেন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করছে। এ কারণে অনেক বাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত চুলা বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু খেয়ে বেঁচে থাকার দরুণ অনেকে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে মাটির কিংবা বিকল্প কোন চুলা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। আবার অনেকে হোটেল থেকে খাবার ক্রয় করে আহারের ব্যবস্থা করছেন। তবে এবারের গ্যাস সংকট সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গৃহিনীরা। স্থানীয়রা জানায়, বিগত ইউপি নির্বাচনের পূর্বে ভোটের কথা মাথায় রেখে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে দেয়নি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে সেই অবৈধ গ্যাসই এখন ‘মরার উপর খাড়ার ঘাঁ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক মাস বাকী। এবার অবৈধ গ্যাসের প্রভাবে গ্যাস সরবরাহ একেবারে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস বন্ধের বিষয়টি স্বীকার না করলেও অঘোষিতভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বন্দরে গ্যাস সরবরাহ।

ক্ষুব্ধ গৃহিনীরা জানান, ভোটের জন্য অবৈধ গ্যাস দিয়ে সয়লাব করে দেয়া হয়েছে গোটা বন্দর। লাভবান হয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান কাউন্সিলররা। ইউপি ও সিটি নির্বাচনের আগে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্যোগ নিলেও এসব জনপ্রতিনিধিরা ভোটের জন্য গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাধা দেয়। তারা এমপি সেলিম ওসমানকে দিয়ে তিতাস গ্যাস অফিসে তদবীর করিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বহাল রাখে। পরবর্তীতে সেসব জনপ্রতিনিধিরা পুনরায় নির্বাচিতও হন। এবার সামনে সংসদ নির্বাচন। গত রমজান মাস থেকেই বন্দরে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এখন গ্যাস প্রায় বন্ধ। অধিকাংশ এলাকায় মানুষ গ্যাস পাচ্ছেনা। শিঘ্রই গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আন্দোলনে নামা ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা।

অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ বন্দরের একাধিক স্থানে দু সপ্তাহ যাবত তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। রূপালী আবাসিক এলাকার পাম্পের ফিল্টার বিকল হয়ে পড়ায় চারপাশের এলাকাগুলোতে এই সংকট দেখা দেয়। তবে অস্থায়ীভাবে ট্যাংকি বসিয়ে ওয়াসার গাড়ি দিয়ে পানি সরবরাহ করলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় পানি সংগ্রহ করতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এলাকাবাসী। এদিকে মেরামত কাজের ধীরগতির ফলে কাজ এখনো শেষ হয়নি। যেকারণে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

১০ সেপ্টেম্বর সোমবার বন্দরের সালেহনগর, রুপালী আবাসিক এলাকা, বাবু পাড়া সহ আশেপাশের কয়েকটি এলাকাতে পানি সংকটের এ চিত্র দেখা যায়। পানি সংকটগ্রস্থ এসব এলাকাতে অস্থায়ীভাবে ট্যাংক বসিয়ে পানি সরবরাহ করা হয়। কিন্তু পানি চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল বলে প্রতিদিনই লঙ্কাকা-ের চিত্র দেখা যাচ্ছে। আর তাতে অনেক লোককে কলশি শূন্য অবস্থায় বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ‘সকালে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পানি দিয়ে ওই অস্থায়ী ট্যাঙ্কিগুলো পূর্ণ করে দেয়া হলে এলাকাবাসী হুমড়ি খেয়ে পড়ে।  হাড়ি, পাতিল, বালতি সহ বিভিন্ন পাত্র নিয়ে পানি সংগ্রহ করছে। এসময় পানি স্বল্পতার চাহিদা পূরণে কার আগে কে পানি সংগ্রহ করবে। এবং কে বেশি পানি সংগ্রহ করবে এই আশায় এক পানি যুদ্ধের দৃশ্যপথ তৈরি হয়। এতে অনেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও পানি যুদ্ধে পরাজিতরা খালি কলশি নিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। এতে করে প্রতিনিয়ত চরম সংকটের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। ক্রমশ এই সংকট তীব্র হচ্ছে।’

ওয়াসা সূত্র জানায়, ‘ওয়াসার পাম্পের বোরিং ফিল্টার ফেটে গেছে। এতে করে পানির বদলে শুধু বালু উঠছে। যেকারণে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আশা করছি আগামীকাল থেকে কাজ শুরু হলে ৮-১০ দিনের মধ্যে কাজ শেষ হবে।’

রুপালী আবাসিক এলাকার ওয়াসা পাম্পের বোরিং ফিল্টার মেরামতে ৮-১০ দিন সময় লাগার কথা থাকলে কাজের ধীর গতির ফলে ১৪ দিনেও মেরামত কাজ শেষ হয়নি। আর এই এলাকার ওয়াসার পাম্পের উপর নির্ভর করতে হয় আশেপাশের কয়েকটি এলাকার লোকজনদের। এতে করে আশেপাশের এলাকার লোকজন পানি সংকটে ভুগছে। যেকারণে প্রত্যেক এলাকায় পৃথক পৃথক পাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছেন ভুক্তভোগীরা।

রুবিনা নামের গৃহিনী জানায়, ‘পানি সংকটের ফলে বিকল্প ব্যবস্থা থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। তবে আমাদের এলাকায় পৃথক ওয়াসার পানির পাম্প স্থাপন করলে আজকের এই দুর্ভোগ পোহাতে হতোনা। দীর্ঘ দিন ধরে এই এলাকায় পানির পাম্প স্থাপনের কথা শুনে আসছি। কিন্তু আজতো তা বাস্তবায়িত হয়নি।এভাবে কতদিন বাইরে থেকে পানি সংগ্রহ করা সম্ভব। প্রতিদিন যুদ্ধ করে পানি সংগ্রহ করতে হয়।  আর সেই যুদ্ধে কোনদিন পানি জোটে, আবার কোনদিন জোটেনা। আর পানি পেলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তাই প্রত্যেকটি এলাকায় পৃথক পৃথক পানির পাম্প স্থাপন করা প্রয়োজন।’

ভুক্তভোগী রাহিমা বেগম জানান, ‘ওয়াসার লোকজনেরা প্রথমে বলছে ৮-১০ দিনে পানির মেরামত কাজ শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু ১৪ দিন অতিক্রম হলেও কাজ এখনো শেষ হয়নি। যেকারণে এখনো পানি সরবরাহ হচ্ছেনা।

এলাকাবাসী জানায়, ভোট আসলে সব নেতারা আমাদের কতইনা মধুর মধুর কথা শোনান। কিন্তু আমাদের সমস্যায় কেউ এগিয়ে আসেনা। প্রত্যেকটা দিন আমাদের পানির জন্য কত কষ্ট করে হচ্ছে। অথচ তারা চাইলে দুএক দিনের মধ্যে এসব সমস্যা সমাধান করতে পারে। অথচ পানি সমস্যায় মহরম মাস শুরুর আগেই বন্দর কারবালায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু তাতেও সমাধানের তেমন কিছু দেখা যাচ্ছেনা। কে জানে আরো কতদিন এই দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাতে হবে।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বন্দরের দাসেরগাঁও, চৌরাপাড়া ও লক্ষণখোলা এলাকার পানি সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছে স্থানীয়রা। পানির দাবিতে ২২জুন শুক্রবার বিকেলে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও পাম্প হাউজ ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডে ওয়াসার পানি সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছে ভুক্তভোগীরা। ৪ মার্চ রোববার নবীগঞ্জ খেয়াঘাট এলাকাতে প্রায় কয়েক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালে ভুক্তভোগীরা তীব্র ক্ষোভ ও অচিরেই সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

বক্তারা বলেন, ২৪নং ওয়ার্ডবাসী দীর্ঘ ৭ মাস ধরে পানির অভাবে ভুগছে। মানুষের কষ্টের সীমা নেই। যেই পানি না হলে মানুষ বাঁচতে পারেনা সেই পানিই মিলছেনা ২৪নং ওয়ার্ডবাসীর ভাগ্যে। আমরা আর বরদাশতঃ করবোনা। যাকে আমরা ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করেছি সেই এমপি ৭ মাস পরে এসে খবর নেন আমাদের এটা দুর্ভাগ্য। আমাদের বক্তব্য এমপি সাহেব এই ৭ মাস আপনি কোথায় ছিলেন? আপনার কোন প্রতিনিধি দিয়ে এলাকাবাসীর কোন খোঁজ খবর নিয়েছিলেন। আপনি ভুলে যাবেননা আমাদের ভোটে আপনি এমপি হয়েছেন সুতরাং আমাদের দুঃখ-কষ্টভাগ করে নেয়া আপনার উচিত। আমরা মেয়রের সহযোগিতা কামনা করছি। আপনারা যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করলে আজকে আমাদের এই দূরাবস্থা হতোনা। আমরা এই সংকট থেকে বাঁচতে চাই। আমাদেরকে মুক্তি দিন। ওয়াসাকে ৭দিনের আল্টিমেটাম দিচ্ছি যদি ৭দিনের মধ্যে এই ২৪নং ওয়ার্ডবাসীর পানির সমস্যা সমাধাণ না করা হয় তাহলে আমরা কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলনে নামবো। আপনারা পানি নিয়ে তামাশা বন্ধ করুন। নয়তো পরিণতি খুব ভয়াবহ হবে তখন নিয়ন্ত্রণ করা কারো সাধ্য হবেনা।

এর আগে ১ মার্চ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক সভায় ওয়াসা কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীর উপর প্রচন্ড ক্ষুদ্ধ হয় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান।

এছাড়া বন্দরে ওয়াসার পানির সমস্যার সমাধানের দাবিতে পোষ্টার সাটিয়েছিলেন মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও নাসিকের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ যিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী। অপরদিকে নাসিকের একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদকে দেখা গেছে ওয়াসার পানির গাড়ির মাধ্যমে পানি বিতরণ করতে।

এদিকে নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর ও বন্দর) আসনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বন্দরের ৯টি ওয়ার্ড এবং বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন এলাকা রয়েছে। অত্র আসনে নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন আওয়ামীলীগ দলীয় অন্তত ৮ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী। তবে প্রবীন নেতাদের পাশাপাশি শোডাউন দেখাচ্ছেন তারুন্যদীপ্ত নেতারাও। এ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচন করতে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও আওয়ামীলীগ জাতীয় কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান দীপু, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত, জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আরজু রহমান ভুইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান, জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও জেলা যুবলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির। তারা বিভিন্ন সময়ে শোডাউন করে নিজেদের অস্তিত্ব জানানও দিচ্ছেন। বর্তমান জাতীয় পার্টি দলীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সঙ্গে তাদের অনেকেরই চলছে কথার লড়াই।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনও মনোনয়ন চাইতে পারেন এমন গুঞ্জনও রয়েছে। এছাড়া জাতীয় পার্টি দলীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের পাশাপাশি জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের সহধর্মিনী পারভীন ওসমান। তবে বন্দরবাসীর নাগরিক সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তেমন একটা কার্যকরী কোন ভূমিকা রাখতে দেখা যায়নি। বিগত দিনে শীর্ষস্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি সেলিম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনকে তেমন কোন কার্যকরী ভূমিকা রাখতে দেখা যায়নি। এতে করে ক্ষোভ দানা বাধছে স্থানীয় অধিবাসীদের মনে। আর আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে বলেও মনে করছেন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহল।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ