সোমবার মাঠে নামছে ১৩ জন ম্যাজিস্ট্রেট

সিটি করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:০৮ পিএম, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ রবিবার



সোমবার মাঠে নামছে ১৩ জন ম্যাজিস্ট্রেট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে পর্যবেক্ষণে সোমবার থেকে মাঠে নামছেন ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচন কমিশনের ২য় দফা সময় শেষ হওয়ার পর ১৯ নভেম্বর সোমবার সকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অভিযান। যদি কোন প্রার্থী কিংবা তাদের সমর্থকেরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার প্রচারণা চালায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ নিবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।

জানা গেছে, গত ৮ নভেম্বর প্রথম দফায় তফসিল ঘোষণার পরদিন ৯ নভেম্বর ইসি সচিবালয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, আইন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ। সে জন্য আগামী শুক্রবারের মধ্যে জেলা, উপজেলা এবং সিটি করপোরেশন আওতাধীন এলাকায় যেখানে পোস্টার, ব্যানার, গেট, তোরণ এবং আলোকসজ্জা আছে, সেগুলো অপসারণের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী এবং পৌরসভার মেয়রদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সম্ভাব্য কোনো প্রার্থী যদি তাঁর প্রচার উপকরণ অপসারণ না করেন তবে তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হবেন এবং আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা প্রচারে নামতে পারবেন। এর আগ পর্যন্ত কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না। এ বিষয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এদিকে তফসিল আবারো পেছানো হলে নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয় দফায় পোস্টার, ব্যানার, গেট, তোরণ এবং আলোকসজ্জাসহ সকল ধরনের প্রচারণার উপকরণ সরিয়ে নিতে দ্বিতীয় দফায় সময় বেঁধে দেয়। প্রথম দফা সময়ে সেসব সরাতে ব্যার্থ হওয়ায় ২য় মেয়াদে সময় বৃদ্ধি করে হয়, পাশাপাশি ঘোষণা দেয়া হয় এসব ব্যানার না সরালে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করবে ইসি। এমন ঘোষণার পর পরেই নড়েচড়ে বসে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেয়া সময় শেষ হচ্ছে রোববার ১৮ নভেম্বর রাত ১২ টা পর্যন্ত।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের ২য় দফা সময় শেষ হওয়ার উপক্রম হলেও এখনো অনেক স্থানেই রয়েছে গেছে প্রচার প্রচারণার উপকরণ। তবে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বেশ কিছু স্থানে প্রচার প্রচারণার ব্যানার ও ফেস্টুন সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

তবে ব্যানার ও ফেস্টুন সহ প্রচারণার উপকরণ সরানো হলেও এখনো নগরীর বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রচারণার ফেস্টুন দেখা গেছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানেই আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে সমাবেশ ও গণমিছিল করেই যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। অথচ নির্বাচন কমিশনের সুষ্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে প্রতীক বরাদ্দের আগে কোন ধরনের প্রচারণা চালানো যাবেনা। এসব বিষয়ে প্রশাসন কোন ধরনের উদ্যোগ না নেয়ায় প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের ৩ জন প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন করে সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার আতাউর রহমান নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের বেধে দেয়া সময় শেষ হচ্ছে। সোমবার থেকে নারায়ণগঞ্জে ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামবেন। কেউ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও