নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতাদের যত সম্পদ

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৫:৪০ পিএম, ৫ ডিসেম্বর ২০১৮ বুধবার



নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতাদের যত সম্পদ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের ৫টি সংসদীয় আসনে ৬১ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে ৪৭ জনের মনোনয়ন বৈধ রয়েছে। তাদের মধ্যে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এমপিদের সম্পদের পাহাড় দেখা গেছে তাদের হলফনামায়।

কাজী মনিরুজ্জামান

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ অনার্স (অর্থনীতি)। তার নামে বর্তমানে ৮০টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কিছু মামলায় খালাস পেয়েছেন, কিছু মামলায় হাজিরা দিচ্ছেন, কিছু মামলার স্থগিত আছে এবং কিছু মামলা বাদী কর্তৃক প্রত্যাহার হয়েছে এবং কিছু মামলা খারিজ করা হয়েছে।

কাজী মনিরুজ্জামান হলফনামায় ব্যবসায়ী হিসেবে হিসেবে পরিচয় দিলেও একমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে চাকরি সম্মানী ভাতা বাৎসরিক ১২লাখ টাকা উল্লেখ করেন। এবং তার উপর নির্ভরশীলদের আয় চাকরী হতে বাৎসরিক ৩লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন।

কাজী মনিরুজ্জামানের কাছে নগদ ১১ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রীর কাছে ১০লাখ টাকা আছে বলে তিনি হলফ নামায় উল্লেখ করেন। তার নিজের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১কোটি ১৫লাখ ১৬হাজার ৩৯১টাক এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১কোটি ১৪লাখ ২১হাজার টাকা। ম্যাক্স স্যুয়েটার (বিডি) লি. এ তার নামে শেয়ার আছে ২লাখ টাকা মূল্যের এবং রুপালী ইন্সুরেন্সে তার নামে শেয়ার আছে কোটি ২১লাখ ২২হাজার ১৫০ টাকা মূল্যের। তার স্ত্রীর নামে ম্যাক্স সুয়েটারে রয়েছে ১ লক্ষ টাকা মূল্যের শেয়ার। বাস, ট্রাক মোটর গাড়ির হলফ নামায় তার ৩৫ লাখ টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করেন। তার কাছে স্বর্ণ রয়েছে ৩৫ ভরি এবং তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১০ভরি। তার নামে ইলেকট্রনিক সম্পত্তি রয়েছে ৩ লাখ ৮০হাজার টাকার এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ১লাখ টাকার। আসবাবপত্র রয়েছে তার এবং স্ত্রীর নামে ৪লাখ ৫০হাজার টাকার। তার নামে জমি রয়েছে ৬১৮.৩৭ শতাংশ এবং গুলশান-২ এ ৯কাঠা ১২ছটার জমির উপর নামে একটি বাড়ি আছে।

একাধিক ব্যাংকে কালামের একাউন্ট

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী আবুল কালাম। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এল এল বি এবং তিনি পেশায় একজন আইনজীবি।

বর্তমানে তার বিরুদ্ধে মোট ৫ টি মামলা রয়েছে এবং একটি মামলা সরকার কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। চলমান মামলাগুলোর মধ্যে সাক্ষীর পর্যায়ে রয়েছে ২ টি, চার্জ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে ২ টি, তদন্তাধীন অবস্থায় আছে ১টি।

কৃষি খাতে তার বাৎসরিক আয় ২৫ হাজার টাকা। বাড়ি ও অন্যান্য ভাড়া বাবদ তার বাৎসরিক আয় ১লাখ ৮৯ হাজার টাকা এবং একই খাতে তার স্ত্রীর আয় ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৭৯৬ টাকা। ব্যাবসায় তার কোনো আয় না থাকলেও তার ছেলের বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। শেয়ার, সঞ্চয় ও ব্যাংক আমানতে তার বাৎসরিক আয় ২ লাখ টাকা এবং একই খাতে তার নির্ভরশীলদের বাৎসরিক আয় ৬ লাখ টাকা।

আবুল কালামের নিজের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ৬০ হাজার ২ শত ৬৬ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৫ লাখ ৩৯ হাজার ৪ শত ৭১ টাকা। তার নির্ভরশীলদের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ৯লাখ ৭১ হাজার ২ শত ৯১ টাকা।

ব্যাংক এশিয়া নারায়ণগঞ্জ শাখায় তার নামে জমা রয়েছে ৩৩ হাজার ৬শত ১ টাকা। ব্যাংক এশিয়া মগবাজার শাখায় রয়েছে ১৫ হাজার ২ শত ৩০ টাকা। ইউনিয়ন ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ শাখায় রয়েছে ৬শত ২ টাকা। ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিঃ নারায়ণগঞ্জ শাখায় রয়েছে ২৫ লাখ ৪ হাজার ৩ শত ৬৫ টাকা। ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ নারায়ণগঞ্জ সদর শাখায় রয়েছে ৪লাখ ২৬ হাজার ৯৯ টাকা। ব্যাংক এশিয়া নারায়ণগঞ্জ শাখায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১ হাজার ৫ শত ১১ টাকা। ইউনিয়ন ব্যাংক লিঃ নারায়ণগঞ্জ শাখায় তার নির্ভরশীলদের নামে রয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৭শত ৮৫ টাকা।

পোস্টাল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয় পত্রে বা স্থায়ী আমানতে তার মোট বিনিয়োগ ২লাখ টাকা। একই খাতে তার স্ত্রীর বিনিয়োগ ৬ লাখ এবং নির্ভরশীলদের বিনিয়োগ ৬৭ হাজার ৮০০ টাকা। তার নিজস্ব কোনো পরিবহন না থাকলেও তার স্ত্রীর ১টি মাইক্রোবাস রয়েছে।

তার নিজস্ব স্বর্ন রয়েছে ২৫ তোলা যার অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ১২ হাজার ৫ শত টাকা। তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১৫ তোলা যার অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ১৫ হাজার টাকা। তার নির্ভরশীলদের কাছে রয়েছে ৫০ তোলা যার অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ১লাখ টাকা।

আবুল কালামের কাছে বর্তমানে যে পরিমান বৈদ্যুতিক সামগ্রী রয়েছে তার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ৫০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর কাছে বর্তমানে যে পরিমান বৈদ্যুতিক সামগ্রী রয়েছে তার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। তার নির্ভরশীলদের বর্তমানে যে পরিমান বৈদ্যুতিক সামগ্রী রয়েছে তার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ১ লাখ টাকা।

তার নামে ১ একর ৫৪ শতাংশ কৃষি জমি রয়েছে যার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ৮১ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১০.১০ শতাংশ যার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। তার নামে অকৃষি জমি রয়েছে ৭৫ শতাংশ যার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ২৯ লাখ ১০ হাজার ৩ শত ৫০ টাকা।

বন্দরের নবীগঞ্জ, কদমরসুলে তার নিজের নামে একটি টিনসেড দালান রয়েছে যার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নারায়ণগঞ্জ ৩নং শায়েস্তাখান রোডে তার স্ত্রীর নামে একটি ৬ তলা বিশিষ্ট দালান রয়েছে যার অর্জকালীন সময়ের মূল্য ছিল ৯৬ লাখ ১হাজার ১শত ৩ টাকা।

মগবাজারের ট্রপিক্যাল হোমসে আবুল কালামের নিজের নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে যার অর্জনকালীন সময়ের মূল্য ছিল ২৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯ শত ২৪ টাকা।

শিল্পপতি! শাহআলমের বছরে চাকরির বেতন ৭০লাখ টাকা

নারায়ণগঞ্জ-৪ তথা সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির জেলা কমিটির সহ সভাপতি শাহআলমের শিক্ষাগত যোগ্যতা বি.কম। তিনি শিল্পপতি হলেও ব্যবসা থেকে তাঁর কোন আয় নেই। তার নামে এখন পর্যন্ত দায়েরকৃত মোট মামলা সংখ্যা তিনটি। যারমধ্যে একটি মামলায় তদন্তাধীন অবস্থায় জামিনে রয়েছেন অপর দুটি নাশকতা মামলায় ইতোমধ্যেই অব্যহতি পেয়েছেন। হলফনামা অনুযায়ী তিনি শাহ ফতেউল্লাহ টেক্সটাইল মিল ও জালাল আহমেদ স্পিনিং মিলের উপ ব্যবস্থাপক হিসেবে নিজের পরিচয় প্রদান করেছেন।

শাহ আলম নিজের বাড়ি, দোকান ও অন্যান্য খাত থেকে তার বাৎসরিক আয় করেন ৪৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে তার কোনো আয় নেই। ব্যংক সুদ ও ইন্সুরেন্স প্রিমিয়ার থেকে তার বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪৭ হাজার ৯৫৩ টাকা। প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন হিসেবে বাৎসরিক সম্মানী পান ৬৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বাৎসরিক এলাউন্স পান ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মাছ চাষ করে উপার্জন করেন ৩ লাখ ৩ হাজার ৮৫১ টাকা। তার নিজেস্ব ব্যবসা না থাকলেও স্ত্রী ইসরাত জাহান ব্যবসা থেকে বছরে আয় করেন ১০ লাখ টাকা। এছাড়া তার দুই মেয়ে ও এক ছেলের প্রত্যেকের বাৎসরিক আয় ১৬ লাখ ২ হাজার ৫৮৫ টাকা করে।

শাহ আলমের নিজ নামে নগদ অর্থ রয়েছে ৬ কোটি ২৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৮০ টাকা। মেয়ে সামিতা ইয়াসনা তার নামে জমা ২৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬০১ টাকা। অপর মেয়ে আহনাফ রাফসান সাহ ২৪ লাখ ৩১ হাজার ৩৬০। মারসিহা ২৫ লাখ ১১ হাজার ৪৬০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমান ৯২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৬১ টাকা। স্ত্রীর নামে ৮ হাজার ৫৫০ টাকা। অন্যান্য নির্ভরশীলদের নামে মোট ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৮৪ টাকা।

তার কাছে স্বর্ণ আছে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৭ টাকার। শাহ আলমের কাছে থাকা লাইসেন্সকৃত রিভালভারের মূল্য ১ লাখ ৫ হজার টকা। তার দুটি বাড়ি রয়েছে যার মূল্য ৫ কোটি টাকা। তার স্ত্রীর নামে থাকা ফ্ল্যাটের মূল্য ৬ কোটি ১৩ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা।

আঙ্গুরের নামে কোন মামলা নাই

নারায়ণগঞ্জ-২ তথা আড়াইহাজার আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি আতাউর রহমান আঙ্গুরের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। এয়ার টিকেট, কৃষি, বাড়ি ভাড়া এবং রিক্রুটিং এজেন্সী হতে বাৎসরিক আয় করেন ৪৩ লাখ ৪১ হাজার ৮৭০ টাকা। তিনি কৃষিখাত থেকে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫শ টাকা আয় করেন। বাড়ি ও দোকান সহ অন্যান্য ভাড়া বাবদ ২৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৮২ টাকা, তার স্ত্রী একই খাত থেকে আয় করে থাকে ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৩ টাকা। ব্যবসা হতে ১৬ লাখ ৫১ হাজার ১৬৩ টাকা আয় করেন। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র/ ব্যাংক আমানত নেই। পেশা ও চাকুরী বাবদ আয় নেই। ব্যাংক সুদ হতে আয় ২৫ টাকা। তার স্ত্রী বাড়ি ও দোকান ভাড়া বাবদ ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৩ টাকা আয় করেন।

আঙ্গুরের নিজ নামে নগদ অর্থ আছে ৪ কোটি ৪১ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৭ টাকা আছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ৩১ হাজার ৩৬৫ টাকা। শেয়ারে মূল্য ৩০ লাখ ৪২ হাজার ২শ টাকা। জনশক্তি রপ্তানী লাইসেন্স বাবদ অগ্রীম জমা ১৫ লাখ টাকা। এল আই পি ৯৪ হাজার ২৬০ টাকা। নিজস্ব প্রাইভেট কারের মূল্য ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। স্বর্ণালংকার বাবদ ৫ হাজার টাকা। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৭০ হাজার টাকা। আসববাপত্র ৪০ হাজার টাকা।

কৃষি জমির মূল্য ৩৫ লাখ ৯২ হাজার ৯৩৮ টাকা। নিজ নামে অকৃষি জমির মূল্য ৩৭ লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৩ টাকা, স্ত্রীর নামে ৩৭ লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৩ টাকা। দালান (আবাসিক বা বাণিজ্যিক) জমির পরিমাণ হিসেবে মোট মূল্য ৪কোটি ৩৯লাখ ৩২ হাজার ৪৫৯ টাকা।

তৈমূরের চেয়ে বেশী ধনী স্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার তার নির্বাচনী হলফ নামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা এল.এল.বি উল্লেখ করেছেন। পেশায় নিজেকে আইনজীবী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বর্তমানে তার নামে ফৌজদারি মামলার সংখ্যা ১০টি। অতিতে তার নামে ফৌজদারি মামলা হয়েছে ১৯টি। যার কয়েকটি বিচাবাধীন কয়েকটিতে রায় স্থগিত রয়েছে।

আয়ের উৎস হিসেবে হলফ নামায় উল্লেখ করেন ভাড়া বাবদ বাৎসরিক ৫লাখ ৫৬হাজার ১৪০টাকা। ব্যাংক আমানত থেকে আয় বাৎসরিক ২হাজার ২৩টাকা। এবং আইনজীবী পেশা থেকে তার বাৎসরিক আয় ৮০হাজার টাকা।

তার নগদ অর্থের পরিমাণ ১৮লাখ ৩২হাজার ৫৫৫টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে ৪৭ লাখ ৯৬হাজার ২০২টাকা। তার নামে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ২লাখ ৪৮হাজার ৪৯৫টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে জমা আছে ৪৩লাখ ৩হাজার ৭৯৭টাকা। তার স্ত্রীর নামে একটি নোয়া মাইক্রোবাস রয়েছে যার মূল্য উল্লেখ করেননি। স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু রয়েছে ২ তোলা তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১লক্ষ ৪হাজার টাকা মূল্যের। স্ত্রীর নামে ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে ১০হাজার টাকার এবং আসবাব পত্র রযেছে তার এবং স্ত্রীর নামে ৫২হাজার টাকার।

তার নামে বিসিকে একটি প্লট রয়েছে যার মূল্য ১লাখ ২৪হাজার ৮২১টাকা এবং উত্তরা রাজউকে একটি প্লট রয়েছে যার মূল্য ৩লক্ষ ৬৭হাজর ১৮০টাকা। এছাড়া মাসদাইরে ৬তলা একটি দালানের কথা উল্লেখ করেন যার মূল্য ১কোটি ৪৬লক্ষ ১৯হাজার ৫৭৬টাকা। তার স্ত্রীর নামে ২টি ফ্লাট রয়েছে ও বিসিকে একটি প্লট রয়েছে। যার মূল্য ৩৯লক্ষ ৯৯হাজার ১৮০টাকা। হলফ নামায় তৈমুর আলম খন্দকার তার দায়ের পরিমাণ ৫লাখ ৫০হাজার টাকা উল্লেখ করেছেন।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও